,
সংবাদ শিরোনাম :
» « দুর্গম এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ» « সাতক্ষীরা ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের স্বাস্থ্য সেবায় এগিয়ে চলা এবং অত্যাধুনিক মেশিনের উপস্থিতি (এক)» « সাতক্ষীরার ফিংড়ী কুঁচে চাষ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি রবি» « জোড়া সেঞ্চুরিতে সেমির আগে ভারতের বড় জয়» « তেলবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ প্রভাষিকা নিহত: আহত-১, গ্রেফতার-২» « শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের পৌর আট নং ওয়ার্ড কমিটি গঠন» « কাকবাসিয়ায় খেয়াঘাট না থাকায় পারাপারে ভোগান্তি» « চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী» « যশোর র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ২২৮ পিচ ইয়াবা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক» « সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ আইডিজি এর জন্য মনোনীত» « বাজার ব্যবস্থা অস্থিতিশীল এবং মসলা বাজারে আগুন

একুশ মানে মাথা নত না করা

21 February

এফএনএস : কিসের ভয়, সাহস প্রাণ….একুশ মানে মাথানত না করা। আজ রোববার মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত ফেব্র“য়ারির এগারো তম দিন। মাস জুড়েই দেশের আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হবে সেই অমর গান- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্র“য়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি…’। মায়ের মুখের ভাষা বাংলাকে আপন মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে বীর সন্তানেরা ১৯৫২ সালের এই মাসে সারাদেশে গড়ে তুলেছিলেন এক অগ্নিঝরা আন্দোলন। বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রাঙিয়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ভাষার অধিকার। বাঙালির রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন একাধারে যেমন ছিল রাষ্ট্রীয় জীবনে মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, তেমনি এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি তাঁর জাতিসত্তা ও আপন সাংস্কৃতিক অধিকারের প্রতিও সচেষ্ট হয়ে উঠেছিল। মহান ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয়। যে কারণে ফেব্র“য়ারি বাঙালির জীবনে এক অনন্য প্রেরণার উৎস। ভাষার মাসেই দেশের সর্বত্র বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে থাকে উৎসবমুখর। সৃজনশীল ও উদ্দীপনাময় আমেজ বিরাজ করে সবখানেই। এখানেই শেষ নয়, এখন আন্তর্জাতিকভাবেও দিবসটি পালন করা হয় বেশ সাড়ম্বরেই। এছাড়া বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাঙালিরা নিজ ভাষার মর্যাদায় আয়োজন করে থাকে নানা অনুষ্ঠানের। প্রথম দিন থেকেই পাল্টে গেছে নগরবাসীর প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা। প্রতিদিনের রুটিনে নতুন করে যোগ হয়েছে অনেক কিছু। দিনের কাজের শেষে বাংলা একাডেমি অভিমুখে হাজারো মানুষের ভিড়। প্রতিদিনই দর্শক সংখ্যা বাড়ছে। গত ১০ দিনে বেশ ভালো বেচাকোনও হয়েছে বাই মেলায়। বইপ্রেমী পাঠকের পদচারণায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ এখন মুখরিত নানা উৎসবের আয়োজনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি চত্বরে শুরু হয়েছে জাতীয় কবিতা উৎসব। দেশি-বিদেশী কবিদের পদচারণায় উৎসব পেয়েছে ভিন্ন মাত্রা। এই কবিদেরই চরণধূলি গিয়ে পড়ছে আবার একুশের বইমেলায়। আজ একুশে বইমেলারও ১১তম দিন। বিকেল থেকেই বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে থাকছে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। থাকছে বিভিন্ন লেখকের নতুন বইয়ের প্রকাশনা। লেখক কবিদের আড্ডা তো আছেই। পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে ১৯৫২ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে বাঙালী সন্তানেরা যে আন্দোলন করে তা শুধু মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের জন্য করেনি। বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার পাশাপাশি বাঙালী জাতির সংস্কৃতি রক্ষাও ছিল রফিক, সালাম, বরকতদের উদ্দেশ্য। কারণ পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী শুধু উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করে বাঙালীদের মুখে তুলে দিতে চায়নি। একই সঙ্গে এই বঙ্গের মানুষের জীবনমানসহ পুরো সংস্কৃতির চেহারা পাল্টে দিতে চেয়েছে। বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা পাকিস্তানীদের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে দেয়নি। চার ফেব্র“য়ারি ঢাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। ধর্মঘট শুধু ঢাকার স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য ডাকা হলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই ধর্মঘট বাংলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পালন করে। তৎকালীন প্রকাশিত পত্রপত্রিকা থেকে এমনটি জানা যায়। দেশের মানুষের মধ্যে এমন চেতনা আরও উৎসাহিত করে বাংলাভাষার পক্ষে আন্দোলনকারীদের।

Share
[related_post themes="flat" id="285462"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com