,
সংবাদ শিরোনাম :

ভষ্মিভূত হলো খোকন মোড়লের বাড়ী

বড়দল প্রতিনিধি: গতকাল আশাশুনি থানার বড়দল ইউনিয়ানের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের, গ্রামীন ফোনের টাওয়ার সংলঘœ খোকন মোড়লের বাড়ী আগুনে পুড়ে ভষ্মিভূত হলো। সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় খোকন মোড়লের বাড়ী মুদি দোকানসহ ভাংড়ী মালের দোকান ছিলো। সন্ধায় বিদ্যুত না থাকায় তার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে ডিজেল ঢালতে যেয়ে ছোট মেয়ের হাতে থাকা ল্যাম্প থেকে একটি ছোট আগুনের ফুলকি ক্রেসিন এ পড়ে সামান্য আগুন বেরহয়, তখন মেয়েটি ভয়ে হাতে থাকা ল্যাম্প পেট্রোলের ড্রামে ফেলে দেয় তখন পেট্রোলে আগুন লেগে যায়। আর মুহুর্তের মধ্যে শুরু হয় মহাঅগ্নিকান্ড। আগুন লেগে যায় মেয়ের গায়ে তার মা মেয়েকে বাঁচাতে যেয়ে মায়ের গায়ে ও আগুন লাগে আগুন বাড়ীর লোকজন ঠিক পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে অনেক কষ্টে, ঘরে থাকা আরও একটি ছেলে (বড়) ছেলে ইসমাইল তার গায়েও আগুন লাগে। তাদের ৩ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুরোদোকানসহ পুড়তে থাকে তার বাড়ী ঘর। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে তার বড়ীরলোকজনসহ বেরহয়ে আসে পুরাএলাকার মানুষ। চেষ্টা করে সবাই যে যার মতো করে আগুন নেভানোর, কিন্তু পেট্রোল, ক্রেসিন, সরিষার তেলে লাগা আগুন এতই ভয়ঙ্কর হয়ে জলতে থাকে যে, নেভানো দুষ্কার হয়ে পড়ে। তখন আনুমানিক সন্ধা ৮.৪৫ থেকে ৯.৫০ মি: পর্যন্ত পুড়তে থাকে। আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস এ ফোনে যোগাযাগ করা হয়। সাতক্ষীরা থেকে ফায়ার সার্ভিস দলটি কিছু দূর পৌঁছালে ১০.১৫ মিনিট পরে এলাকার লোকজনের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। জানা যায় দোকানে আগুন লাগার দিনই সে ৩০০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার ক্রেসিন ঈদে তার দোকানে বেচাকেনা করার জন্য কিনে আনে। তাছাড়া তার মুদি দোকানে থাকা সমস্ত মালামাল, ভাংড়ী মালামাল, বাড়ী থাকা ৭০ মন ধান পুড়ে যায়। আনুমানিক খতির পরিমান ৫ লক্ষ টাকার অধিক। সন্ধা ১০.৩০ মি: পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে চলে আসে।

Share
[related_post themes="flat" id="258003"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com