,
সংবাদ শিরোনাম :

মুক্তিযুদ্ধে সাতক্ষীরা ঃ মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব ॥ আজ (ছয় ডিসেম্বর) দেবহাটা হতে খান সেনারা পালিয়ে যায়

muktijoda

পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ক্রমেই পিছু হটতে শুরু করেছে বীর বাঙ্গালী মুক্তিযোদ্ধাদের অপ্রতিরোধ্য প্রতিরোধে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা হতে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা নিজেদেরকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেছে। নয় নম্বর সেক্টরের প্রতিষ্ঠাতা সাব সেক্টর কমান্ডার মরহুম ক্যাপ্টেন সাহাজান মাষ্টারের নেতৃত্বে দেবহাটার বিভিন্ন এলাকা হতে শত শত মুক্তিপাগল যুবক, ছাত্র মূক্তিবাহিনীতে, মুক্তিযোদ্ধায় নাম লেখাতে থাকেন। ছয় ডিসেম্বর দেবহাটা উপজেলা তৎকালীন সময়ে দেবহাটা যাত্রা পাকিস্তানী বাহিনী তথা খান সেনা মুক্ত হয়। দেবহাটা থানায় লাল সবুজের পতাকা পত পত করে উড়তে থাকে। দেবহাটার পুষ্পকাটিতে সুবিশাল ইটপাথরের সুরক্ষিত ব্যাংকর হতে পাক হানাদার বাহিনী পালিয়ে যায়, তারা সাতক্ষীরা শহরে যেয়ে অবস্থান নিলেও বাঙ্গালীদের তথা মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমনের ভয়েভীতু সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। ছয় ডিসেম্বরের আগেই টাউনশ্রীপুর দেবহাটা, খানজিয়া, বসন্তপুর, পারুলিয়া, ভাতশালা, সখিপুর কুলিয়ার, বেড়েডাঙ্গা প্রভৃতি এলাকা খানসেনা এবং তাদের দোসর রাজাকার মুক্ত হলেও পুষ্পকাটিতে তাদের শক্তিশালী অবস্থান ছিল, ছয় ডিসেম্বর পুষ্পকাটির সর্বশেষ ঘাটের ছন্দপতন ঘটে। পশ্চিম বাংলার টাকিতে গড়ে ওঠা নয় নম্বর সেক্টরের আওতায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষন দেওয়া হতো দেবহাটার টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্যাপ্টেন সাহাজাহান মাষ্টারের মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়। দেবহাটা হতে খান সেনাদের পালিয়ে যাওয়ার খবরে দেবহাটা সহ আশপাশের এলাকায় আনন্দস্রোত প্রবাহীত হয় এবং সহসাই দেশ স্বাধীন হবে এমন আশা সঞ্চার হতে থাকে।

Share
[related_post themes="flat" id="280559"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com