,
সংবাদ শিরোনাম :
» « কোটি কোটি ফেইসবুক পাসওয়ার্ড ঝুঁকিতে» « সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে ॥ নির্বাচনি পথ সভায় জেলা আ’লীগ সভাপতি মুনসুর আহমেদ» « পৌর সভায় রাস্তার কারপেটিং কাজের উদ্বোধন» « সাতক্ষীরার আ’লীগ নেতা পিস্তল সহ বিমানবন্দরে আটক» « বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন কার্টার মাস্টার মোস্তাফিজ» « ‘প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ছাড়া বাড়ি ফিরব না’ নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা» « নারী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ» « শার্শা সীমান্তে ৭টি সোনার বার সহ আটক ২» « মহিলাদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও উপকরণ বিতরণ» « অগ্নিঝরা মার্চ» « সাতক্ষীরা শহরে যানজট এবং কথিত যানবাহনের উপস্থিতি

অন্ডকোষের সমস্যা

এফএনএস স্বাস্থ্য: টেস্টিস হচ্ছে পুরুষ প্রজনন অঙ্গ। এখাানে স্পাম বা শুক্রাণু তৈরি হয় এবং এই স্পামর্ বা শুক্রাণুর সঙ্গে মেয়েদের ডিম্বাণুর মিলনের ফলে সন্তানের জন্ম হয়। এই টেস্টিসের সংখ্যা দুটি। এর জন্ম পেটের ভেতর। টেস্টিসদ্বয় শিশুর মায়ের পেটে বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নিপের দিকে নামতে থাকে এবং সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূবের্ই অন্ডকোষ (স্ক্রটাম) থলিতে অবস্থান নেয়। টেস্টিস বা অন্ডকোষের কী কী অসুখ হতে পারে : ১। টেস্টিস সঠিক স্থানে না আসা, টেস্টিস অন্ডকোষ থলিতে না এসে পেটে বা অন্য কোনো স্থানে নামার সময় আটকে যেতে পারে। এই ধরনের অসুখের ফলে টেস্টিসের বৃদ্ধির ব্যাঘাত ঘটে এবং প্রজনন ক্ষতা নষ্ট হয়ে যায়। আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সবোর্পরি টেস্টিসের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অতএব, পিতামাতার উচিত এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা এবং অতিসত্বর সাজের্নর শরণাপন্ন হওয়া। কারণ সময়মতো চিকিৎসা করলে টেস্টিসের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে ও ক্যান্সার হওয়া রোধ হয়। চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে টেস্টিসের অবস্থান নিণর্য় করা অথার্ৎ টেস্টিস কোথায় আছে তা নিরূপণ করা এবং সঠিক স্থানে নামিয়ে আনাই হচ্ছে এর আসল চিকিৎসা। ২। টেস্টিসের জন্মের পর যদি সঠিক জায়গায় না থাকে ওই টেস্টিসের টিউমার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। এ ছাড়াও বিভিন্ন কারণে টেস্টিসের টিউমার হতে পারে। টেস্টিসের টিউমার হলেই টেস্টিস হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বড় হতে থাকে। বেশির ভাগ সময়ই কোনো ব্যথা হয় না। টেস্টিসের টিউমার সাধারণত ক্যান্সার হয়ে থাকে। সময়মতো চিকিৎসা না করলে অতি দ্রুত বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং মৃত্যু অনিবাযর্। ৩। হাইড্রোসিল টেস্টিসের দুটি আবরণ থাকে। যদি এই দুই আবরণের মানে জমে তাকে হাইড্রোসিল বলে। বিভিন্ন কারণে টেস্টিসে পানি জমতে পারে। যেমন- (ক) জন্মগত কারণ, (খ) ইনফেকশন (গ) গোদরোগ/ ফাইলেরিয়াসিস (ঘ) টিউমার বা ক্যান্সার ইত্যাদি। হাইড্রোসিল হলে কী জটিলতা হতে পারে: (ক) অনেক বড় হয়ে চলাফেরায় অসুবিধা হতে পারে। (খ) দৈহিক মিলনের প্রতিবন্ধতার সৃষ্টি করতে। (গ) ক্যান্সারের কারণে হাইড্রোসিল হলে জীবননাশের সম্ভাবনা থাকে। অতএব, সঠিক চিকিৎসার জন্য সাজর্নকে দেখান। ৮। টেস্টিকুলার টরসন : ৫ বছর থেকে ৩০ বছর বয়স পযর্ন্ত টেস্টিসের এই অসুখ হয়। এই রোগে টেস্টিস প্যাঁচ খেয়ে যায়। ফলে এর রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায় এবং টেস্টিসের কাযর্ক্ষমতা হারিয়ে জড়বস্তুতে পরিণত হয়। এই রোগে টেস্টিসের হঠাৎ প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হয়। দ্রুত এই রোগ নিণর্য় ও চিকিৎসা অতীব জরুরি। তা না হলে টেস্টিস গ্যাংগিন হয়ে যায়Ñ ৫। অরকাইটস বা টেস্টিসের প্রদাহ: ১৪ থেকে ২২ বছর বয়সে এই অসুখ বেশি হয় এতে টেস্টিসের ইনফেকশন হয় এবং প্রচুর ব্যথা ও টেস্টিস ফুলে যায়। রোগীর জ¦র ও প্র¯্রাবের জ¦ালা-পোড়া হয়। এই রোগের অন্যতম কারণ অবৈধ যৌন সংগম। সঠিক সময় চিকিৎসা না করলে টেস্টিসের কাযর্দক্ষতা নষ্ট হয়ে যায়। ভেরি কোসিল টেস্টিসের রক্তনালির অস্বাভাবিক স্ফীত ও বৃদ্ধির ফলে এই অসুখ হয়। হাঁটা-চলা করলে বা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে টেস্টিসের উপরের রগ ফুলে উঠে এবং শুয়ে থাকলে আবার মিলিয়ে যায়। সেই সঙ্গে ব্যথাও অনুভব হয়। এ রোগ হলে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। তাছাড়া আরো অনেক অসুখ যেমন স্পামোর্টামমিল ও ইপিডিডাইমাল সিস্ট/ টিবি ইত্যাদি অসুখ ও টেস্টিস হতে পারে। অতএব, টেস্টিসের যে কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা দিলেই জরুরভিত্তিতে সাজের্নর শরণাপন্ন হওয়া আবশ্যক।

Share
[related_post themes="flat" id="276729"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com