,
সংবাদ শিরোনাম :
» « মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সাক্ষীর হাজির নিশ্চিত করার উদ্যোগ» « দুই ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান» « সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে বিটিভি’র তিন কর্মকর্তার মতবিনিময়» « পদ্মপুকুর ইউনিয়নে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মতবিনিময়» « শীত মৌসুমেও সবজির মূল্যের পাগলা ঘোড়া ছুটছেই» « প্রবীণ হিতৈষী সংঘ’র বার্ষিক সাধারণ সভা» « মুজিববর্ষ উদযাপনে শ্রমিক লীগের বর্ধিত সভা» « বিশ্ববাজারে ও বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে বাংলাদেশের কৃষি» « সুন্দরবন প্রেস ক্লাবের ব্যানার ও দরজা ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ» « পানিতে ঢাকা পর্যটন শহর ॥ অস্ট্রেলিয়ার রাস্তায় কুমির» « সাংবাদিক আবুল কালামের পিতার ইন্তেকাল

জোয়ারের পানি ও বৃষ্টির পানিতে চলমান ইছামতীর ভাঙ্গন ॥ সীমান্ত পারের জনসাধারণ আতঙ্কিত উদ্বিগ্ন

বায়োজিদ বোস্তামী উজ্জ্বল/মুজাহিদুল ইসলাম ॥ বাংলাদেশ ও ভারত বিভক্তকরন ইছামতী নদীর ভাঙ্গন ত্বরান্বীত হয়েছে। দীর্ঘ দিন যাবৎ, বছরের পর বছর বলা যায় সারা বছরই ভাঙ্গন কবলিত ইছামতীর ভাঙ্গন গত দুই তিন দিন ব্যাপক আকার ধারন করেছে। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতের কারনে ইছামতীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া সেই সাথে জোয়ারের কল্যানে ভাঙ্গন ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাতক্ষীরার ইছামতীর বিভিন্ন পয়েন্টের সীমান্তপারের লোকজন বর্তমান সময়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন যাপন করছে। সদর উপজেলার হাওড়দাহ এক নম্বর পোল্ডার এলাকা ব্যাপক ভাঙ্গনের মুখোমুখি। হাওড়দাহ এলাকা, স্কুল পাড় এলাকা, পশ্চিম পাড়া সহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙ্গনের মুখে। বৃষ্টির কারনে ইছামতীর পানি বৃদ্ধির ঘটনা নতুন নয়, প্রতিবছরই বৃষ্টির পানি বৃদ্ধি পেলে এবং প্রকৃতিগত কারনে ইছামতী ভাঙ্গছে তো ভাঙ্গছেই। সদর উপজেলার পাশাপাশি দেবহাটার কোমরপুর, ভাতশালা, টাউনশ্রীপুর, চরশ্রীপুর, বসন্তপুর, শিবনগর বিওপি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা, নাংলা ভেড়ী বাঁধ, কালিগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুর, খানজিয়া এলাকা ব্যাপক ভাঙ্গনের মুখে। দেবহাটার কোমরপুর গ্রামের সরকারি খাদ্য গুদাম সে তো অতীত, এছাড়া সরকারি খাদ্য গুদামটির অস্তিত্বহীন, ইছামতীর রাক্ষুসী পানির আগ্রাসী ছোবলে সরকারি খাদ্য গুদাম ইছামতীর গর্ভে তলিয়ে গেছে। একই গ্রামে ইতিহাস খ্যাত কালের স্বাক্ষী বাগদাদী পীরের মাজার সহ মসজিদ হুমকির মুখে। কোমরপুর গ্রামের বৃহৎ এলাকা বছরের পর বছর ইছামতী ভক্ষন করেছে। কোমরপুর গ্রাম রক্ষা বাঁধের অনেকাংশে ফাটল দেখা দিয়েছে, গ্রামটির চারিধারের বাসিন্দাদের মাঝে ইছামতির ভাঙ্গন আতঙ্ক। ভাতশালা গ্রামের মানচিত্র অনেক আগেই পরিবর্তন পরিবর্ধন হয়েছে সেই সাথে পরিবর্তন হয়েছে দেশের মানচিত্র। ভাতশালা গ্রাম রক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে। ইতিপূর্বে গ্রামটির উল্লেখযোগ্য অংশ বসতবাড়ী ফসলীজমি, স্থাপনা ইছামতীর অতল গহবরে হারিয়ে গেছে। চর শ্রীপুরের বসতবাড়ীর অস্তিত্ব অনেক আগেই বিলীন হয়েছে। গ্রামটি রক্ষার জন্য বিকল্প ভেড়ী বাঁধ নির্মান করা হয়েছে। কয়েক বছর আগেও সুশীলগাতি, খানপাড়া, দোনপাড়া সহ আরও কয়েকটি এলাকা ইছামতীর লবণাক্ত পানিতে প্লাবিত হয়। ইছামতীর আগ্রাসী পানির রাক্ষুসে ছোবলে ক্ষত বিক্ষত হওয়া সীমান্ত পারের মানুষগুলো ইছামতীর তুমুল গর্জন শুনছে সেই সাথে দেখছে ভাঙ্গন, এখানেও বিকল্প ভেড়ী বাধ নির্মান করা হয়েছে। দেবহাটার অন্যতম ভাঙ্গন কবলিত এলাকা নাংলা। কয়েক বছর যাবৎ নাংলা গ্রাম ভাঙ্গছে তো ভাঙ্গছেই। একাধিকবার নাংলা ভেড়ীবাঁধ রক্ষায় কাজ চলেছে। কিন্তু ভাঙ্গন রোধ হচ্ছে না। নাংলা, ঘোনা পাড়া, বসন্তপুর সহ আশপাশের লোকজন ইছামতীর ভাঙ্গন আতঙ্কে এবং উদ্বেগে দিন যাপন করছে। অবিলম্বে ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের বিকল্প নেই।

Share
[related_post themes="flat" id="297169"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com