,
সংবাদ শিরোনাম :
» « বিকলের ঝুঁকিতে এনআইডির তথ্য-ভান্ডার ॥ সেবা নেয়া ৮২টি প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিতে পড়তে পারে» « ঢাকায় মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র পুত্র অনিকের লাশ উদ্ধার» « সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও আশ্রম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে দুই দিনের কর্মশালা শুরু» « গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার» « আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় শেষ হল বিশ্ব ইজতেমা» « পার্বত্য শান্তিচুক্তির ৮০ ভাগ বাস্তবায়িত -প্রধানমন্ত্রী» « আজ সরস্বতী পূজা» « সাতক্ষীরার সড়ক যাতায়াতের উন্নয়ন অপরিহার্য» « আবারও যশোরে পৃথক স্থান থেকে দুই অজ্ঞাত যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার» « সরিষার বাম্পার ফলন, চাষীদের মুখে হাসি» « জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

দুই চাকুরীজীবির নামে খাস জমি বন্দোবস্ত ॥ জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ১নং জয়নগর ইউনিয়নের সরসকাটি বাজারে পেরীফেরীর আওতায় খাস জমিতে অব্যবসায়ীদের নামে দোকানঘর বন্দোবস্ত দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি ওই অব্যবসায়ীরা তাদের নামে খাস জমি বন্দোবস্ত নিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্যত্রে হস্তান্তর করেছে বলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ওই বাজারের স্থায়ী ব্যবসায়ী ক্ষেত্রপাড়া গ্রামের মৃত আছির উদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে রিজাউল ইসলাম বাদি হয়ে সম্প্রতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সুপারিশ নিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। লিখিত অভিযোগে জানা যায়,ওই বাজারে পেরীফেরীর আওতায় খাস জমিতে দোকানঘর বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। বন্দোবস্ত পাওয়া উপজেলার ক্ষেত্রপাড়া গ্রামের ভৈরব সাহার ছেলে খুলনা প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের সহকারী সেকশন অফিসার পবিত্র সাহা ও মৃত শিবপদ সাহার মেঝ ছেলে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রামকৃষ্ণ সাহা ভুয়া তথ্য প্রদান ও জাল জালিয়াতি কাগজ পত্র তৈরী করে দুইটি দোকানঘর করার লক্ষ্যে খাস জমি তাদের নামে বন্দোবস্ত নিয়েছে। তারা কখনো ওই বাজারে ব্যবসা করতো না বা এখনও করে না। তারা বর্তমানে ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং সম্পর্কে তারা চাচা-ভাইপো দুইজনই খুলনাতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। অভিযোগে বলা হয়,এর আগে পবিত্র সাহার বাবা ভৈরব সাহা একই বাজারে একটি দোকানঘর বন্দোবস্ত নিয়েছিল। সেখানে কখনও তিনি ব্যবসা করেননি। ভাড়া দিয়ে গেছেন। গত দুই বছর আগে ওই দোকানঘরটি উপজেলার ওফাপুর গ্রামের মৃত করিম বকসের ছেলে জামাল দফাদারের নিকট এককালীন ৬ লক্ষ টাকা গ্রহন করে হস্তান্তর করেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। ভবিষ্যাতে তারা বাবার মতো মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বন্দোবস্তকৃত দোকান অন্যত্রে হস্তান্তর করতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এমনকি পবিত্র সাহা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া সরকারী অনুমতি বিহীন আরো দুইটি দোকানঘর নির্মান করেছেন। বর্তমানে ওই দুটি দোকানঘর দ্বিতলা বিশিষ্ঠ। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে নিজ নামে বন্দোবস্ত ও অবৈধভাবে দুটি দোকান নির্মান করেছেন। অভিযোগে আরো বলা হয়, বর্তমানে ওই বাজারে সরকাারের ১,৫৬,০০০০০ (এক কোটি ছাপান্ন লক্ষ) টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। যার মধ্যে ৬টি চাঁদনী। চাঁদনীর পাশে ইউনিয়ন ভমি অভিস ও পুলিশ ক্যাম্পে যাতায়াতের একমাত্র গলিপথের উপর লোহার সিঁড়ি তৈরী করে দখলকৃত ওই দুটি দোকানের দ্বিতল ভবনে উঠা-নামা করা হচ্ছে। তাই অব্যবসায়ী পবিত্র সাহা ও রামকৃষ্ণ সাহার নামে বরাদ্দকৃত দোকানঘর বাতিল ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বন্দোবস্ত দিতে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সু-দৃষ্টি কামনা করা হয়। এ ব্যাপারে খুলনা প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের সহকারী সেকশন অফিসার পবিত্র সাহা বলেন, তারা ওই বাজারে ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকে পাটের ব্যবসা করতেন। অবৈধভাবে কোন দোকানঘর নির্মান বা বন্দোবস্ত নেননি। যা করেছেন বৈধভাবেই করেছেন। বরং অভিযোগকারী রিজাউল ৪টি দোকানঘর অবৈধভাবে নির্মান করেছেন।

Share
[related_post themes="flat" id="237201"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com