,
সংবাদ শিরোনাম :

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সুরক্ষা আইন করার দাবি

এফএনএস: মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণœ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের জন্য সুরক্ষা আইন করার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। গতকাল রোববার সকালে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক গণসমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতা-কর্মীরা বলেন, কোটা সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তাঁদের দ্বিমত নেই। তবে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সম্মান ক্ষুণœ হচ্ছে এতে। তাই যাঁরা মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। বেলা দেড়টায় সমাবেশ শেষে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তনের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে তাঁরা বিভিন্ন বিষয়ে শপথ গ্রহণ করেন। সমাবেশ শেষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, ‘কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারের সদস্যদের কটাক্ষ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হচ্ছে। আমাদের দাবি, যারা এসব কাজ করছে তাদের বিচার করা।’ সমাবেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ২৫ এপ্রিল জেলা, উপজেলা পর্যায়ে দাবিনামা পেশ করা, ৩০ এপ্রিল বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবিনামা পেশ করা, ৮ মে সংবাদ সম্মেলন, নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধপত্র প্রদান কর্মসূচি এবং ৯ জুন বেলা তিনটায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ। সকাল দশটার দিকে এই সমাবেশ শুরু হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমিটি এই সমাবেশের আয়োজন করে। তাদের অন্য দাবিগুলো হলো যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের তালিকা প্রকাশ করা, তাদের স্থাবর-অস্থাবর সকল সম্পদ ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও রাষ্ট্রায়ত্ত করা, যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের দশ প্রজন্ম পর্যন্ত সরকারি-আধা সরকারি-স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠানে চাকরির নিয়োগে অযোগ্য ঘোষণা করা এবং স্বাধীনতার পর থেকে যারা সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছে, তাদের নিয়োগ বাতিল করা। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের বাকি দাবিগুলো হলো কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে যারা বঙ্গবন্ধুর ছবি অগ্নিসংযোগ করেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাড়ি ভাঙচুর-শারীরিক নির্যাতন করেছে এবং সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা করেছে, সেসব ব্যক্তি, সংগঠনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে যারা দেশে অরাজকতা ও অশান্তি করেছে, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া এবং কোটা সংস্কারের আন্দোলনের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যেসব শিক্ষক মদদ দিয়েছেন, তাঁদের অব্যাহতি দিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

Share
[related_post themes="flat" id="250092"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com