,
সংবাদ শিরোনাম :
» « মুক্তিযোদ্ধার অবর্তমানে ॥ ভাতা পাবেন স্ত্রী বা স্বামী, পিতা-মাতা, ভাই-বোন» « দৃশ্যপটে বৃহত্তর জোট এক মঞ্চে উঠছেন বিরোধী নেতারা» « শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে মানুষ না খেয়ে থাকেনা, থাকে শান্তিতে -এমপি রবি» « সাতক্ষীরায় জাতীয় নজরুল সম্মেলন উপলক্ষে কবিতা আবৃতি ও পুরস্কার বিতরন» « সাতক্ষীরায় বাম জোটের বিক্ষোভ আটক তিন» « যশোরে ৩১ বোতল ফেনসিডিল সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব» « দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত» « আজ পবিত্র আশুরা» « তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ» « আবারও বাধার মুখে সাতক্ষীরা বাস মালিক সমিতির নির্বাচন» « দেবহাটা ঈদগাহ সমাবেশে আ,ফ,ম রুহুল হক এম,পি

দুষ্প্যাপ্য হয়ে উঠেছে মিঠা পানির মাছ \ মৎস্য সংরক্ষণ অপরিহার্য

Sp

দৃষ্টিপাত রিপোর্ট \ মাছে ভাতে বাঙ্গালী, চিরায়ত এই প্রবাদটির সাথে সব বাঙ্গালীই পরিচিত। অতি পরিচিত বাস্তবধর্মী আর শরীর উপযোগী আমীষ এর অভাব দিনে দিনে প্রকট হচ্ছে। বিশেষ করে দেশী মাছের অকাল এবং সংকট আমীষের অভাবের পাশাপাশি মিঠা পানির মাছের দ্বীর্নতা দিনে দিনে স্পষ্ট হচ্ছে। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে বাজার ব্যবস্থা এবং দেশের খাল বিল, পুকুর, জলাশয় সহ মৎস্যের আবাস্থল পর্যালোচনা, গবেষণা, করে দেখা গেছে মিঠা পানির মাছের শুন্যতা প্রকট আকার ধারন করেছে। যতই দিন যাচ্ছে ততোই মিঠা পানির অভাব দেখা দিচ্ছে। বোয়াল, শোল, কই, মাগুর, জেল, পুটি, মায়া, ছায়া, শিং, চ্যাং, বেতলা, সহ বিভিন্ন ধরনের মিঠা পানির মাছ দুষ্প্যাপ্য হয়ে উঠেছে, বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ এদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় নদ নদী গুলোতে পূর্বের ন্যায় মৎস্যের অস্তিত্ব অনুভূত হয় না। দেশের জন সাধারনের একটি বড় অংশ বরাবরই নদ নদীতে মৎস্য শিকারের মাধ্যমে জীবন জীবিক নির্বাহ করে আসছে। কিন্তু সা¤প্রতিক সময়গুলোতে নদ নদীতে চাহিদানুযায়ী মাছের সন্ধান না পাওয়া দীর্ঘদিনের পেশা ত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে অনেকে। তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে নদ নদীতে মৎস্য আরোহন কারীদের একটি অংশ সব ধরনের মৎস্য আরোহন করে আর এ ক্ষেত্রে বংশ বিস্তারের সম্ভাবনা বিনাশ হয় বিশেষ করে খাওয়ার অযোগ্য অর্থাৎ রেনু জাতীয় মৎস্য, সব মৎস্য সব বিনাশ হয়। এখনেই শেষ নয় সাতক্ষীরা খুলনা এলাকাতে লোনা পানির উপস্থিতির কারনে এবং লবনাক্ততার প্রসারের জন্য মিঠা পানির মৎস্যের অস্তিত্ব অনেকটা হুমকির মুখে। গত কয়েক বছর যাবৎ সাতক্ষীরার হাট বাজার গুলোতে দেশীয় মাছ তথা মিঠা পানির মাছের দেখা মেলে না। এক সময় হাট বাজার গুলোতে কই, মাগুর, জেল, শিং, চ্যাং, বেতলার সরব উপস্থিতি ছিল বিশেষ লক্ষনীয় কিন্তু বর্তমানের চিত্র সম্পূর্ণ ভাবে ভিন্ন মৎস্য বিশেষজ্ঞদের সাথে আলাপ কালে জানা গেছে লবনাক্ততার পাশাপাশি সা¤প্রতিক বছর গুলোতে আমাদের দেশের অভ্যন্তর ভাগের জলাশয় গুলো যেমন আগাম শুকিয়ে যাচ্ছে অনুরুপ ভাবে দীর্ঘ খরার আবরনের ফলশ্র“তিতে জলাশয়ের নিম্নস্তরে থাকা দেশীয় মিঠার পানির মৎস্যের বংশ বিস্তারের ক্ষেত্র বিনষ্ট হচ্ছে। উলে­খ্য চ্যাং, শোল, বোয়াল, মাগুর, কই বিভিন্ন ধরনের মৎস্য প্রজাতির ডিম জলাশয়ের নিম্ন স্তরে থাকে পরবর্তিতে বর্ষার আগমনী বর্তায় উক্ত ডিম অবমুক্ত হয় এবং রেনু পোনার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু দীর্ঘ খরার কারনে সেই সাথে জলাশয় গুলোতে মৎস্য শিকারের নামে বিষ প্রয়োগের ঘটনাও ঘটে যে কারনে মিঠা পানির মৎস্যের অকাল দেখা যাচ্ছে। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে অবশ্য, রুই, কাতলা, মৃগেল, চিতল, মিনার কাপ, জাপানি পুটি, সহ এই সকল মৎস্যের অস্তিত্ব বিদ্যমান, কারন চিংড়ী ঘেরগুলোতে উলে­খিত মিঠা পানির মৎস্যের ব্যাপক উৎপাদন লক্ষনীয়। এ ক্ষেত্রে চিংড়ী ঘেরের লবনাক্ত পানিতে বোরিং পানির মাধ্যমে দুধ নোনতা করনের মাধ্যমে সা¤প্রতিক বছর গুলোতে ব্যাপক ভিত্তিক রুই, কাতলা, মৃগেল, জাতীয় মাছের চাষ হচ্ছে, দেশী এবং মিঠা পানির মাছের সংরক্ষন প্রবাহমান অবস্থান এবং অস্তিত্ব বিনাশ হতে দেওয়া যাবে না। মিঠা পানি মৎস্যের দুষ্প্যাপ্যতা রোধ করতে হবে, নতুব আগামী প্রজন্ম ভুলেই যাবে দেশী তথা মিঠা পানির হরেক রকম মৎস্যের নাম।

Share
[related_post themes="flat" id="250193"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com