,
সংবাদ শিরোনাম :
» « মুশফিকদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী» « শ্যামনগরে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে ॥ “মুজিববর্ষে-আইনগত সহায়তা ও কল্যানকর রাষ্ট্র” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত» « জন্ম তিথি উৎসবে বক্তারা ॥ বিবেকানন্দ’র দর্শন আমাদের আলোকিত পথ» « সড়ক দূর্ঘটনা এবার প্রাণ হারালো এক কলেজ ছাত্র ॥ সহোদর আহত» « সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে কাস্টমস্ ও সেনাবাহিনীর ভূয়া নিয়োগপত্র সহ দুই প্রতারক আটক» « সাতক্ষীরায় ছুটির দিনে হাসপাতাল পরিদর্শনে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হুসাইন শাফায়াত» « সাতক্ষীরায় ক্যাবের সভা অনুষ্ঠিত» « বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু» « শ্যামনগর র‌্যাবের অভিযানে তক্ষক সহ আটক এক» « সাতক্ষীরায় গাঁজা সহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক» « শ্যামনগরে যৌথ অভিযানে শিকার নিষিদ্ধ কাঁকড়া আটক

সাতক্ষীরায় চিকিৎসক সংকটে সেবা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম ॥ একশত রোগীর বেডে এখন তিন শত ॥ শিশুদের জন্য ১০ বেডের বিপরীতে ৯৯ জন

মীর আবু বকর ॥ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটে সেবা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। একশ শয্যার হাসপাতালে এখন রোগী ৩০০ জন। রোগীর তুলনায় চিকিৎসক অপ্রতুল। কর্মকর্তা কর্মচারীও একই হাল। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে সাতক্ষীরা একশত শয্যার হাসপাতালে সরকারী নিয়মনীতি অনুযায়ী শিশু ওয়ার্ডে ১০ রোগী থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ৯৯টি শিশু ভর্তি রয়েছে। ঐ ওয়ার্ডে বেড না থাকায় কোমলমতি শিশুদের মেঝে, বারান্দা এবং ওয়ার্ডের বাহিরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো শিশু ওয়ার্ডে কোন নির্ধারিত চিকিৎসক নেই। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ শামছুর রহমান শত ব্যস্ততা থাকলেও সেচ্ছায় প্রতিদিন রাউন্ড দিয়ে থাকেন। এটুকু সেবা পেয়েও রোগীর পরিবারের স্বজনরা সন্তুষ্ট। ঐ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার হয়েও শিশুদের চিকিৎসা দিচ্ছেন ডাঃ অসিম কুমার, তিনি প্রতিদিন বহি:বিভাগেও ৫০/৬০ জন রোগী দেখেন। মেডিসিন ওয়ার্ডে ১০ পুরুষ ও ৭ জন নারী রোগী থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে পুরুষ ৫৫ ও নারী ৪৬ জন। একই সাথে রয়েছেন ডেঙ্গু রোগীও। ঐ ওয়ার্ডে এক জন মেডিসিন কনসালটেন্ট ডাঃ আছাদুজ্জামান তিনি জানিয়েছেন ১০০ জন রোগী ভাল ভাবে দেখভাল করতে গেছে পুরো একদিন সময় লাগে, কিন্তু নির্ধারিত সময় সেটি সম্ভব হয়। আবার রাউন্ড শেষে বহিরবিভাগে রোগী দেখতে হয়। গাইনী ওয়ার্ডে নির্ধারিত ১৬ টি রোগী থাকলেও বর্তমান রোগী ২৮ জন, এখানে দুই জন চিকিৎসক রয়েছে। সার্জারী ওয়ার্ডে ১৫ পুরুষ ও নারী ৭ জন থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ৭০ জন রোগী রয়েছে। এই ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন কোন চিকিৎসক নেই অর্থ সার্জারী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ হাফিজুল্লাহ এই বিভাগের রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করছে। এই সাথে বহিরবিভাগেও রোগী দেখছেন। হাসপাতালে দীর্ঘ দিন চক্ষু, নাক কান গলা, সার্জারী, শিশু অজ্ঞান সহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক সংকট রয়েছে। একশত বেডের হাসপাতাল এখন তিন শত রোগীর সেবা নিচ্ছেন। এক দিকে রোগী অন্যদিকে তাদের স্বজনদের উপস্থিতিতে হাসপাতালে কোথাও তিল ধরানের ঠাই থাকে না। বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে আরো বেড়ে গেছে রোগীর সংখ্যা বেড়ে জেলায় ৭১২ জন ছাড়িয়ে গতকাল ভর্তি পুরুষ ১৩ নারী ৫ শিশু ৩, গাইনী ২২ জন। সব মিলে হাসপাতালে সুষ্ঠ ভাবে সেবা প্রদান অসম্ভব হয়ে উঠেছে। চিকিৎসকদের রাউন্ড শেষে বহিরবিভাগে রোগীদের সেবা প্রদানে হিমশিম খাচ্ছেন। সদর হাসপাতালে সার্বিক বিষয় সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ আবু শাহীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি দৃষ্টিপাতকে জানান যোগদানের পর থেকে হাসপাতালে চিকিৎসক সহ বিভিন্ন সমস্যা বিষয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ লিখিত মৌখিক ভাবে বারবার জানানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিলেও কোন চিকিৎসক পাওয়া যায়নি। তবে চিকিৎসক যোগদান করলে এ সমস্যা থাকবে না।

Share
[related_post themes="flat" id="298497"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com