,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকতে পারে ইন্টারনেট» « সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত» « সাতক্ষীরায় নিয়তি কাঁদছে ভাগ্যের কারাগারে যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত» « নিউজ নেটওয়ার্কের আয়োজনে ২য় দফায় ৫ দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন» « দূর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি এবং বাস্তবতা» « ব্রহ্মরাজপুর বাজারে নৌকার স্বপক্ষে প্রচার ও এমপি রবি’র উন্নয়নের লিফলেট বিতরণ» « কালিগঞ্জ টু বাঁশতলা সড়কটি বেহাল দশা : জরুরী সংস্কারের দাবি» « দুর্গাপুজা শান্তিপুর্ণ করতে আইন শৃংখলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা» « কেরালকাতা ইউনিয়নের ৩টি গ্রামে ৪২৭টি পরিবারে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন» « সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করেন দোলন» « সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ’র মতবিনিময়

ন্যায়বিচার পাননি, দাবি বাবরের

এফএনএস: ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে মৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত সেই সময়ের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর দাবি করেছেন তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এর আগে চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায়ও মৃত্যুদন্ডাদেশ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনার ১৪ বছর পর গতকাল বুধবার দুপুরে বর্বরোচিত ও নৃশংস এই হামলার রায় দেন রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত। গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়েছেন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন। ৪৯ আসামির মধ্যে বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। রায় শেষে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলার সময় চিৎকার করে গণমাধ্যমের কর্মীদের উদ্দেশে সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কথা বলেন। এ সময় লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, আমাকে কারাগারে নেওয়ার পর এ ঘটনায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে জড়িয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি তাতে রাজি না হওয়ায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। ‘আমি মনে করি, তাঁরা (আদালত) আমার প্রতি ন্যায়বিচার করেননি। তাদের বিচার আল্লাহ করবেন, যোগ করেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দলটির সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই নৃশংস হামলায় ২৪ জন নিহত ও নেতাকর্মী-আইনজীবী-সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক লোক আহত হয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানও। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতা এই গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে যান। এতে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচন্ড শব্দে তাঁর শ্রবণশক্তিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

Share
[related_post themes="flat" id="273702"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com