,
সংবাদ শিরোনাম :
» « একনেকে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইভিএম কেনার প্রকল্প অনুমোদন» « সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় দুঃস্থ পরিবার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঝে টিন বিতরন» « সুলতানপুর উঠান বৈঠকে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরলেন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি» « কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের সংবাদ সম্মেলন ॥ আজ সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় নজরুল সম্মেলন» « সাতক্ষীরায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় সাবেক ডিসি ও ইউএনও সহ তিন জনের কারাদন্ড» « পারুলিয়া ও কুলিয়ায় সমাবেশে অধ্যাপক ডাঃ আ,ফ,ম রুহুল হক এম,পি» « নজরুল ইসলামের নৌকার স্বপক্ষে পথসভা» « ভাঙ্গনের কবলে মুন্সীগঞ্জ বাজার রোড» « মরহুম চেয়ারম্যান মোশাররফের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া» « জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণকালে বিভাগীয় কমিশনার ॥ শিক্ষার্থীরা আগামীতে বিশ্বকে প্রতিনিধিত্ব করবে» « কুয়েটকে বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করতে চাই ॥ কুয়েট ভিসি প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন

গাজায় ফের সহিংসতার আশঙ্কা, ঝরতে পারে আরো প্রাণ

এফএনএস : গাজা-ইসরায়েল সীমান্তে সোমবারের বিক্ষোভ-সংঘর্ষে নিহত ৬০ ফিলিস্তিনির শেষকৃত্য চলার সময়েই সেখানে ফের বড় ধরনের সহিংসতা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার নাকবা বা বিপর্যয় দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনিরা বিক্ষোভের জন্য নতুন করে প্রস্তুত হচ্ছে। ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ৭০ বছর পূর্তি পালনের এ দিনটিই ফিলিস্তিনিদের কাছে নাকবা দিবস, যার অর্থ হচ্ছে, ‘বিপর্যয়ের দিন।’ ৭০ বছর আগের এ দিনে ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ঐতিহাসিক ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই গাজা-ইসরায়েল সীমান্তে ফিলিস্তিনিরা মঙ্গলবার তাদের ‘দ্য গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলনের শেষদিনটি পালন করবে। সোমবারের নিহত ফিলিস্তিনিদের শেষকৃত্য আর নাকবা দিবসের বিক্ষোভ- দু’য়ে মিলে গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠার আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতদিনের তুলনায় মঙ্গলবার গাজা সীমান্ত এলাকায় উত্তাপ কিছুটা কমে এলেও সীমান্তের ওপারে ইসরায়েলি সেনারা নিরস্ত্র ফিলিস্তিন বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে ট্যাঙ্ক নিয়ে প্রস্তুত হয়ে আছে। এব্যপারে বিক্ষোভকারীদের বেশিরভাগকেই নিহতদের শেষকৃত্যে অংশ নিতে গেছে। দাফন শেষের পর বিক্ষোভকারীরা আবারও সীমান্তে জড়ো হতে পারে। সোমবার জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস উদ্বোধনের দিন সীমান্তে তীব্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৬০ ফিলিস্তিনি নিহত হওয়া ছাড়াও আরো ২ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি আহত হয়। ২০১৪ সালের পর গাজায় এটিই ছিল সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন। ইসরায়েলে অবস্থিত নিজ ভূমিতে ফেরত যাওয়ার অধিকারের দাবিতে গত ৩০ মার্চ থেকে গাজা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে ফিলিস্তিনিরা এই আন্দোলন শুরু করে। ওই সময় তারা ১৫ মে পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বিক্ষোভ শুরুর দিনে থেকে এখন পর্যন্ত ১০৪ বিক্ষোভকারী নিহত এবং প্রায় ১১ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক বিশ্ব এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা সীমান্তে ইসরায়েলি সেনাদের এ হত্যাকাণ্ডের বিশেষ করে সোমবারের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য একজন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে এবং ইসরায়েলকে সীমান্তে সংযত থেকে বল প্রয়োগ না করার আহ্বান জানিয়েছে। গাজায় প্রাণহানি নিয়ে জাতিসংঘ থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সীমান্তে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনায় শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) সাধারণ ধর্মঘট ও তিন দিনের শোক পালনের কথা বলেছে। পুরো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড জুড়ে মঙ্গলবার থেকে এ ধর্মঘট ও শোক পালন চলবে বলে জানিয়েছেন পিএলও’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওয়াসেল আবু ইউসেফ।

Share
[related_post themes="flat" id="254292"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com