,
সংবাদ শিরোনাম :
» « আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ ॥ তিন স্তরের নিরাপত্তায় থাকবে প্রায় ৭লাখ ফোর্স» « সাতক্ষীরা জেলা সংবাদ পত্র পরিষদের সাথে প্রাক্তন সংসদ সদস্য এইচএম গোলাম রেজার মত বিনিময়» « সাতক্ষীরায় নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত» « পুরাতন সাতক্ষীরায় নির্বাচনী সভায় ॥ উন্নয়নের ধারা অভ্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট চাইলেন মোস্তাক আহমেদ রবি» « বিচারিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সিইসি ॥ মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলায় বিব্রত কমিশন» « নৌকা প্রতীককে বিজয় করার লক্ষ্যে শ্যামনগরে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত» « সাতক্ষীরা-৪ আসনে কুলা প্রতীক প্রার্থীর মতবিনিময়» « টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা» « মুক্তিযুদ্ধে সাতক্ষীরা ঃ মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব ॥ আশাশুনি কেয়ারগাতি হানাদার বাহিনীকে রুখে দেয় মুক্তিযোদ্ধারা» « সাতক্ষীরায় জাতীয় রিক্সা ভ্যান শ্রমিক লীগের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত» « চাম্পাফুল বাজার টু বদরতলা পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা

দুষ্প্যাপ্য হয়ে উঠেছে মিঠা পানির মাছ \ মৎস্য সংরক্ষণ অপরিহার্য

Sp

দৃষ্টিপাত রিপোর্ট \ মাছে ভাতে বাঙ্গালী, চিরায়ত এই প্রবাদটির সাথে সব বাঙ্গালীই পরিচিত। অতি পরিচিত বাস্তবধর্মী আর শরীর উপযোগী আমীষ এর অভাব দিনে দিনে প্রকট হচ্ছে। বিশেষ করে দেশী মাছের অকাল এবং সংকট আমীষের অভাবের পাশাপাশি মিঠা পানির মাছের দ্বীর্নতা দিনে দিনে স্পষ্ট হচ্ছে। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে বাজার ব্যবস্থা এবং দেশের খাল বিল, পুকুর, জলাশয় সহ মৎস্যের আবাস্থল পর্যালোচনা, গবেষণা, করে দেখা গেছে মিঠা পানির মাছের শুন্যতা প্রকট আকার ধারন করেছে। যতই দিন যাচ্ছে ততোই মিঠা পানির অভাব দেখা দিচ্ছে। বোয়াল, শোল, কই, মাগুর, জেল, পুটি, মায়া, ছায়া, শিং, চ্যাং, বেতলা, সহ বিভিন্ন ধরনের মিঠা পানির মাছ দুষ্প্যাপ্য হয়ে উঠেছে, বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ এদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় নদ নদী গুলোতে পূর্বের ন্যায় মৎস্যের অস্তিত্ব অনুভূত হয় না। দেশের জন সাধারনের একটি বড় অংশ বরাবরই নদ নদীতে মৎস্য শিকারের মাধ্যমে জীবন জীবিক নির্বাহ করে আসছে। কিন্তু সা¤প্রতিক সময়গুলোতে নদ নদীতে চাহিদানুযায়ী মাছের সন্ধান না পাওয়া দীর্ঘদিনের পেশা ত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে অনেকে। তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে নদ নদীতে মৎস্য আরোহন কারীদের একটি অংশ সব ধরনের মৎস্য আরোহন করে আর এ ক্ষেত্রে বংশ বিস্তারের সম্ভাবনা বিনাশ হয় বিশেষ করে খাওয়ার অযোগ্য অর্থাৎ রেনু জাতীয় মৎস্য, সব মৎস্য সব বিনাশ হয়। এখনেই শেষ নয় সাতক্ষীরা খুলনা এলাকাতে লোনা পানির উপস্থিতির কারনে এবং লবনাক্ততার প্রসারের জন্য মিঠা পানির মৎস্যের অস্তিত্ব অনেকটা হুমকির মুখে। গত কয়েক বছর যাবৎ সাতক্ষীরার হাট বাজার গুলোতে দেশীয় মাছ তথা মিঠা পানির মাছের দেখা মেলে না। এক সময় হাট বাজার গুলোতে কই, মাগুর, জেল, শিং, চ্যাং, বেতলার সরব উপস্থিতি ছিল বিশেষ লক্ষনীয় কিন্তু বর্তমানের চিত্র সম্পূর্ণ ভাবে ভিন্ন মৎস্য বিশেষজ্ঞদের সাথে আলাপ কালে জানা গেছে লবনাক্ততার পাশাপাশি সা¤প্রতিক বছর গুলোতে আমাদের দেশের অভ্যন্তর ভাগের জলাশয় গুলো যেমন আগাম শুকিয়ে যাচ্ছে অনুরুপ ভাবে দীর্ঘ খরার আবরনের ফলশ্র“তিতে জলাশয়ের নিম্নস্তরে থাকা দেশীয় মিঠার পানির মৎস্যের বংশ বিস্তারের ক্ষেত্র বিনষ্ট হচ্ছে। উলে­খ্য চ্যাং, শোল, বোয়াল, মাগুর, কই বিভিন্ন ধরনের মৎস্য প্রজাতির ডিম জলাশয়ের নিম্ন স্তরে থাকে পরবর্তিতে বর্ষার আগমনী বর্তায় উক্ত ডিম অবমুক্ত হয় এবং রেনু পোনার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু দীর্ঘ খরার কারনে সেই সাথে জলাশয় গুলোতে মৎস্য শিকারের নামে বিষ প্রয়োগের ঘটনাও ঘটে যে কারনে মিঠা পানির মৎস্যের অকাল দেখা যাচ্ছে। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে অবশ্য, রুই, কাতলা, মৃগেল, চিতল, মিনার কাপ, জাপানি পুটি, সহ এই সকল মৎস্যের অস্তিত্ব বিদ্যমান, কারন চিংড়ী ঘেরগুলোতে উলে­খিত মিঠা পানির মৎস্যের ব্যাপক উৎপাদন লক্ষনীয়। এ ক্ষেত্রে চিংড়ী ঘেরের লবনাক্ত পানিতে বোরিং পানির মাধ্যমে দুধ নোনতা করনের মাধ্যমে সা¤প্রতিক বছর গুলোতে ব্যাপক ভিত্তিক রুই, কাতলা, মৃগেল, জাতীয় মাছের চাষ হচ্ছে, দেশী এবং মিঠা পানির মাছের সংরক্ষন প্রবাহমান অবস্থান এবং অস্তিত্ব বিনাশ হতে দেওয়া যাবে না। মিঠা পানি মৎস্যের দুষ্প্যাপ্যতা রোধ করতে হবে, নতুব আগামী প্রজন্ম ভুলেই যাবে দেশী তথা মিঠা পানির হরেক রকম মৎস্যের নাম।

Share
[related_post themes="flat" id="250193"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com