,
সংবাদ শিরোনাম :
» « দুর্গম এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ» « সাতক্ষীরা ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের স্বাস্থ্য সেবায় এগিয়ে চলা এবং অত্যাধুনিক মেশিনের উপস্থিতি (এক)» « সাতক্ষীরার ফিংড়ী কুঁচে চাষ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি রবি» « জোড়া সেঞ্চুরিতে সেমির আগে ভারতের বড় জয়» « তেলবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ প্রভাষিকা নিহত: আহত-১, গ্রেফতার-২» « শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের পৌর আট নং ওয়ার্ড কমিটি গঠন» « কাকবাসিয়ায় খেয়াঘাট না থাকায় পারাপারে ভোগান্তি» « চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী» « যশোর র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ২২৮ পিচ ইয়াবা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক» « সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ আইডিজি এর জন্য মনোনীত» « বাজার ব্যবস্থা অস্থিতিশীল এবং মসলা বাজারে আগুন

ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত

dig mizan

এফএনএস : বহুল আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তার সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জারি করেছে বলে মঙ্গলবার রাতে নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তবে কী কারণ দেখিয়ে ডিআইজি মিজানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশের এই উপমহাপরিদর্শক নানা ঘটনায় আলোচনার মধ্যে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দুদক মামলাও করেছে। তার বিদেশ পালানো ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারিও বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে। এক নারীকে জোর করে বিয়ের পর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মিজানকে। এর চার মাস পর তার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক; সে দায়িত্ব যিনি পালন করছিলেন, সম্প্রতি দুদকের সেই পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন ডিআইজি মিজান। গত ৮ জুন তিনি দাবি করেন, তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এর সপক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপ একটি টেলিভিশনকে দেন তিনি। ওই অডিও প্রচার হওয়ার পর দেশজুড়ে শুরু হয় আলোচনা। ডিআইজি মিজান গত ১০ জুন বলেন, সব জেনেশুনেই তিনি কাজটি করেছেন ‘বাধ্য হয়ে’। “তিনি (বাছির) যে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত, তা প্রমাণ করতে, তাকে ফাঁসানোর জন্য করেছি এবং নিজের সেইফটির জন্য করেছি।” পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়েছিল, ডিআইজি মিজানের ব্যক্তিগত কোনো কাজের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না। পুলিশ হিসাবে বাড়তি কোনো সুযোগও তিনি পাবেন না। দোষী প্রমাণিত হলে সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে পুলিশ সদর দপ্তর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে, তার নেতৃত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মইনুর রহমান চৌধুরীর (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশনস)। এদিকে সোমবার দুদক মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ মামলা করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আদালতে তলবও করা হয়। ওই মামলার পর ডিআইজি মিজানের বিদেশে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা দেয় দুদক। তিনি যাতে বিদেশ যেতে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ইমিগ্রেশন পুলিশের বিশেষ সুপারকে দেওয়া হয় চিঠি।

Share
[related_post themes="flat" id="294888"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com