,
সংবাদ শিরোনাম :
» « জাল নোট কারবারিদের নিয়ন্ত্রণে নানা উদ্যোগ» « সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে পাইকারি লিছুর হাট : রাতেই ব্যবসায়ীদের শহরে আগমন» « সাতক্ষীরায় সরকারী কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তির সম্মানে এমপি রবির ইফতার মাহফিল» « দেবহাটায় তথ্য অধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত» « খুলনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে অস্ত্র, গুলি মাদক সহ দুই আসামী আটক» « মুক্তিযোদ্ধা আলেম ওলামা ও এতিমদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার» « মধুমাস জ্যৈষ্ঠ এবং বাস্তবতা» « বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো মসজিদ ॥ গ্রেট মস্ক অব আলেপ্পো (সিরিয়া ৭১৫ সাল)» « কার দখলে দিল্লি? মোদী, রাহুল না অন্য কেউ?» « কলারোয়ায় ছাত্রলীগ নেতার আঙুল কেটে নেওয়ায় ঘটনায় থানায় মামলা ॥ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত» « নুরনগরে দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ

টিসিবির সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন যশোরে মধ্যবিত্ত মানুষ

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের আট উপজেলায় টিসিবির ৭২ জন ডিলার থাকলেও এখনও পর্যন্ত মাত্র সাত জন পণ্য উত্তোলন করেছেন। এদের মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় চারজন এবং কেশবপুর, বাঘারপাড়া ও অভয়নগরে একজন করে রয়েছেন। বাকি মণিরামপুর, শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলায় কোন ডিলারই এখনো পণ্য উত্তোলন করেননি। ফলে সরকারের দেয়া টিসিবির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এসব উপজেলার মানুষ। তবে টিসিবি কর্মকর্তারা বরাবরের মতো বলছেন, পণ্য না তুললে নিবন্ধন বাতিল করা হবে। গত কয়েক বছর ধরে তারা একই কথা বলে আসছেন। যদিও টিসিবির তালিকায় থাকায় ডিলারদের অধিকাংশেরই মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। চলতি বছর টিসিবির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে চিনি ৪৭ টাকা, মসুর ডাল ৪৪টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, সয়াবিল তেল ৮৫ টাকা এবং খেজুর ১৩৫টাকা করে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি ডিলাররা পণ্য বিক্রি করছেন। কিন্তু যশোরে ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত’ ডিলার থাকলেও তাদের অধিকাংশই এখনো পণ্য উত্তোলন করেনি। খুলনা টিসিবি সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর যশোর সদর উপজেলায় আদি ইন্টারপ্রাইজ, মাহফুজ ট্রেডিং, লোকনাথ ভান্ডার ও ইমন এন্টারপ্রাইজ নামে চারটি প্রতিষ্ঠান টিসিবির পণ্য উত্তোলন করেছে। এছাড়া কেশবপুরের বারী এন্টারপ্রাইজ, বাঘারপাড়ার ভূঁইয়া ইন্টারপ্রাইজ এবং অভয়নগরের এসএমসি ট্রেডার্স পণ্য উত্তোলন করেছে। এদের মধ্যে যশোরের আদি ইন্টারপ্রাইজ ও মাহফুজ ট্রেডিং ট্রাকে করে যশোর শহরে টিসিবির পণ্য বিক্রি করছে। তারা প্রত্যেকে প্রতিদিন ৫০০ কেজি চিনি, ৪০০ কেজি ছোলা, ৭০০ লিটার সয়াবিন তেল, ৩০০ কেজি মসুর ডাল এবং ৫০০ কেজি খেজুর বিক্রি করছে। অন্যরা এক হাজার কেজি চিনি, এক হাজার লিটার সয়াবিন তেল, ৫০০ কেজি ছোলা এবং ৪০০ কেজি করে মসুর ডাল উত্তোলন করেছে। টিসিবি কর্মকর্তারা বলছেন, গত ২৩ এপ্রিল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩ জুন পর্যন্ত। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক জেলা শহরে চারটি এবং উপজেলা শহরে তিনটি করে ডিলার থাকার কথা। সেই অনুযায়ী যশোরে ২৫ জন ডিলার দরকার। কিন্তু যশোরে রয়েছে তার চেয়ে বেশি ৭২ জন। তবে বেশি থাকলেও তাদের অধিকাংশ এখনো পণ্য উত্তোলন করেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য উত্তোলন না করা প্রতিষ্ঠানের ডিলারশিপ এবার বাতিল করা হবে। টিসিবির খুলনার আঞ্চলিক কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী (অফিন প্রধান) রবিউল মোর্শেদ বলেন, যশোর শহরে ট্রাকে করে দুইজন ডিলার প্রতিদিন এক হাজার কেজি খেজুর, ৬০০ কেজি মসুর ডাল, এক হাজার কেজি চিনি, ৮০০ কেজি ছোলা এবং ৮০০ লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি করছে। তারা প্রত্যেকে তিনদিন পর পর তাদের বরাদ্দকৃত পণ্য নিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া কেশবপুর, বাঘারপাড়া এবং অভয়নগরে একজন করে ডিলার তাদের বরাদ্দকৃত পণ্য উত্তোলন করেছে। আর যারা লাইসেন্সধারী রয়েছে কিন্তু পণ্য উত্তোলন করেনি তাদের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে।

Share
[related_post themes="flat" id="291046"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com