,
সংবাদ শিরোনাম :
» « একনেকে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইভিএম কেনার প্রকল্প অনুমোদন» « সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় দুঃস্থ পরিবার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঝে টিন বিতরন» « সুলতানপুর উঠান বৈঠকে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরলেন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি» « কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের সংবাদ সম্মেলন ॥ আজ সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় নজরুল সম্মেলন» « সাতক্ষীরায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় সাবেক ডিসি ও ইউএনও সহ তিন জনের কারাদন্ড» « পারুলিয়া ও কুলিয়ায় সমাবেশে অধ্যাপক ডাঃ আ,ফ,ম রুহুল হক এম,পি» « নজরুল ইসলামের নৌকার স্বপক্ষে পথসভা» « ভাঙ্গনের কবলে মুন্সীগঞ্জ বাজার রোড» « মরহুম চেয়ারম্যান মোশাররফের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া» « জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণকালে বিভাগীয় কমিশনার ॥ শিক্ষার্থীরা আগামীতে বিশ্বকে প্রতিনিধিত্ব করবে» « কুয়েটকে বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করতে চাই ॥ কুয়েট ভিসি প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন

সমগ্র দঃ বেদকাশি ইউনিয়নবাসী আতঙ্কিত \ ফাটল ধরেছে নতুন নতুন এলাকা \ কয়রায় জোড়সিং বাজার সহ লঞ্চঘাট নদী গর্ভে

10 Kaira Nodi Vanon

কয়রা প্রতিনিধি ঃ আইলায় ভেঙ্গে যাওয়া হারেস খালীর ৩০০ গজ দুরে জোড়সিং বাজার লঞ্চঘাট শাকবাড়ীয়া নদীতে বিলীন হওয়ায় সমগ্র দঃ বেদকাশি আতঙ্কিত। ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ীবাঁধ ৩ দিন আগে ভাংলেও সরকারি কোন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আজও খোঁজ নেয়নি ক্ষতিগ্রস্ত বেড়ীবাঁধের। রোববার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কবি শামছুর রহমান ও কয়েকজন ইউপি সদস্য ৫০/৬০ জন লোক নিয়ে ডাল-পালা ও ইট বস্তায় ভর্তি করে ইটভর্তি বস্তা ও ডাল-পালায় বেঁধে ভাংন কবলিত নদী গর্ভে ফেলা হচ্ছে। খবর নিয়ে জানা গেছে শুক্রবার সকাল ৭ টায় নদীতে ভাটার সময় জোড়সিং বাজারের ৮ টি দোকান সহ লঞ্চঘাটের পল্টন ও সিড়ি আকস্মিক ভাবে নদী গর্ভে ঢসে পড়ে। ঘটনার কয়েক মিনিটের মধ্যে লঞ্চঘাটের পল্টন নদীর মধ্যে চলে যায় এবং দোকানঘর গুলো নদীতে ভাসতে থাকে। তবে মানুষের কোন ক্ষতি হয়নি বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। উলে­খ্য ২০০৯ সালের ২৫ মে উক্ত জোড়সিং বাজারের ৫০০ গজ পশ্চিমেশাকবাড়ীয়া নদীর বেড়ীবাঁধ ভেঙে ২৪ ঘন্টার মধ্যে হারেস খালী নদীতে পরিণত হয় এবং দীর্ঘ ৩ বছর পর সেখানে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। বর্তমান হারেস খালী থেকে ৩০০ গজ পূর্বে জোড়সিং বাজার লঞ্চঘাট ও একটি স্লুইজ গেট যাহা সম্পূর্ণ এখন নদী গর্ভে। রোববার সকালে ঘটনাস্থলে দেখা যায় বিধ্বস্ত জোড়সিং বাজারের দু’পাশে এবং বেঁড়ীবাঁধের ভিতরে একাধিক স্থানে নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর ধারণা উক্ত ফাটল এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সমগ্র দঃ বেদকাশি ইউনিয়নের ৩২ হাজার জনগণ। ফলে সমগ্র ইউনিয়নবাসী পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই রাতের ঘুমকে হারাম করে আতঙ্কের মধ্যে দিনতিপিাত করতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর মতে ফাটল এলাকা নদী গর্ভে বিধ্বস্ত হলে হারেস খালীর চেয়ে বড় কিছু হতে পারে এই ইউনিয়নে। ঘটনাস্থলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কবি শামছুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি অত্যান্ত দুঃখের সাথে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন গত ৩ দিনে স্থানীয় সাংসদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তার কাছে সাহায্যের জন্য কাকুতি মিনতি করলেও কেউ এগিয়ে আসে নি। যে কারনে তিনি রোববার সকাল থেকে এলাকার কিছু লোকজন এবং তার মেম্বরদের নিয়ে সেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন। তিনি বলেন যে ভাবে নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে তাতে জোড়সিং বাজারে সাইক্লোন সেল্টার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ ২৫/৩০টি বাড়ীঘর যে কোন মহুর্তে নদী গর্ভে বিধ্বস্ত হতে পারে। তিনি আরও বলেন সরকারি এবং উপজেলা পরিষদের ও ওয়াপদা কতৃপক্ষের সহযোগিতা না পেয়ে আল­াহর উপর নির্ভর করে এই বেঁড়ীবাঁধের উপরে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে সর্বক্ষণ পর্যবেক্ষণ করছি। এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করে না পাওয়ায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহসিন রেজার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বাঁধ ভাঙার খবর পেয়েই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা সহ উপজেলা প্রশাসন কে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ করেছেন এবং তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

Share
[related_post themes="flat" id="255196"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com