,
সংবাদ শিরোনাম :
» « মুক্তিযোদ্ধার অবর্তমানে ॥ ভাতা পাবেন স্ত্রী বা স্বামী, পিতা-মাতা, ভাই-বোন» « দৃশ্যপটে বৃহত্তর জোট এক মঞ্চে উঠছেন বিরোধী নেতারা» « শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে মানুষ না খেয়ে থাকেনা, থাকে শান্তিতে -এমপি রবি» « সাতক্ষীরায় জাতীয় নজরুল সম্মেলন উপলক্ষে কবিতা আবৃতি ও পুরস্কার বিতরন» « সাতক্ষীরায় বাম জোটের বিক্ষোভ আটক তিন» « যশোরে ৩১ বোতল ফেনসিডিল সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব» « দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত» « আজ পবিত্র আশুরা» « তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ» « আবারও বাধার মুখে সাতক্ষীরা বাস মালিক সমিতির নির্বাচন» « দেবহাটা ঈদগাহ সমাবেশে আ,ফ,ম রুহুল হক এম,পি

সোনার মানুষ হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বাংলা নববর্ষ বরণ

04142018_15_POHELA_BOISHAKH

এফএনএস: একটি অসাম্প্রদায়িক উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সোনার মানুষ হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বাঙালি জাঁতি ১৪২৫ বাংলা নববর্ষকে বরণ করেছে। বিশ্বায়নের বাস্তবতায় বাঙালির আত্মপরিচয়ের তালাশে আহবানে রমনার বটমূলে সংগীতায়ন ছায়ানট ১৪২৫ বঙ্গাব্দ বরণ করেছে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে মর্তুজা কবিরের বাঁশিতে রাগ আহীর ভাঁয়রো পরিবেশনার মধ্য দিয়ে রমনা বটমূলে শুরু হয় ছায়ানটের প্রভাতী আয়োজন। একক ও সম্মিলিত কন্ঠে সংগীত পরিবেশনা আর কবিতায় ছায়ানটের শিল্পীরা স্বাগত জানান পহেলা বৈশাখকে। হলুদ সবুজ পোশাকে এ সময় রমনার বটমূলে প্রায় দেড় শতাধিক শিল্পী তাদের সুর-ছন্দ আর তাল-লয়ে বৈশাখের বন্দনা করে স্বাগত জানান নতুন বছর ১৪২৫-কে। তাদের সে আয়োজনে ছিলো বৈশাখের মগ্নতা, হৃদয়ে নতুনকে কাছে পাবার তৃষ্ণা আহবান। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ এই স্লোগানে বাংলা নতুন বছরকে সাদরে বরণ করা হয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে। গত শনিবার সকাল ৯ টায় শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে শুরু হয়। এরপর এটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, শাহবাগ ও টিএসসি মোড় ঘুরে ফের চারুকলার সামনে গিয়ে সকাল ১০টা ১০ মিনিটের দিকে শেষ হয়। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে মঙ্গল শোভাযাত্রায় সকলের অংশগ্রহণ ও উচ্ছ¡াসে আরো দীপ্ত হয়েছে নতুন বছর ১৪২৫। শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে সা¤প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রতীকী উপস্থাপনের জন্য নানা বিষয় স্থান পেয়েছে। শোভাযাত্রায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে অংশ নিয়েছেন। কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো ছিল পুরো এলাকা। শোভাযাত্রায় নিরাপত্তার কড়াকড়ি থাকলেও তারুণ্যের উচ্ছ¡াসের কাছে হার মানে সবকিছুই। ঢাক-ঢোলের বাদ্য আর তালে তালে তরুণ-তরুণীদের নৃত্য, হৈ-হুলে­াড় আর আনন্দ-উল­াস মাতিয়ে রেখেছিল পুরো শোভাযাত্রা। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে হওয়া এ শোভাযাত্রা। সা¤প্রদায়িক অশুভ শক্তিকে রুখে দেবার অঙ্গীকার নিয়ে রাজধানীর বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে বাংলা নববর্ষের শোভাযাত্রা বের করে আওয়ামী লীগ। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা নববর্ষের এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ যৌথভাবে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ৮টায় শোভাযাত্রা শুরু হয়। ঢাক, ঢোল, বাঁশি বাজিয়ে সকলে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। শোভাযাত্রায় নানা রঙের সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে বাঙালি ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য ‘জাতীয় ফল কাঁঠাল’। শোভাযাত্রায় পাশাপাশি ছিল কাঁঠবিড়ালী, শেয়াল ও তাল, কামরাঙ্গাসহ দেশীয় বিভিন্ন ফল-ফলাদির প্রতিকৃতি, পুতুল, পাখি, পেঁচা ও রাজা-রানীর মুখোশ, ঘোড়া, সিকা, সরা, অন্যান্য লোকজ ঐতিহ্য, অলঙ্কৃতপাত্র ইত্যাদি। শোভাযাত্রায় গ্রাম বাংলার নৈসর্গিক দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়। কেবল দেশের বড় শহরগুলোতেই নয়- এবারের বর্ষবরণ দেশের উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। সকল বিভাগীয় শহর, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, উপজেলা শহর ও নদীবন্দর এলাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ-১৪২৫ বরণ-উৎসব শুরু হয়।

Share
[related_post themes="flat" id="250211"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com