,
সংবাদ শিরোনাম :
» « বিকলের ঝুঁকিতে এনআইডির তথ্য-ভান্ডার ॥ সেবা নেয়া ৮২টি প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিতে পড়তে পারে» « ঢাকায় মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র পুত্র অনিকের লাশ উদ্ধার» « সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও আশ্রম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে দুই দিনের কর্মশালা শুরু» « গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার» « আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় শেষ হল বিশ্ব ইজতেমা» « পার্বত্য শান্তিচুক্তির ৮০ ভাগ বাস্তবায়িত -প্রধানমন্ত্রী» « আজ সরস্বতী পূজা» « সাতক্ষীরার সড়ক যাতায়াতের উন্নয়ন অপরিহার্য» « আবারও যশোরে পৃথক স্থান থেকে দুই অজ্ঞাত যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার» « সরিষার বাম্পার ফলন, চাষীদের মুখে হাসি» « জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সন্তানদের জন্য পাহাড় কেটে ৮ কিমি রাস্তা বানালেন বাবা

05-India

এফএনএস ডেস্ক: ভারতের উড়িষ্যার একটি পাহাড়ি এলাকায় সন্তানদের স্কুলে যাওয়া সহজ করতে শুধু কোদাল ও শাবল দিয়ে আট কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করেছেন এক বাবা। এজন্য তার সময় লেগেছে প্রায় দুই বছর। অবশিষ্ট ৭ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে আরও তিন বছর কাজ করার পরিকল্পনা ছিল তার। তবে বিষয়টি আলোচনায় আসার পর এখন বাকি রাস্তা নির্মাণের দায়িত্ব নিয়েছে স্থানীয় সরকার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে। জালান্ধার নায়েক নামের ওই বাবার তিন ছেলে রয়েছে। পাহাড়ি ও পাথুরে রাস্তা ধরে স্কুলে যেতে তিন ছেলের সময় লাগত প্রায় তিন ঘণ্টা। ফলে দুই বছর আগে সবজি বিক্রেতা একটি কোদাল ও শাবল দিয়ে সন্তানদের যাতায়াতের জন্য একটি সহজ রাস্তার খোঁড়ার কাজ শুরু করেন। এই সপ্তাহে ঘটনাটি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে সরকারের নজরে আসে। জালান্ধার বলেন, স্কুলে যাওয়া-আসার অপ্রশস্ত ও পাথুরে রাস্তা দিয়ে চলাচল করা আমার সন্তানদের জন্য কষ্টকর ছিল। আমি প্রায়ই দেখতাম তারা পাথরে হোঁচট খেয়ে পড়ছে। ফলে আমি সিদ্ধান্ত নেই পাহাড়ের পাশ দিয়ে একটা রাস্তা তৈরি করার যাতে করে তারা সহজে হাঁটতে পারে। স্থানীয় কর্মকর্তা ব্র“ন্ধা ডি বলেন, পাহাড় কেটে রাস্তা বানানোর জন্য নায়েকের উদ্যোগ ও দৃঢ়তা আমাকে বাকরুদ্ধ করেছে। তিনি জানান, রাস্তা তৈরি যে সময় ও শ্রম দিয়েছেন নায়েক সেটার মূল্য সরকার পরিশোধ করবে। নায়েক বাস করেন গুমসাহি গ্রামে এবং তার সন্তানদের স্কুল ফুলবানিতে। রাস্তাটি স্কুলের সঙ্গে গ্রামের সংযোগ তৈরি করেছে। তাদের পরিবারই শুধু গুমসাহি গ্রামে রয়ে গেছে। বাকিরা এই এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। এই বাবা জানান, তার পরিকল্পনা ছিল আরও তিন বছর ধরে কাজ করে অবশিষ্ট ৭ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করবেন। এই কাজটি সম্পূর্ণ করার দায়িত্ব এখন নিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, জেলার কালেক্টর আমাকে আশ্বস্ত করেছেন গ্রামের রাস্তাটির কাজ সম্পূর্ণ করা হবে। বিহারের দশরথ মানঝির ঘটনার সঙ্গে নায়েকের প্রচেষ্টাকে তুলনা করা হচ্ছে। বিহারের এক মজুর প্রায় ২২ বছর ধরে পাহাড় কেটে একটি রাস্তা তৈরি করেছিলেন। এর ফলে দুটি জেলার মধ্যে দূরত্ব ৪২ কিলোমিটার কমে গিয়েছিল। মানঝির ঘটনায় বেশ কিছু চলচ্চিত্রও নির্মাণ করা হয়েছে। পাহাড়ি পথ ধরে পার হতে গিয়ে স্ত্রীর মৃত্যুর পর মানঝি রাস্তা নির্মাণ শুরু করেন। ২০০৭ সালে তার মৃত্যু হয়। তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছিল।

Share
[related_post themes="flat" id="237154"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com