,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ভোটের নতুন তারিখ ৩০ ডিসেম্বর» « আটুলিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতুর বেহাল দশা, দেখার যেন কেউ নেই» « তাড়দ্দাহ খালের সেতু ভেঙে চলাচলে ঝুঁকিপূর্ন ॥ জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের দাবী গ্রামবাসিদের» « আশাশুনির শ্রীধরপুর টু খরিয়াটি সড়কের বেহাল দশা» « সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন হিসাবে ডাঃ রফিকুল ইসলামের যোগদান» « আলীপুর ৪ দলীয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন» « শ্যামনগরে এক মিস্ত্রী গুরুত্বর আহত» « খুলনা বিভাগের সেরা করদাতাদের সম্মাননা» « ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে পেছানোর সুযোগ নেই -সিইসি» « খালেদার জন্য ৩টি ফরম সংগ্রহ করে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু» « অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের দ্বিতীয় দফা সংলাপ

FNS_07_11_18_N_07

এফএনএস: নির্বাচন সামনে রেখে ‘অসম্পূর্ণ আলোচনা সম্পূর্ণ’ করতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার পর গণভবনের ব্যাংকোয়েট হলে শুরু হওয়া এই সংলাপে দুই পক্ষেই ১১ জন করে অংশ নেন। ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ১ নভেম্বর ঐক্যফ্রন্টের ২০ জনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও শরিকদের ২৩ নেতার সাড়ে তিন ঘণ্টার সংলাপে সাত দফা দাবির বিষয়ে সমাধান না আসায় ‘সীমিত’ পরিসরে এই দ্বিতীয় দফার সংলাপ। খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ ভেঙে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, নির্বাচন কমিশন ভেঙে দেওয়া এবং ইভিএম ব্যবহার না করার দাবিও রয়েছে ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার মধ্যে। সংলাপে অংশ নিতে গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মো. মনসুর আহমেদকে নিয়ে কামাল হোসেন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবনে পৌঁছান। আর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মওদুদ আহমদ ৭ নভেম্বর উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে গণভবনে আসেন। জেএসডির আসম আবদুর রব, আবদুল মালেক রতন, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না ও এস এম আকরামও ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলে। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা গণভবনে ঢুকে লবি হয়ে ব্যাংকোয়েট হলে নির্ধারিত আসনে বসেন। বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যাংকোয়েট হলে প্রবেশ করলে শুরু হয় রুদ্ধদ্বার আলোচনা। সংলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দলে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মোহাম্মদ নাসিম, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আনিসুল হক, দীপু মনি ও শ ম রেজাউল করিম। এ ছাড়া শরিকদের মধ্যে ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। কামাল হোসেন জোটের সাত দফা দাবি তুলে ধরে সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে ‘সংবিধানসম্মত বিষয়ে’ আলোচনার জন্য ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের গণভবনে আমন্ত্রণ জানান। কিন্ত গত ১ নভেম্বর গণভবনে বহু আলোচিত সেই সংলাপ শেষে গণফোরাম সভাপতি কামাল বলেন, এ আলোচনায় বিশেষ কোনো সমাধান তারা পাননি। আর জোটের সবচেয়ে বড় দল বিএনপির ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনায় তারা সন্তুষ্ট নন। এরপর গত ৪ নভেম্বর আবার সংলাপ চেয়ে কামালের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হলে গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় ‘ছোট আকারে’ সংলাপের সময় দেওয়া হয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। গত মঙ্গলবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্যফ্রন্টের জনসভা থেকে মির্জা ফখরুল ঘোষণা দেন, সংলাপে তাদের দাবি পূরণ না হলে ৮ নভেম্বর (আজ বৃহস্পতিবার) রাজশাহী অভিমুখে রোড মার্চ করবেন তারা। রাজশাহীতে ৯ নভেম্বর ঐক্যফ্রন্টের জনসভা হবে। আর সমঝোতার আগেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দেন ঐক্যফ্রন্টের সবচেয়ে বড় দল বিএনপির এই নেতা। অন্যদিকে ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে প্রথম দফা সংলাপের পর অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও আলোচনায় বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট প্রস্তাব নাকচ: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দ্বিতীয় দফা সংলাপে বসে ঐক্যফ্রন্টের বেশ কিছু প্রস্তাবে একমত হতে পারেনি সরকার। নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের প্রস্তাব আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে। গতকাল বুধবার গণভবনে সংলাপে বসে ঐক্যফ্রন্ট তাদের নির্বাচনকালীন প্রস্তাবিত সরকারে একজন প্রধান উপদেষ্টা ও ১০ জন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রাখার প্রস্তাব দেয়। এ সময় লিখিত ওই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেয় সরকার। পরে বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসেও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টির সত্যতা জানান। তিনি বলেন, তাঁরা (ঐক্যফ্রন্ট) বলেছেন, একজন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ১০ জন উপদেষ্টা। এটা তো পরবর্তী ৯০ দিন। এটা মেনে নেওয়া কোনো কারণ নেই.. সংবিধানসম্মত..। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনে প্লেয়িং লেভেল ফিল্ড, সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করা, প্রকৃত রাজবন্দিদের মুক্তির বিষয়টি সরকারের পক্ষ থেকে মেনে নেওয়া হয়েছে। তবে সংলাপ শেষে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা গণভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ পর্যন্ত হলো প্রায় তিন ঘণ্টা। এই সংলাপ দ্বিতীয় দফা সংলাপ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে। ঐক্যফ্রন্টের দলনেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে তাঁরা এসেছেন এবং আলোচনা হয়েছে। তাঁরাও মন খুলে আলোচনা করেছেন, আমরাও করেছি। তবে আজকে তাঁরা যে দাবিগুলো নিয়ে এসেছেন, আজকে তাঁদের যে ইমিডিয়েট মানে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তাঁরা কিছু বিষয়ে নিশ্চয়তা চান বা কিছু বিষয়ে ঐকমত্য চান। এর মধ্যে মূল কথা হচ্ছে, তাঁরা আসলে সংবিধানেৃ সংবিধানসম্মতভাবে ২৮ জানুয়ারি থেকে এদিকে যে ৯০ দিন, সংসদ যেদিন বসছে, যে সংসদ বিদায়ী সংসদ, সেদিন থেকে যে সংসদ পাঁচ বছরৃ এর আগের তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবেÑএটা হচ্ছে সংবিধান। কিন্তু তাঁরা চাইছেন যে, সংসদ ভেঙে দিয়ে পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার জন্য। এটা হচ্ছে মূল কথা। এ ছাড়া লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, বিদেশি পর্যবেক্ষক, তারপরে রাজবন্দিদের মুক্তি এসব বিষয়ে আমাদের নেত্রী, আমাদের দলনেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনি বলেছেন যে, এসব দাবি মেনে নিতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তফসিল ঘোষণার পর এগুলো নির্বাচন কমিশনই করবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ব্যাপারেও আমরা সম্মত। আমাদের মন্ত্রীরা নিজের এলাকায়ৃ পতাকা ব্যবহার করবেন না, জাতীয় পতাকা, সরকারি সুযোগ-সুবিধা নেবেন না, সার্কিট হাউস ব্যবহার করবেন না, সরকারি গাড়ি ব্যবহার করবেন না, কোনো প্রকার সরকারি ফেসিলিটিজ আমরা এনজয় করব না। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, এমপিদেরও কোনো ক্ষমতা থাকবে না। তাঁরাও সেই অন্যান্য.. যদি ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থিতা দেয় তাদের প্রার্থীরা বা অন্য প্রার্থীরা যে সুযোগ-সুবিধা পাবেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা বা মহাজোটের প্রার্থীরা একই সুবিধা এনজয় করবেন। এর অতিরিক্ত কিছু হবে না এবং ইলেকশন কমিশন বিষয়টি দেখবে। সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে, সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার নিয়ে। তাঁরা যে কথা বলেছেন, এটা আমাদের দেশে হয় না, পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশেই এ ধরনের নিয়ম চালু নেই। তবে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে টাস্কফোর্স হিসেবে। তারা যেখানেই প্রয়োজন, ইন এইড লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সহায়তা তারা যখনই যেখানে চাইবে, সেখানে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী নিয়োজিত থাকবে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, এখন তাঁরা যে আজকে সাত দফা দিয়েছেন, সাত দফার কিন্তু বেশিরভাগই মেনে নিতে আমাদের নেত্রী দলনেতা শেখ হাসিনা সম্মত হয়েছেন। কিন্তু তাঁরা আজকে এমন কিছু বিষয় নিয়ে এসেছেন যে, এটাকে (নির্বাচন) পরবর্তী ৯০ দিনে নিয়ে যাওয়ার জন্য, এটার মধ্যে আমরা.. হয়তো তাঁদের অনেকেরই সদিচ্ছা আছে, কিন্তু এটা আসলে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া, পিছিয়ে দেওয়ার একটা বাহানা এবং এই পিছিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে ফাঁকফোকর হয়তো দেওয়া হচ্ছে, খুলে দেওয়া হচ্ছে যেখান দিয়ে অপশক্তি, তৃতীয় কোনো অপশক্তি এসে যেই ১/১১-এর মতো, সেই ঘটনার আমাদের ইতিহাসের সেই অনভিপ্রেত অস্বাভাবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে। আমরা সেটাই মনে করছি। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে সংলাপে কী ধরনের আলোচনা হয়েছেÑজানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে তাঁরা আসলে জামিন চাইছেন, খালেদা জিয়ার জামিন চেয়েছেন। তাঁরা মুক্তি ওইভাবে চাননি আর আপনারা (সাংবাদিকদের উদ্দেশে) প্যারোল বানিয়েছেন, তাঁরা কিন্তু প্যারোল বলেননি। আমরা বলেছি যে, এই মামলাটি যারা করেছে তারা, সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই মামলা করেছে। ২০০৭ সালের মামলা এবং এটা দেখতে দেখতে ১১ বছর পার হয়ে গেছে। তো, এই মামলাটা আগেই নিষ্পত্তি করা যেত। কিন্তু তাঁরা এ ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন না বা তাঁরা এই ব্যাপারে সিরিয়াস ছিলেন না, যে কারণে এ মামলা প্রলম্বিত হয়েছে এবং এখন আদালত তাঁকে দন্ড দিয়েছেন। আদালতে তাঁরা আইনি লড়াইয়ে (লিগ্যাল ব্যাটলে) যেতে পারেন। তাঁরা জামিন চাইতে পারেন আদালতের কাছে। আদালত যদি তাঁকে জামিনে মুক্তি দেন, আমাদের কোনো আপত্তি নেই। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের নেত্রী তাঁর বক্তব্যে পরিষ্কার তাঁদের অনুরোধ করেছেন যে আপনারা আসেন, আমি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করে দেখিয়ে দেব, আমি যা বলেছি সেটাই সত্য। আমি আমার দেশের জনগণের সঙ্গে প্রতারণামূলক কোনো অভিসন্ধি নিয়ে কাজ করি না। জনগণ যদি আমাকে ভোট দেয় আমরা থাকব, আপনারা জিতলে আপনারা জিতবেন। এখানে নির্বাচনে কোনো প্রকার কারচুপি, জালিয়াতি কোনো কিছুই হবে না। একটা ভালো নির্বাচন হবে, ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন হবে, ক্রেডিবল ইলেকশন হবে, অ্যাকসেপটেবল ইলেকশন হবে। এবং বিদেশি পর্যবেক্ষক যেকোনো বুথে যেতে পারেন, যেকোনো নির্বাচন কেন্দ্রে যেতে পারেন। এবং তাঁদের অবাধ, তাঁরা যেভাবেই চান সেভাবেই নির্বাচন কমিশন অ্যালাও করলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। নির্বাচন নিয়ে আর আলোচনা হবে কি না জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, না, এ রকম কোনো আলোচনার আর সুযোগ নেই। এ সময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলোচনা ‘ইতিবাচক হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, আগামীকাল (আজ বৃহস্পতিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে এই কয়দিনে সংলাপে যে বক্তব্যগুলো এসেছে, এগুলো নিয়ে তিনি আমাদের অবস্থান, আমাদের বক্তব্য এবং সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন। ঐক্যফ্রন্টের কর্মসূচির ব্যাপারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, কঠোর কর্মসূচি..তাঁরা পদযাত্রা করবেন, রোডমার্চ করবেন, এগুলো তো গণতান্ত্রিক কর্মসূচি, এগুলোকে তো আমরা অগণতান্ত্রিক ভাবি না। কিন্তু ওই যে রোডমার্চ করতে গিয়ে আবার যদি বোমাবাজি করে, জ¦ালাও-পোড়াও শুরু করে সেই পরিস্থিতিতে আমরা তো চুপ থাকব না।

Share
[related_post themes="flat" id="277016"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com