,
সংবাদ শিরোনাম :
» « জাল নোট কারবারিদের নিয়ন্ত্রণে নানা উদ্যোগ» « সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে পাইকারি লিছুর হাট : রাতেই ব্যবসায়ীদের শহরে আগমন» « সাতক্ষীরায় সরকারী কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তির সম্মানে এমপি রবির ইফতার মাহফিল» « দেবহাটায় তথ্য অধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত» « খুলনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে অস্ত্র, গুলি মাদক সহ দুই আসামী আটক» « মুক্তিযোদ্ধা আলেম ওলামা ও এতিমদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার» « মধুমাস জ্যৈষ্ঠ এবং বাস্তবতা» « বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো মসজিদ ॥ গ্রেট মস্ক অব আলেপ্পো (সিরিয়া ৭১৫ সাল)» « কার দখলে দিল্লি? মোদী, রাহুল না অন্য কেউ?» « কলারোয়ায় ছাত্রলীগ নেতার আঙুল কেটে নেওয়ায় ঘটনায় থানায় মামলা ॥ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত» « নুরনগরে দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ

আজ ৬ই ডিসেম্বর যশোর মুক্ত দিবস

যশোর প্রতিনিধি: আজ ৬ ডিসেম্বর যশোর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশের প্রথম যশোর মুক্ত হয়েছির। যশোরের আকাশে স্বাধীনতার সূর্য ওঠে। যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে সকালে বিজয় শোভাযাত্রা বের করা হবে। ১৯৭১ সালে যশোর ক্যান্টনমেন্ট ছিল পাকিস্তানিদের অন্যতম সুরক্ষিত দুর্গ। এ দুর্গ রক্ষার জন্য পাকিস্তানিরা বিভিন্ন রণকৌশল গ্রহণ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেনি। অস্ত্র, গোলা-বারুদ,ভাত-রুটি, পোশাক-আশাক সব ফেলে রেখে ভীরু কাপুরুষের মতো যশোর ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা। একাত্তরের নভেম্বরেই পাকিস্তানিদের পালানোর পথ তৈরিতে আটঘাট বেঁধে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মিত্রবাহিনী আর বীর মুক্তিকামী যোদ্ধারা। ৩ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনী ক্যান্টনমেন্ট দুর্গের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। চূড়ান্ত আক্রমণের লক্ষ্যে ক্যান্টনমেন্টকে টার্গেট করে পরিকল্পনা গ্রহণ করে।কিন্তু ৬ ডিসেম্বর বিকেলে হানাদার বাহিনী যশোর ক্যান্টনমেন্টের ব্রিগেড সদর দপ্তর ছেড়ে দুই ভাগে ভাগ হয়ে ঢাকা ও খুলনার দিকে পালিয়ে যায়। পরের দিন সকালে মিত্রবাহিনী কোনো রকম প্রতিরোধ ছাড়াই যশোর শহরে প্রবেশ করে। ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে দেখা যায়,পাকিস্তানের একজন সেনাও নেই। সেদিন স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তৎকালীন বৃহত্তর যশোর জেলা মুজিব বাহিনীর সহ-অধিনায়ক রবিউল আলম বলেন,চৌগাছার বড় যুদ্ধের পর নাস্তানুবুদ হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার। ৬ডিসেম্বর রাতেই যশোর সেনানিবাস ত্যাগ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পালিয়ে যায়। ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি তার ৫/৬ জন মুক্তিবাহিনী সঙ্গী নিয়ে বিনা বাধায় যশোর শহরে প্রবেশ করেন। ৭ডিসেম্বর সকালে মুক্তি ও মিত্র বাহিনীর পক্ষে ক্যাপ্টেন হুদা তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে যশোর ক্যান্টনমেন্টে ঢোকেন। সেখানে পরিত্যক্ত ট্যাংকে চড়েই জয় বাংলা শ্লোগন দিতে দিতে মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা শহরে প্রবেশ করেন। এ সংবাদে বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত মুক্তিকামী মানুষ দড়াটানা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে কালেক্টরেট চত্বরে ঈদগাহ ময়দানসহ বিভিন্ন স্থানে সমবেত হয়। এ সময় কালেক্টরেট ভবনে আনুষ্ঠানিক ভাবে মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়। দেশের প্রথম শত্র“সেনামুক্ত জেলা শহর যশোরের প্রাণকেন্দ্র টাউন হল মাঠে বাংলাদেশ সরকারের প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয় ১১ ডিসেম্বর। দিনটি উপলক্ষে যশোর জেলা প্রশাসনের সাথে বিবিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠর নানা কর্মসূচীর আয়োজন করেছে।

Share
[related_post themes="flat" id="280479"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com