,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ক্ষমা চাইলেন বুয়েটের ভিসি ॥ বহিষ্কার ১৯, দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ» « এমপি রবির বাসভবনে শারদীয় পূর্ণমিলনী সম্প্রীতির মেলা অনুষ্ঠিত» « সদরের বেত্রাবতী নদীর উপর নব-নির্মিত ব্রিজের উদ্বোধন করলেন এমপি রবি» « জেলা রেফারীজ এসোসিয়েশন এর আয়োজনে রেফারী রিফ্রেসার্স কোর্স উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপার» « শহরের সবুজবাগে সিসি ঢালাই রাস্তার কাজ উদ্বোধন» « র‌্যাবের অভিযানে ফেনসিডিল সহ আটক এক» « বুয়েটে আবরার হত্যা মামলার আসামী শামীম বিল্লাহ গ্রেপ্তার» « বাঁশদহে সত্য ও ন্যায়ের প্রতিচ্ছবি দৃষ্টিপাত এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও শুভকামনায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন» « সুন্দরবনকে সুন্দর রাখতে হবে» « জুয়ার বোর্ড থেকে ৪ জুয়াড়ি আটক» « খলিষখালিতে ঈদগা ও গণ-গোরস্থানের উদ্বোধন

ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দেশের স্বার্থ বিক্রি করতে পারি না -প্রধানমন্ত্রী

FNS_09102019_N_23

এফএনএস: ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দেশের কোনও স্বার্থ বিক্রি করবেন না বলে আশ^স্ত করেছেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দেশের কোনও স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করতে পারে না। গ্যাস বিক্রি করতে চাইনি বলে ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি। কিন্তু বিএনপি গ্যাস বিক্রির চুক্তি করার পরই ক্ষমতায় আসে ওই সময়। গতকাল বুধবার বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আশ্বাস দেন। নিউইয়র্ক ও ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন সফলতা এবং অভিজ্ঞতা জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। তিস্তার পানিবণ্টনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বস্ত করেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলোচনার মাধ্যমে পানি সমস্যার সমাধান করা হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী ফেনী নদীর পানিবণ্টনের চুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘ত্রিপুরায় যে পানি দেয়া হচ্ছে, তা হচ্ছে খাবার পানি। কেউ খাবার পানি চাইলে, তা যদি না দিই, তাহলে কেমন হয়!’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা আমাদের ঐতিহাসিক বন্ধু। মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরার মানুষ আমাদের আগলে রেখেছে। মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছে। সেই ত্রিপুরায় সামান্য খাবার পানি দেয়ার জন্য আপত্তি থাকতে পারে না। শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে জানতে চান ফেনী নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়। পরে তিনি নিজেই এর উত্তরে দিয়ে বলেন, ফেনী নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশের খাগড়াছড়িতে হলেও এই নদীর বেশিরভাগ ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক নদী। আমরা সামান্য ১.১২ কিউসেক পানি দিচ্ছি ভারতকে। এ নিয়ে হইচই করার কী আছে? তিনি বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক নদীগুলো খননের পরিকল্পনা নিয়েছি। ভারত তাতে সহায়তা করবে। যৌথ নদীগুলোর সমস্যা সমাধানে আমরা আলোচনা করে যাচ্ছি, কাজ চলছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, হত্যার ঘটনা শুনে সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগকে ডেকে তাদের সবগুলোকে বহিষ্কার করতে বলেছি। পুলিশকে বলেছি তাদের গ্রেফতার করতে। কাউকে ছাড় দেব না। অন্যায়কারীর বিচার হবেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বুয়েটের এ ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়। এ ঘটনার আলামত ও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে বলি। কিন্তু পুলিশ যখন সিসিটিভি ফুটেজ আনতে গেল তখন অনেকে বাধা দিল। আইজিপি আমাকে জানালো ফুটেজ আনতে দিচ্ছে না। তাদের আটকে রেখে দিয়েছিল। এ কাজে বাধা দিল কেন? পরে পুলিশ তিন ঘণ্টা পর ফুটেজ এনেছে। একটা কপি তাদেরকেও দিয়েছে। তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। কে ছাত্রলীগ, কে ছাত্রদল এটা আমি বিবেচনা করব না। আমি বিবেচনা করব অন্যায়ভাবে একটা ছেলেকে মারা হয়েছে। তাকে ২১ বছর বয়সে হত্যা করা হয়েছে। এটা অমানবিক। ২০০১ সালে আমাদের অনেক নেতাকর্মীদের মেরেছে। তাদের হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারা হতো। তাদের বাইরে তেমন আঘাত দেখা যেত না, কিন্তু শরীরের ভেতরে জখম হতো, তারা মারা যেত। শেখ হাসিনা বলেন, যারা এ ধরনের ঘটনায় জড়িত, তাদেরকে মেনে নেব না। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগকে ডেকে বলেছি তাদের সবগুলোকে বহিষ্কার করতে। পুলিশকে বলেছি তাদের গ্রেফতার করতে। কাউকে ছাড় দেব না। অন্যায়কারীর বিচার হবেই। আমরা কারো নাম জানার অপেক্ষা করি নাই। তার আগেই আমি নির্দেশ দিয়েছি। গ্রেফতার শুরু হয়ে গেছে। তিনি বলেন, যে মা-বাবা সন্তান হারিয়েছে তার কষ্টটা কী? আমি তো নিজে বাপ-মা-ভাই-বোন হারিয়েছি, আমি তা বুঝি। সাধারণ পরিবারের একটি ছেলে। তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এভাবে মারা এ নৃশংসতা কেন? এ জঘন্য কাজ কেন? এদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। এবং যত ধরনের উচ্চ শাস্তি দেয়া যায় তা দেয়া হবে। কারণ আমি বিচার পাইনি। আমার মা-বাবাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি ৩৮ বছরেও বিচার পাইনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক হত্যা হয়েছে। টেন্ডারবাজি করতে গিয়ে দুপক্ষের গুলিতে সানিকে হত্যা করা হয়েছে। ওই বুয়েটে আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। কেউ তাদের গ্রেফতার করেননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিদিন বোমা, গুলি হতো, অস্ত্রের ঝনঝনানি ছিল। আমাদের অনেক শিক্ষক বন্ধু-বান্ধব ছিল তারা বলতো- এখন বোমা-গুলি অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে এটি বন্ধ করেছি। শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দিয়েছি। শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্ররাই সব আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকায় থাকে। আমিও ছাত্ররাজনীতি করেই এখানে এসেছি। এখন একটা ঘটনা ঘটেছে বলেই ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে কেন? তবে কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে নিজেরা সেটি করতে পারে। ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান ছাত্র সংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক দলের আওতায় এনেছিলেন। এখন ছাত্ররাজনীতিকে আবারও আগের মতো স্বাধীন সংগঠন ঘোষণা করা হবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের তালিকা আছে, যা অন্য দলগুলোর নেই। ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন নয়। তিনি বলেন, মাথা থাকলে মাথাব্যথা তো হবেই। যারা উড়ে এসে বসে, তাদের দেশের চিন্তা থাকে না। ছাত্ররাজনীতি থেকেই ধীরে ধীরে চরিত্র গঠন হয়। আদর্শ গড়ে ওঠে। দক্ষ নেতৃত্ব উঠে এসেছে ছাত্ররাজনীতি থেকেই। বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন চলছে- এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ আছে। বুয়েট চাইলে তারাও নিষিদ্ধ করতে পারে। আমরা এতে হস্তক্ষেপ করবো না। এসময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা বের করে দেন, কোথায় কোথায় অনিয়ম হচ্ছে। আমি কোনো দলটল বুঝি না। রাজধানীসহ সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক হলে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা দেয়া হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নামমাত্র টাকা ভাড়া দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা ও আবাসিক হলে কারা থাকছে, কারা মাস্তানি করছে তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন দেয়া হয়েছে, খরচ কিন্তু আবার সরকারকেই বহন করতে হয়। একটা ছাত্রের জন্য বছরে কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়, সেই হিসাব কিন্তু কেউ রাখে না। তিনি বলেন, তারা (বুয়েট শিক্ষার্থী) বলছে, অনেক কিছু শ্লোগান দিচ্ছে, আমাদের বিরুদ্ধে অনেক কিছু তারা বলতে পারে, এটা ঠিক। তবে একটু হিসাব করে দেখুন একটা ছাত্রের পেছনে সরকার কত টাকা খরচ করে? একজন ডাক্তার বানাতে কত টাকা খরচ করে, একজন ইঞ্জিনিয়ার বানাতে কত টাকা খরচ করে, একজন গ্র্যাজুয়েট করতে কত টাকা খরচ করে। হিসাব করেন, বের হয়ে যাবে। একবার পার্লামেন্টের ভাষণে কিছুটা আভাস দিয়েছিলাম। ‘স্বাধীনতা ভালো, তবে তা বালকের জন্য নয়, এমন একটা কথা আছে। যে স্বাধীনতার মর্যাদা দিতে পারবে সেটা তার জন্যই ভালো। এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে’ বলেন শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, ছাত্র রাজনীতি ব্যান (বন্ধ) করার কথা আসছে ঠিক আছে। বুয়েটের সিন্ডিকেট আছে, কমিটি আছে- তারা যদি মনে করে বন্ধ করে দিবে আমরা তো কোনো রকম হস্তক্ষেপ করব না। তাই বলে ছাত্র রাজনীতিকে দোষারোপ করার কোনো মানে নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের সর্বাগ্রে ছাত্র রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ছাত্র রাজনীতি করেই এতদূর এসেছি। যারা উড়ে এসে জুড়ে বসে তারা ক্ষমতা উপভোগ করতে আসেন। তারা ছাত্র রাজনীতি পছন্দ করেন না। শেখ হাসিনা বলেন, এসব তো রাজনীতি না। এই যে ছেলেটাকে হত্যা করা হলো, এর মধ্যে রাজনৈতিক কোথায়? রাজনীতি ছিল জিয়াউর রহমান যখন আমাদের শওকত, অলিউল্লাহকে হত্যা করলেন। তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে হত্যা করেছে। তারা সংগঠন করতে দেবে না, বসুনিয়াকে রাজনৈতিকভাবেই হত্যা করেছে। চুন্নুকে হত্যা করা হয় খালেদা জিয়ার নির্দেশে, জহুরুল হক হলের ভিপি ছিল সে, ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো, এটাই ছিল তার অপরাধ। একটা মাত্র গুলিতে শেষ হয়ে যায় সে, এগুলো ছিল রাজনৈতিক হত্যাকান্ড। আবরার হত্যায় রাজনীতি কোথায় সেটা খুঁজে বের করতে হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেই সাথে আমি আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে বলব, যখন এই ধরনের ঘটনা একটা জায়গায় ঘটেছে, যখন দেখা গেছে এক রুম নিয়ে বসে জমিদারি চাল চালানো, প্রত্যেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিটি হল সব জায়গায় সার্চ করা দরকার। কোথায় কী আছে না আছে, খুঁজে বের করা। কারা মাস্তানি করে বেড়ায়, কারা এই ধরণের ঘটনা ঘটায় সেটা দেখা। সামান্য ১০টাকা ২০ টাকা বা ৩০ টাকা সিট ভাড়ায় এক একজন রুমে থাকবে। তারপর সেখানে বসে এই ধরণের মাস্তানি করবে, সমস্ত খরচ বহন করতে হবে জনগণের ট্যাক্সের পয়সা দিয়ে, এটা কখন গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজেই প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি হল, শুধু ঢাকায় না সারা বাংলাদেশের সব জায়গায় সার্চ করা হবে, দেখা হবে। সেই নির্দেশটা আমি দিয়ে দেব। এখন আপনাদের মাঝেই বলে দিচ্ছি, সেটা আমরা করব। আপনাদের সহযোগিতা চাই। আপনারা বের করে দেন কোথায় এই ধরনের কোনো রকম অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খলতা বা এই ধরনের কর্মকান্ড কারা করছে, কোন দল-টল আমি বুঝি না। পরিষ্কার কথা কোনো দল আমি বুঝি না। ক্যাসিনো প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা এখন ক্যাসিনো খেলায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে বা এ ধরনের জুয়া খেলায় অভ্যস্ত, কেউ হয়তো দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, কেউ হয়তো নানা ফন্দি আঁটছে তাদের বলছি, একটা দ্বীপ খুঁজে বের করেন, সেই দ্বীপে আমরা সব ব্যবস্থা করে দেব। ভাসানচর বিশাল দ্বীপ। এক পাশে রোহিঙ্গা আরেক পাশে আপনাদের ব্যবস্থা করে দেব। সবাই ওখানে চলে যান। সংবাদ সম্মেলনে চলমান ক্যাসিনো অভিযান প্রসঙ্গে জনৈক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে হাসোজ্জ্বলে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। নিউইয়র্ক ও ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন সফলতা এবং অভিজ্ঞতা জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বাস্তবতা বলছি, অভ্যাস যখন বদভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়, এ বদভ্যাস তো যাবে না। বার বার খোঁচাখুঁচি করতে হবে। তাই বার বার খোঁচাখুঁচি না করে একটা জায়গাই দিয়ে দেব। তিনি বলেন, ভাসানচরে এক সাইডে যদি ব্যবস্থা করে দেই, ওটা খুব বড় চর, অসুবিধা নাই। ১০ লাখ লোককে বসতি দেয়া যাবে। কারা কারা করতে চান তারা যান, নীতিনালা তৈরি করেন, লাইসেন্স নিতে হবে, ট্যাক্স দিতে হবে, তারপর যে ইচ্ছে খেলুক আমার কোনো আপত্তি নাই। এতে সরকারের আয় বাড়বে, দেশের উন্নয়নে কাজে লাগবে। শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘যেখানে যেখানে অনিয়ম আছে সেখানেই আমরা ধরব। কতদূর যাবে আর কতদূর যাবে না সেটা কোনো কথা নয়। এটা বহুদিন ধরে ছিল, কেউ কখনও বলেনি, খেয়ালও করেনি। আমি যদি বলি আপনারা সাংবাদিকরা কোনো দিন বলেননি যে এ রকম একটা অনিয়ম হচ্ছে। এত খবর আপনারা রাখেন, আপনাদের ক্যামেরা এত জায়গায় ঘুরে। তো কই এই জায়গায় কেন পৌঁছায় নাই? সে প্রশ্নের জবাব কি দিতে পারবেন? পারবেন না। বাস্তবতা হলো আমি যখনই এ খবর পেয়েছি তখনই ব্যবস্থা নিয়েছি এবং এ রকম ব্যবস্থা নিতেই থাকব। এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন। অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ‘ইন্ডিয়া ইকোনমিক সামিটে’ অংশ নিতে ৩ থেকে ৬ অক্টোবর নয়াদিল্লি সফর করেন। এ সময় দুই দেশের মধ্যে সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় এবং তিনটি যৌথ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

Share
[related_post themes="flat" id="298971"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com