,
সংবাদ শিরোনাম :
» « দুর্গম এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ» « সাতক্ষীরা ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের স্বাস্থ্য সেবায় এগিয়ে চলা এবং অত্যাধুনিক মেশিনের উপস্থিতি (এক)» « সাতক্ষীরার ফিংড়ী কুঁচে চাষ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি রবি» « জোড়া সেঞ্চুরিতে সেমির আগে ভারতের বড় জয়» « তেলবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ প্রভাষিকা নিহত: আহত-১, গ্রেফতার-২» « শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের পৌর আট নং ওয়ার্ড কমিটি গঠন» « কাকবাসিয়ায় খেয়াঘাট না থাকায় পারাপারে ভোগান্তি» « চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী» « যশোর র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ২২৮ পিচ ইয়াবা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক» « সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ আইডিজি এর জন্য মনোনীত» « বাজার ব্যবস্থা অস্থিতিশীল এবং মসলা বাজারে আগুন

চাম্পাফুল বছরের শুরু থেকে চিংড়ী ঘেরগুলোতে ব্যাপক ভাইরাসের আক্রমন

01 Champaful Viraz

মনিরুজ্জামন চাম্পাফুল (কালিগঞ্জ) থেকে ॥ কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুল ও তার আশে পাশের চিংড়ী ঘের গুলোতে বছরের শুরু হতে না হতেই ব্যাপক হারে ভাইরাজ আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে চিংড়ী আর সে কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে চাষিরা। জানাগেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুল ও তার আশে পাশের উৎপদনশীল চিংড়ী শিল্প শুরুতেই বিপর্যয় দেখা দিয়েছে আর সে কারনে দিশেহারা হয়ে পড়ছে চিংড়ী চাষীরা। বছরের শুরু থেকে এমন অবস্থা বিরাজ করলে ভবিষ্যতের ভাবনা নিয়ে অস্থির হয়ে পড়েছে চাষীরা। বর্তমান চিংড়ীতে মোড়ক লেগে অনেক ক্ষতি সাধন হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে বিষয়টি নিয়ে সংশয় বলে মনে করেন। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে পানির গভীরতা বৃদ্ধি ঘেরগুলোতে চিংড়ী চাষের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি না করাসহ চাষীদের অসতর্কতাকে দায়ী করে অপরপার কারন বলে জানিয়েছেন মৎস কর্মকর্তরা। চাম্পাফুল ও আশে পাশে মোট ৫০০০, হেক্টর মত জমিতে চাষ হয় রপ্তানি যোগ্য চিংড়ী একজন ঘের মালিক বলেন , হারির টাকাতো পড়ে থাক মাছের পোনার দাম উঠবে কি না তাই নিয়ে ভাবনা এখন। আর এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আমাদের সর্বশান্ত হতে বেশি দিন লাগবেনা। পার্শ্ববর্তী একজন ঘের মোঃ সাদ্দাম হোসেন তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ দিন যাবদ ঘের করে করছি কিন্তু এমন অবস্থার মুখোমুখি কোনদিন হইনি, আমার ১৬০ বিঘা জমির ঘের এবছর মনে হয় আমাদের সু সময় আসবে কিনা জানিনা কিন্তু এমন ভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থের মধ্যে পড়ে যাবো। তার কারন অন্য বছর প্রথম দিকে কিছু বিক্রয় হলে তাতে আমাদের অনেক সাহস যোগায়। লাভ হবে এই আসায় অবস্তান থেকে আমরা এক পা ও নড়িনা। চাষীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, অন্য আর একজন ঘের মালিক আমি ১০ বছর ধরে ঘের করে আসছি কিন্তু এমন পরিস্থিতে কখনো পড়িনি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর শুরু থেকে ভাইরাজ লেগেই আছে, বিভিন্ন ঘের মালিক বিভিন্ন মতামতে বলেন, এবছর মাছের পোনার পিপিটি, মাটির আর্দ্রতা ও পানির গভীরতা কমের কারন হতে পারে এমন অবস্থার কারন। কালিগঞ্জ উপজেলায় মোট চিংড়ী ঘেরের সংখ্যা ১৪.৬১৪ টি এবং (২০১৬-২০১৭) অর্থ বছরে উৎপাদনের লক্ষ মাত্র ছিল ৬০১০ মে.টন। ( ২০১৮-২০১৯) অর্থ বছরে লক্ষ মাত্রা বেশি থাকলে ও বর্তমান যে অবস্থা বিরাজ করঠে তাতে উৎপাদনের লক্ষ মাত্রা নিয়ে দুঃ চিন্তায় চাষীরা কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছে অন্য কথা, তাদের অভিমত চাষিরা অধিক লাভের আশায় চিংড়ী ঘেরে বেশি পরিমানে রাসায়নিক ব্যাবহার করে থাকে, সে কারনে মাটির অসিস্থ নষ্ট হয়ে চাষের অনুপযোগি হওয়ার কারন হতে পারে। তাই বর্তমান অবস্থার কথা বিশ্লেসন করে দেখাগেছে এমন ভাবে চলতে থাকলে চিংড়ী চাষিরা সর্বশান্ত হয়ে যাবে।

Share
[related_post themes="flat" id="288505"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com