,
সংবাদ শিরোনাম :
» « রেকর্ড গড়া জয় টাইগারদের» « ‘অবিশ্বাস্য’ মাহমুদউল্লাহকেও ছাড়িয়ে, রথী-মহারথীদের পাশে সাকিব» « বর্তমান প্রেক্ষাপটের উপর নির্মিত এ কেমন ডাক্তার নাটকের মোড়ক উন্মোচন» « মুন্সিগঞ্জ বাজার সংলগ্ন জেলেপাড়া পুকুর পাড়ের রাস্তার বেহাল দশা» « শ্যামনগরে দুই দিন ব্যাপী জলবায়ু মেলার উদ্বোধন» « ব্যাংকে টাকা নেই, এটা ঠিক নয় -প্রধানমন্ত্রী» « ওসি মোয়াজ্জেম কারাগারে, অভিযোগ গঠন ৩০ জুন» « বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প ও বৈদেশিক বাণিজ্য» « ভোটার তালিকা হালনাগাদ বিষয়ে বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত» « শ্যামনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভায় অনুষ্ঠিত» « ইংল্যান্ডের চোখ সেমিতে, আফগানিস্তানের টিকে থাকা

মাহে রমজানের সওগাত

ramzan-logo-11

এফএনএস : পবিত্র মাহে রমজানের আজ চতুর্দশ দিবস। রহমত, বরকত, মাগফিরাত আর নাজাত বা মুক্তি লাভের দিনগুলো একে একে চলে যাচ্ছে আমাদের মাঝ থেকে। এই মাহে রমজান বা সিয়াম সাধনার মাসের একটি প্রধান উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া অর্জন করা। ভাষাগত দিক থেকে তাকওয়া আরবি ভাষার ওয়াকিউন শব্দ থেকে এসেছে। এই ওয়াকিউন শব্দের অর্থ হচ্ছে বিরত থাকা বা বেঁচে থাকা। এর অপর একটি অর্থ হচ্ছে ভয় করা। কারণ যেসব বিষয় থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়, সেগুলো ভয় করারও বিষয়। কোন কিছু হতে বিরত থাকা। রক্ষা করা অর্থেও শব্দটি ব্যবহৃত হয়। কাজেই শুরুতেই তাকওয়ার ব্যাখ্যা এভাবেও দেওয়া যায় যে, আপনি একটি পথে হাঁটছেন যার দু’পাশ কাঁটাযুক্ত বৃক্ষে পরিপূর্ণ। এই পথে হাঁটার সময় আপনার পরনের পোশাক কাঁটায় আটকে যাওয়ার বহু প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এই কাটাময় পথে চলার সময় পোশাক কাঁটা থেকে বাঁচিয়ে চলার যে প্রচেষ্টা তাকওয়া বিষয়টি সে রকম। অর্থাৎ নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে বা ডিঙ্গিয়ে সঠিক, সুন্দর ও নিরাপদে চলার প্রচেষ্টা। ইসলামী পরিভাষায় তাকওয়া হলো আল্লাহ ভীতি। ইসলামী বিধান মতে তাকওয়া হলো আল্লাহ সম্পর্কে ব্যক্তির আÍিক অনুভূতি। প্রতিপালন সম্পর্কে সতর্কতা, আল্লাহকে সর্ব অবস্থায় স্মরণ করা, তার শরণ নেয়া। সর্বদা আল্ল¬াহর উপস্থিতি এবং তার জ্ঞানের পরিধি সম্পর্কে সতর্কতা। এসব বোঁধ-অনুভূতি ব্যক্তিকে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে, সৎ ও ভালো কাজে ব্রতী করে তুলবে। এটাই হলো তাকওয়া। পবিত্র কুরআনের সূরা আলে ইমরানের ১০২ আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন ঃ হে ঈমানদারগণ, আল্ল¬াহকে যেমন ভয় করা উচিত ঠিক তেমনি ভাবে ভয় কর। আর অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। তাকওয়ার সর্বনিম্ন স্তর হলো কুফর ও শিরক থেকে বেঁচে থাকা। দ্বিতীয় স্তর হলো আল্ল¬াহ ও তাঁর রাসুলের অপসন্দনীয় বিষয় থেকে বিরত থাকা। তৃতীয় স্তরটি হলো তাকওয়ার সর্বোচ্চ স্তর। অন্তরকে আল্ল¬াহ ব্যতীত সব কিছূ থেকে বিরত রাখা এবং আল্ল¬াহর স্মরণ ও শরণ এবং তার সন্তুষ্টি কামনার দ্বারা অন্তরকে পরিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ রাখাই হচ্ছে এই স্তরের বৈশিষ্ট্য। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্ল¬াম বলেছেন, তাকওয়ার হক হলো সকল কাজে আল্লাহর আনুগত্য করা, আনুগত্যের বিপরীতে কোন কাজ না করা, আল্লাহকে সর্বদা স্মরণ করা, তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং কখনো অকৃতজ্ঞ না হওয়া। মহান আল্লাহর কাছে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের মাপকাঠি হলো তাকওয়া। তাকওয়ার গুণাবলীতেই মানুষের গুরুত্ব মূল্যায়ন করা হয়। আল্ল¬াহর কাছে সেই ব্যক্তি বেশি গুরুত্বপূর্ণ যার তাকওয়া রয়েছে। অর্থাৎ মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব বিচারের মাপকাঠি হচ্ছে তাকওয়া। এই সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল করীমের সুরা হুজুরাতের ১৩ আয়াতে আল্লাহ বলেন, হে মানব সমাজ আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি। এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি। যাতে তোমরা একে অন্যের সাথে পরিচিত হতে পারো। তোমাদের মধ্যে আল্ল¬াহর নিকট সেই ব্যক্তিই অধিক মর্যাদা সম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে অধিক মুত্তাকী। আল¬াহ আমাদের শ্রেষ্ঠ মুত্তাকী হওয়ার তওফীক দান করুন। আমীন!

Share
[related_post themes="flat" id="291693"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com