,
সংবাদ শিরোনাম :
» « গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে নতুন কৌশলে ইসি \ বেশি কেন্দ্রে হবে ইভিএম» « সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড় বাজারে চারিদিকে শুধু আম আর আম \ আমের মৌ-মৌ সুগন্ধে ক্রেতা সাধারনের মন ভরে উঠেছে» « সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত» « সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সোলার প্যানেল বিতরন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু» « পদ্মপুকুর ইউনিয়নের কামালকাটী নামক স্থানে ওয়াপদার ভেড়ী বাঁধে ভয়াবহ ভাঙ্গন» « সাতক্ষীরার বাজার ব্যবস্থায় পাগলা ঘোড়া ছুটছে তো ছুটছেই \ সবজি বাজারে উত্তাপ এবং মাছ মাংস বাজারে আগুন» « খুলনার নির্বাচন সুষ্ঠু, উন্নয়ন উপলব্ধিতে নৌকায় ভোট -প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা» « বাংলাদেশের আম বিশ্ব বাজারে এবং সাতক্ষীরা» « ইয়াবাসহ মাদক স¤্রাট সেলিম আটক» « সমগ্র দঃ বেদকাশি ইউনিয়নবাসী আতঙ্কিত \ ফাটল ধরেছে নতুন নতুন এলাকা \ কয়রায় জোড়সিং বাজার সহ লঞ্চঘাট নদী গর্ভে» « বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

ফারমার্স ব্যাংক প্রসঙ্গে \ স্পীকারের কাছে প্রটেকশন চাইলেন ড. মখা আলমগীর

ঢাকা ব্যুরো \ ফারর্মাস ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে ঋণ কেলেঙ্কারী নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান ও সরকারি দলের সিনিয়র নেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। তিনি এ ব্যাপারে সংসদের স্পীকারের কাছে প্রটেকশন দাবী করে বলেন, তিনটি পত্রিকা ফারর্মাস ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে আমার বিরুদ্ধে কতিপয় ঘৃণিত, অসত্য তথ্য উদ্দেশ্যেপ্রণোধিতভাবে জাতির সামনে প্রকাশ করেছে। যে অভিযোগ এসেছে তা সম্পূর্ণ কল্পনাভিত্তিক ও অনুমান নির্ভর। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে গণমাধ্যমে আসা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ফারর্মাস ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে আমি নাকি ঋণ বিতরণের আগে গ্রাহকদের কাছ থেকে কমিশন নিয়েছি। এতবড় অসত্য কথার সন্মুখীন আমার ৭৭ বছরে কখনও হতে হয়নি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত জীবনে আমি শিল্প ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় ছিলাম, কৃষি ব্যাংকের শিল্পঋণ সংস্থার সভাপতি ছিলাম, জেদ্দায় প্রতিষ্ঠিত ইসলামি ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ছিলাম। আমার কার্যক্রম সম্পর্কে এভাবে কোন উদাহরণ, কোন অপবাদ কেউ কোন দিন উপস্থাপন করতে পারেনি। সংসদে দাঁড়িয়ে এসময় তিনি নিজের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তুলে ধরে বলেন, আমার ব্যাংকের হিসেবের পুরো অংশ নিয়ে এসেছি। এখানে কেউ কী প্রমাণ করতে পারবেন যে, কোন ঋণ গ্রহীতার কাছে থেকে আমার এখানে অর্থ ঢুকেছে? পত্রিকাগুলো রিপোর্টে উলে­খ করেছে যে, আমি চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়য়ে ১৭ জুলাই ১৩ কোটি টাকা গ্রাহকের হিসাব থেকে আমার হিসেবে এসেছে। এ অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার ব্যাংক হিসেবে এখানে আছে, গত ১৭ জুলাই থেকে পরবর্তী ৭ বা ১০ দিনে আমার হিসেবে এধরণের কোন অর্থ জমা হয়নি। তাই আমি মনে করি এই ধরনের অপবাদ সমাজের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করার প্রতিকুল। আর প্রতিকুল বর্জন করার জন্য দূরে সরিয়ে সুসংহত সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য স্পীকারের কাছে প্রতিবিক্ষণ চাইবো। ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর আরও বলেন, চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময় অনুমোদনহীন ঋণ দেওয়া হয়েছে বলে যা প্রচার করা হয়েছে এই অভিযোগও অস্বীকার করছি। কেননা আমি চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে অনুমোদন ছাড়া কোন ঋণ প্রক্রিয়াজাত করা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পর্যবেক্ষক তারাও এটা অবলকন করেছেন। এভাবে অনুমানভিত্তিক প্রচার আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা রক্ষা করার প্রতিক‚ল। তিনি বলেন, ফারর্মাস ব্যাংকে যে পরিমাণ ঋণ অনুমোদন হয়েছে তার চাইতে বেশি ঋণ দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগও আনা হয়েছে রিপোর্টে। আমি এই অভিযোগও অস্বীকার করছি। কারণ টাকা দেওয়া ও সঞ্চালন করার এখতিয়ার ব্যাংক কর্মকতাদের, ম্যানেজার এবং অন্যান্যদের। অনুমোদনের বাইরের কোন ঋণ দিয়ে থাকলে সেটা তাদের দায়িত্ব। তবে আমি চেয়ারম্যান থাকাকীলন সময়ে আমার জানামতে এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। ব্যাংকটিতে সবক্ষেত্রে যথাযথ কর্মকর্তা নিয়োগ হয়নি বলে যে অভিযোগ এসেছে সে সম্পর্কে সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, ফারর্মাস ব্যাংকের সকল ক্ষেত্রে যথাযোগ্য কর্মকর্তা নিয়েছি, তাই হয়েছে। শুধু তাই না বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে একমাত্র ফারর্মাস ব্যাংকেই সবচাইতে বেশি মুক্তিযুদ্ধের উত্তরসূরিদের নিয়োগ দিয়েছি। এটা ইচ্ছা করেই করেছি। এতে কেউ যদি মনে ব্যাংকের স্বার্থ লঙ্ঘিত করেছে, তারা সত্য ও সৎ কথা বলেননি।

Share
[related_post themes="flat" id="241874"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com