,
সংবাদ শিরোনাম :
» « দুর্গম এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ» « সাতক্ষীরা ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের স্বাস্থ্য সেবায় এগিয়ে চলা এবং অত্যাধুনিক মেশিনের উপস্থিতি (এক)» « সাতক্ষীরার ফিংড়ী কুঁচে চাষ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি রবি» « জোড়া সেঞ্চুরিতে সেমির আগে ভারতের বড় জয়» « তেলবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ প্রভাষিকা নিহত: আহত-১, গ্রেফতার-২» « শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের পৌর আট নং ওয়ার্ড কমিটি গঠন» « কাকবাসিয়ায় খেয়াঘাট না থাকায় পারাপারে ভোগান্তি» « চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী» « যশোর র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ২২৮ পিচ ইয়াবা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক» « সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ আইডিজি এর জন্য মনোনীত» « বাজার ব্যবস্থা অস্থিতিশীল এবং মসলা বাজারে আগুন

স্বল্প ব্যয়ে শিশুদের হৃদরোগের চিকিৎসা সেবায় অ্যাপোলো

এফএনএস স্বাস্থ্য: স্বল্প ব্যয়ে শিশুদের হৃদরোগের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুবিধা দিচ্ছে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতাল। বৃহস্পতিবার ‘পেশেন্ট ফোরাম ফর পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্ট’ শিরোনামে হৃদরোগ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করে অ্যাপোলো হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিভাগ। অনুষ্ঠানে এই হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলেন, হৃৎপিন্ডের নিলয়ের ছিদ্র (এট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট – এএসডি বা ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট-ভিএসডি) ও জন্মগত বাড়তি নালি (প্যাটেন্ট ডাক্টাস আর্টারিওসাস – পিডিএ) চিকিৎসায় অনেক কম খরচে অস্ত্রোপচারবিহীন চিকিৎসা (নন-সার্জিক্যাল কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশন) সেবা দিচ্ছে অ্যাপোলোর শিশু হৃদরোগ বিভাগ। বাংলাদেশে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নিয়ে সরকারি-বেসরকারিভাবে পরিসংখ্যান পাওয়া না গেলেও বিশ্বে প্রতি হাজার শিশুতে অন্তত ছয় জন হৃৎযন্ত্রের ত্র“টি নিয়ে জন্মায়। ক্লিনিকাল ও ইন্টারভেনশনাল পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলোজিস্ট ডা. তাহেরা নাজনীন বলেন, শিশুদের হৃদরোগগুলি নিরাময়যোগ্য এবং প্রতিরোধযোগ্য। “হৃদযন্ত্রে অস্বাভাবিক ছিদ্র সময়মত শনাক্ত করে চিকিৎসা নেওয়া হলে শিশুর স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত হতে পারে। এই ধরনের ছিদ্র যন্ত্র দিয়ে বন্ধ করা যেতে পারে। এ ধরনের চিকিৎসায় রোগীকে হাসপাতালের থাকতে হবে মাত্র দুই দিন বলে জানান এই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। শরীর নীল হয়ে যাওয়া বা ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে আসা শিশুদের ক্ষেত্রে অধিকাংশই সময়ই হৃৎপিন্ডে ছিদ্র বা রক্তনালিতে ব্লক দেখা যায়, অনুষ্ঠানে বলা হয়। শিশুর জন্মগত হৃদরোগ ঝুঁকি এড়াতে গর্ভবতী নারীদের রুবেলা ভাইরাসের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। রুবেলা হামের লক্ষণ হচ্ছে জ¦রের সঙ্গে গোলাপী বর্ণের র‌্যাশ ওঠা। প্রথম পর্যায় র‌্যাশ মুখে দেখা গেলেও পাঁচ থেকে সাতদিনের মধ্যে তা সারা গায়ে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রীষ্মকালে রোগটির সংক্রমণ বেশি ঘটে। কোনো গর্ভবতী নারী রুবেলায় আক্রান্ত হলে তার পরিণতি খুবই খারাপ হতে পারে। তবে একবার টিকা নিলে সারা জীবনের জন্য সুরক্ষা পাওয়া যায়। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কোঅর্ডিনেটর ও সিনিয়ার পরামর্শক কার্ডিওলজি অধ্যাপক এ কিউ এম রেজা, চিফ অপারেশন কর্মকর্তা ডা. রতœদ্বীপ চাসকার, কোওর্ডিনেটর ও সিনিয়র পরামর্শক – পেডিয়াট্রিকস অধ্যাপক ইশতিয়াক হোসাইন।

Share
[related_post themes="flat" id="283687"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com