,
সংবাদ শিরোনাম :

ঘের মালিকরা চরম দূর্ভোগে ॥ প্রয়োজন সরকারি পৃষ্টপোষকতা

দক্ষিন শ্রীপুর (কালিগঞ্জ) প্রতিনধি ॥ কথায় আছে বাঙ্গালীরা “মাছে ভাতে বাঙ্গালী”। মাছ বাঙ্গালীদের প্রিয় খাদ্য। কিন্তু মাছ উৎপাদনের হ্রাস পাওয়ায় জনসাধারন সহ মৎস্য ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চল সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা এলকায় মৎস্য ব্যবসায়ী ও চাষীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে। প্রয়োজন সরকারের যথাযথ পৃষ্টপোষকতা। প্রাপ্ত তথ্যে জানাগেছে, উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন সহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়ানের ঘের মালিকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। বাগদা চিংড়ি চাষে ভাইরাস ও লোকশানের কারনে সংশ্লীষ্টরা পরিবার পরিজন নিয়ে সমস্যায় দিনাতিপাত করছে। দক্ষিণ শ্রীপুরের ঐতিহ্যবাহি বাঁশতলা মৎস্য সেটে গিয়ে দেখাগেছে, বিগত বছরের তুলনায় এ চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত মাছ উৎপাদন কম। ফলে ঘের মালিকদের মুখে লোকশনের ছোয়া। ঘের মালিকরা বলেন,মৎস্য ঘেরে সব সময় ভাইরাস রোগ আক্রমন লেগেই আছে।মাছ উৎপাদনের নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।আরো বলেন, সঠিক ভাবে মাছ বেশি উৎপাদন করতে না পারলে তাদের পরিবারের ভরণপোষনেরও হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে বাঁশতলা মৎস্য সেটের সভাপতি ইফতেখারুল ইসলাম সুমন বলেন, আগের তুলনায় মাছ উৎপাদন কম হওয়ায় মৎস্য সেটের ব্যবসায়ীরা দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। মাছ উৎপাদন কমে যাওয়ায় তা বাহিরে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, মাছ উৎপাদনের সময় মাছে বিভিন্ন রোগে আক্রমন করছে। তাছাড়া পানি ও খাদ্যে অন্যান্য সমস্যার জন্যে মাছ উৎপাদন হ্রাস লক্ষ্যনীয় প্রভাব ফেলছে। সূত্রে জানা যায়, বাঁশতলা মৎস্য সেট হতে বিগত বছরে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ্য টাকার গলদা ও বাগদা চিংড়ি যা বাংলায় সাদা সোনা নামে খ্যাত বিদেশে যাওয়ার গৌন্তব্যে রপ্তানি করা হতো। এমত অবস্থায় উদ্ধোর্তন মৎস্য অফিসার সহ উপজেলা মৎস্য অফিসারের সুদৃষ্টি কামনা করছে ঘের মালিকরা।

Share
[related_post themes="flat" id="273732"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com