,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকতে পারে ইন্টারনেট» « সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত» « সাতক্ষীরায় নিয়তি কাঁদছে ভাগ্যের কারাগারে যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত» « নিউজ নেটওয়ার্কের আয়োজনে ২য় দফায় ৫ দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন» « দূর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি এবং বাস্তবতা» « ব্রহ্মরাজপুর বাজারে নৌকার স্বপক্ষে প্রচার ও এমপি রবি’র উন্নয়নের লিফলেট বিতরণ» « কালিগঞ্জ টু বাঁশতলা সড়কটি বেহাল দশা : জরুরী সংস্কারের দাবি» « দুর্গাপুজা শান্তিপুর্ণ করতে আইন শৃংখলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা» « কেরালকাতা ইউনিয়নের ৩টি গ্রামে ৪২৭টি পরিবারে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন» « সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করেন দোলন» « সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ’র মতবিনিময়

আশাশুনির ছাতার কারিগররা ভাল নেই

06 Asasuni Sata

এম এম নুর আলম \ পঞ্জিকার মত অনুযায়ী এখন বর্ষাকাল। এখনও প্রচন্ড ভাবে বর্ষা শুরু না হলেও চলছে রোদ আর বৃষ্টির লুকোচুরি। আর এ সময় দরকার হয় ছাতা ঠিক করা মিস্ত্রীদের। এ সমস্ত মিস্ত্রীরা বছরের সাত আট মাস অলস সময় কাটালেও এ সময় কিছু টা তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। আর বর্ষা মৌসুম এলে ঘরে থাকা ছিড়া ফাঁটা ছাতার সংস্কারের প্রয়োজন পড়ে বিধায় কে কার ছাতা আগে ঠিক করবে এমনও প্রতিযোগিতা বেড়ে যায়। বর্ষাকালে সবচেয়ে প্রয়োজীয় বস্তুটির নাম ছাতা। মুশুল ধারে কিংবা রিমঝিমিয়ে বৃষ্টি আরম্ভ হলে গন্তব্য স্থলের কোথাও আটকা পড়লে ছাতাওয়ালাকে চাচা বা ভাই সম্ভোধন করে একটু নিরাপদ স্থানে যেতে হয়। এখন প্রকৃতির নিয়মে চলছে বর্ষাকাল। আর এ সমটার প্রকৃতির মূল উপাদান বৃষ্টি। আর এ বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে বা ঘরের বাইরে চলাচল করার জন্য প্রধান সঙ্গী ছাতা। ফলে কেউবা কিনছেন নতুন ছাতা আবার কেউবা ঠিক করছে পুরানো ছাতা। বর্তমানে গ্রাম গঞ্জে এখন ছাতা সেলাই করা বা মেরামত করা করিগরদের দেখা মেলা ভার। যদিও বা যে কয়জন আছে এ সময়টায় তাদের কাজের চাপ একটু বেশী থাকে। ছাতার মালিকদের প্রতিযোগিতা শুরু হয় কে আগে ছাতা সেলাই কিংবা যন্ত্রাংশের মেরামত করে নেবে। আশাশুনি উপজেলার ছোট বড় হাট বাজারে ছাতা মেরামতের কারিগরের দেখা মেলে। এ সমস্ত কারিগররা স্থায়ী দোকানদারদের সামনে বসে কাজ করেন এবং কাজশেষ করে ঘরে ফিরেন। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ ছাতার কারিগর হিসাবে ও এখন গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে ছাতা মেরামত করে চলেছেন। ছাতা বর্ষায় বৃষ্টিতে যেমন মানুষ ছাতা ব্যবহার করেন তেমনি গ্রীষ্মের প্রখর রোদেও অনেকে ব্যবহার করেন। প্রখর রোদে ও বৃষ্টির ধারা থেকে মুক্তির এ ছোট প্রিয় বস্তুর প্রযোজন কত তা মৌসুমেই বলে দেয়। আগে কাঠের হাতলের ছাতা থাকলেও বর্তমানে ছাতার হাতলও কাপড়ে এসেছে বৈচিত্র। ছোট সাইজের ছাতা,স্ক’ল ব্যাগ,ভ্যানেটি ব্যাগ কিংবা প্যান্টের পকেটের রাখা যায়। যত বৈচিত্রময় ছাতা হউক ছাতা উল্টে গেলে,কাপড় ছিড়লে বা সেলাই খুললে ছাতার কারিগর ছাড়া উপায় নেই। বর্ষাকালে ছাতার ব্যবহার বাড়ে তেমনি কারিগরদের কাজের রেট ও বাড়ে। আশাশুনির বুধহাটা বাজারে ছাতার কারিগর রবীনদাস জানান, প্রতিটি জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। ছাতার কাপড়.ছাতার ষ্প্রিং সহ প্রভৃতি কিনতে হচ্ছে চড়াদামে। সারা বছর বসে থাকতে হয়। এ সময়টা কিছুটা কাজ হলেও সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। ভ্রাম্যমান ছাতার কারিগর রহমত আলী জানান, সারা বছরই বসে থাকতে হয়, বর্ষা আসলে একটু কাজের চাপ বাড়ে। গড়ে প্রতিদিন ৩০০/৪০০ টাকা রোজগার হলেও খরচ খরচা বাদে সংসার চালানো বড়ই কঠিন। বুধহাটা বাজারে চম্পা ষ্টোরে ছাতা কিনতে আসা রেজওয়ানা বন্যা বলেন, বর্ষাকালের আচারন টা একটু ভিন্ন রকম। এই প্রচন্ড রোদ, এই বৃষ্টি। রোদ বৃষ্টি যাই হোক বর্ষাকালে ছাতাই মানুষের প্রিয় সঙ্গী। বাজারে ছাতার দাম চড়া হলেও বৃষ্টি কিংবা রোদে রক্ষা পেতে ছাতা কিনতে কার্পণ্য করছেন না ক্রেতারা।

Share
[related_post themes="flat" id="261654"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com