,
সংবাদ শিরোনাম :
» « রেকর্ড গড়া জয় টাইগারদের» « ‘অবিশ্বাস্য’ মাহমুদউল্লাহকেও ছাড়িয়ে, রথী-মহারথীদের পাশে সাকিব» « বর্তমান প্রেক্ষাপটের উপর নির্মিত এ কেমন ডাক্তার নাটকের মোড়ক উন্মোচন» « মুন্সিগঞ্জ বাজার সংলগ্ন জেলেপাড়া পুকুর পাড়ের রাস্তার বেহাল দশা» « শ্যামনগরে দুই দিন ব্যাপী জলবায়ু মেলার উদ্বোধন» « ব্যাংকে টাকা নেই, এটা ঠিক নয় -প্রধানমন্ত্রী» « ওসি মোয়াজ্জেম কারাগারে, অভিযোগ গঠন ৩০ জুন» « বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প ও বৈদেশিক বাণিজ্য» « ভোটার তালিকা হালনাগাদ বিষয়ে বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত» « শ্যামনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভায় অনুষ্ঠিত» « ইংল্যান্ডের চোখ সেমিতে, আফগানিস্তানের টিকে থাকা

গাইবান্ধায় এমপি লিটন হত্যা: অস্ত্র মামলায় সাবেক এমপি কাদের খানের যাবজ্জীবন

এফএনএস: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় অস্ত্র মামলার রায়ে ওই আসনের সাবেক এমপি জাতীয় পার্টির আবদুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় অস্ত্র মামলার রায়ে ওই আসনের সাবেক এমপি জাতীয় পার্টির আবদুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়া এ মামলায় পৃথক এক ধারায় তাকে ১৫ বছর কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। গাইবান্ধার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক গতকাল মঙ্গলবার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডিত আবদুল কাদের খান গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি। তিনি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম ছাপরহাটি (খানপাড়া) গ্রামের মৃত নয়ান খানের ছেলে। কাদের লিটন হত্যা মামলাও আসামি। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) শফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ অস্ত্র রাখায় আবদুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন ও অবৈধ গোলাবারুদ মজুত রাখায় ১৫ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এমপি লিটন হত্যায় তিনটি অস্ত্র ব্যবহার হয়। এরমধ্যে একটি অস্ত্র কাদের খান নিজে থানায় জমা দিয়েছেন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি গ্রামের আবদুল কাদের খানের বাড়ির উঠানের মাটির নিচ থেকে ৬ রাউন্ড গুলিসহ আরেকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। কিন্তু কাদেরের স্বীকারোক্তি মোতাবেক তৃতীয় অস্ত্রটির সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লিটনকে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তার নিজের বাড়িতে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় লিটনের বোন তাহমিদা বুলবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ৪-৫ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। ঘটনার এক মাস ২১ দিন পর বগুড়া শহরের কাদের খানের স্ত্রীর মালিকানাধীন গরীব শাহ ক্লিনিক থেকে তাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর কয়েক দফা তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। প্রথম রিমান্ডে থাকা অবস্থার চতুর্থ দিনের মাথায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে লিটন হত্যার দায় স্বীকার করেন আবদুল কাদের খান। কাদেরের দেওয়া তথ্যে ছয় রাউন্ড গুলি ও ম্যাগজিনসহ একটি পিস্তুল উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে পুলিশ কাদের খানের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং গত ৬ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। এছাড়া এ মামলায় মেহেদি, শাহীন, রানা ও কাদেরের ব্যক্তিগত গাড়ি চালককে গ্রেফতার পুলিশ করে। তারাও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এ ছাড়া পুলিশ এ হত্যায় কাদেরের কথিত সহযোগী সুবল চন্দ্র ও সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী শামছুজ্জোহা সরকার জোহাকেও গ্রেফতার করে।

Share
[related_post themes="flat" id="293532"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com