,
সংবাদ শিরোনাম :
» « শ্যামনগরে গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক» « আশাশুনিতে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ» « পাটকেলঘাটায়পটল ও বেগুন গাছ কেটে ক্ষতি সাধন» « সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাবেক ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে জখম, থানায় মামলা» « দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২১৮, মৃত্যু বেড়ে ২০» « বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসির পরোয়ানা জারি» « বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে বৃদ্ধ দম্পতির মৃত্যু» « করোনায় মৃত্যু ৮২ হাজার ছাড়ালো» « সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির খাদ্য সামগ্রী বিতরন» « শ্যামনগর থানা পুলিশের রোল কল, চেকপোস্ট বসানো ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান» « সাড়ে ১৭ লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান ও চাল কিনবে সরকার

দূর্নিতি নামের বিষবৃক্ষ কোথায় বপন করা হচ্ছে? ॥ ডিজিটাল বায়োমেট্র্রিক হাজিরা ডিভাইচ ক্রয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলাদেশ গড়তে গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অফুরন্ত অক্লান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যার চেষ্টার ফল ভোগ করছেন বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের জনগণ। দেশ এগিয়ে চলছে উন্নয়নের মহা সড়কে। এ উন্নয়নে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিছু অসাধু কর্মকর্ত কর্মচারীদের অসৎ কাজ ও দূর্নিতির মাধ্যমে। এমনও একটি দূর্নিতির নামে মহা ব্যাধী তথা বিষবৃক্ষের মালির তথ্য পাওয়া গেছে। এই বিষবৃক্ষের মালি হচ্ছেন শ্যামনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আক্তারুজ্জামান মিলন। তিনি কাদের মধ্যে এ বিষবৃক্ষ রোপন করছেন? ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ঠেলে দিচ্ছেন কঠর দূর্নিতির দ্বার গোড়ায়। প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে প্রাথমিক বিদ্যারয়ের শিক্ষকরা এই দূর্নিতির শিকার হচ্ছেন। যার দায়ভার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাঁধে। এছাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার শ্রান্তি বিনোদনে ভাতা বাবদ প্রত্যেক শিক্ষদের থেকে ৫০০ টাকা করে উৎকোচ নিয়েছেন। এ হিসাব থেকে উপজেলার প্রায় ৩০০ এর বেশি শিক্ষকের কাছ থেকে আদায়কৃত উৎকোচের পরিমান আনুমানিক দেড় লক্ষাধীক টাকা। এছাড়া তিনি নতুন নাটকের জন্ম দিয়েছেন স্কুলের বরাদ্ধকৃত অর্থ থেকে ডিজিটাল বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ক্রয় করার জন্য অগ্রিম পঁচিশ হাজার টাকা করে কেটে রেখে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছিক একাধীক স্কুল প্রধান শিক্ষক এ তথ্য জানিয়েছেন। তকঞবপড় ক৫০-অ নামের নি¤œ মানের ডিভাইজের সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। তবে সবকিছুকে তুচ্ছজ্ঞান করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ১৯১টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২২নং ভৈরবনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বাদে ১৯০টি স্কুলে নি¤œ দামে ক্রয়কৃত ওই ডিভাইস সরবরাহ করে পঁচিশ হাজার টাকার ভাউচার ধরিয়ে দিয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আক্তারুজ্জামান মিলনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তিনি এ প্রতিবেদকের কোন প্রশ্নের সদোত্তর দিতে পারেননি। প্রকৃতপক্ষে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ক্রয় করার কথা ছিল সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির। তথ্য নিয়ে জানা গেছে এ ডিভাইচ প্রধান শিক্ষক অথবা কমিটির সভাপতি ক্রয় করেন। কিন্তু কে ক্রয় করলেন ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার নি¤œ মানের এ ডিভাইচ, এ প্রশ্ন জনমনে। এবিষয়ে সাতক্ষীরার জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি শ্যামনগর উপজেলা থেকে কোন অভিযোগ পাইনি। বিষয় আমার কাছে এধরনের কোন তথ্য নেই। তবে বিষয়টি সত্য প্রমানিত হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জড়িত কর্মকর্তা কর্মচারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি দৃষ্টিপাতের এই প্রতিবেদককে জানান। এই অসাধু কর্মকান্ড, দূর্নিতির নেতিবাচক প্রভাব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপর পড়বে। আর শিক্ষকদের এহেন শিক্ষা থেকে নেতিবাচক শিক্ষা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর পড়বে। যার অর্থ দাড়ায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দ্রুত অসৎ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়বে। শিক্ষা অফিসারের এ দূর্নিতি নামের এ বিষবৃক্ষ প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্য বপন করছেন বলে সূধী সমাজের মন্তব্য। এ মর্মস্পর্শ বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে উপজেলার সর্বস্তরের সমাজে। এ অসাধু কর্মকান্ডের বিষবৃক্ষ উপজেলা থেকে স্বমূলে নিমূল করার জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের জরুরী হস্তক্ষে কামনা সূধীমহলের।

Share
[related_post themes="flat" id="296176"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com