,
সংবাদ শিরোনাম :
» « সড়ক পরিবহন আইন হলেও ॥ বাস্তবায়নে বিধিমালা হচ্ছে না» « সাকিবের দুর্দান্ত ইনিংসে কাটল আফগান গেরো» « সাতক্ষীরায় চিকিৎসক সংকটে সেবা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম ॥ একশত রোগীর বেডে এখন তিন শত ॥ শিশুদের জন্য ১০ বেডের বিপরীতে ৯৯ জন» « জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে ক্লিন সাতক্ষীরা গ্রীন সাতক্ষীরা গড়ার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান» « সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক শিশুর করুণ মৃত্যু» « কোস্ট গার্ডের অভিযানে একটি বন্দুক উদ্ধার» « বিপুল পরিমান অস্ত্রগুলিসহ একাধিক মামলার আসামী কানা মান্নান গ্রেফতার» « আন্তঃ স্কুল, মাদ্রাসা ফুটবল প্রতিযোগিতায় ॥ সাতক্ষীরা জেলার প্রতিনিধিত্বকারী বুধহাটা স্কুল দল খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন» « সাতক্ষীরা জেলা জাসদের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত» « আশাশুনির খাজরায় সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত» « উপজেলা চেয়ারম্যানের নানা জেহের আলী আর নেই

যশোরে নয় প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা

যশোর প্রতিনিধি: যশোরে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে নয় প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যার নাম্বার ১১/২০১৯। রোববার যশোরে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ মামলা আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে তদন্তের নির্দেশ দেয়। মামলার বাদী যশোর সদরের বসুন্দিয়া এলাকার আনছার আলীর ছেলে এবং সিঙ্গিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার দাতা সদস্য কওসার আলী। আসামিরা হচ্ছে যশোর সদরের সিঙ্গিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হান্নান, সহসুপারিটেনডেন্ট শহিদুল ইসলাম,শিক্ষক কোবাদ আলী,মাসুমা সুলতানা,লুসিয়ারা খানম, মাদ্রাসার সভাপতি এস এম লাবুয়াল হক রিপন,যশোরের সাবেক শিক্ষা অসিসার ড. সাধন কুমার বিশ্বাস,রূপালী ব্যাংকের যশোর শাখার এজিএম ইমদাদুল হক নূরানী,জেলা শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম টুকু। মামলার বাদী যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া এলাকার আনছার আলীর ছেলে এবং সিঙ্গিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার দাতা সদস্য কওসার আলী। মামলায় বলা হয়েছে ১৯৯১ সিঙ্গিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা হয়। একই বছর মাদ্রাসাটি এমপিও হয়। ২০০৮ সালে ৯ মার্চ বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এক তদন্তে মাদ্রাসার একাডেমিক স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির কাগজ পত্র চায়। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ২০০৯ সালে ২৪ অক্টোবর মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি সুপার আব্দুল হান্নান,সহকারী শিক্ষক মাসুমা সুলতানাকে বরখাস্ত করেন। ২০১০ সালের ২২ ফেব্র“য়ারি যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার এক তদন্তে উল্লেখ করেন, মাদ্রাসার সুপার ও তিনজন সহকারী শিক্ষকের এমপিও ভুক্তির কোন কাগজপত্র নেই। তারা কোন কাগজপত্র দেখাতে পারিনি। এরপর ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর একপত্রে উল্লেখ করেন, তদন্তে সুপার ও তিনজন শিক্ষকের এমপিও ভুক্তির কোন কাগজ পাওয়া যায়নি। ২০১২ সালের ৫ সেপ্টম্বর যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাদ্রাসার সহ-সুপার শহিদুল ইসলামের এমপিও বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিপ্তরকে অবহিত করেন। কিন্তু এসব দুর্নীতির বিষয়ে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আরও উল্লেখ করা হয়েছে,মাদ্রাসার তৎকালীন সুপার শহিদুল ইসলামের এমপিও’র ইনডেস্ক নম্বর টি-১৪৬৮। তার এই ইনডেক্স ব্যবহার করে মাদ্রাসার অপর এক ভুয়া সহ সুপার শহিদুল ইসলাম নিজে বেতন-ভাতা উত্তেলন করে আসছেন।তার একাজে সহযোগিতা করছেন রূপালী ব্যাংক মিস্ত্রিখানা সড়কের যশোর শাখার ম্যানেজার।

Share
[related_post themes="flat" id="297264"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com