,
সংবাদ শিরোনাম :
» « এবার লবণ নিয়ে গুজব ॥ পর্যাপ্ত লবণ আছে, অতিরিক্ত দরে বিক্রি করলে জেল জরিমানা- প্রেস কনফারেন্সে জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল» « নতুন পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে সাতক্ষীরা সবরুটে বাস চলাচল বন্ধ ॥ যাত্রী সাধারনের দূর্ভোগ চরমে» « বাইপাস সড়কে দূর্ঘটনায় ভ্যান চালকের মৃত্যু» « সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ইলিশ মাছ সহ আটক এক» « সদরে দূর্ণীতি প্রতিরোধে কর্মক্ষেত্রে শ্রদ্ধাচার চর্চা বিষয়ক মত বিনিময় সভা» « কালিগঞ্জ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবক কে এসিড নিক্ষেপ» « শ্যামনগরে পাকহানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত» « দুইদিন ব্যাপী আয়কর মেলায় শুভ উদ্বোধন করলেন এমপি জগলুল হায়দার» « দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী» « সুন্দরবনে অবৈধ ফাইবার জাল ১টি ডিঙ্গি নৌকা সহ ৪ জন আটক» « লবণ বিষয়ে গুজব ॥ রাতে বাজার পরিদর্শন করলেন দেবহাটা নির্বাহী অফিসার

দিল্লিতে বায়ুদূষণের অভিযোগে ৮৪ কৃষককে আটক

এফএনএস বিদেশ : বৃষ্টিতে দিল্লির বায়ুদূষণ কিছুটা কমলেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে কলকাতা, চেন্নাইসহ বেশ কয়েকটি শহরে। বৃহস্পতিবার রাতে শহরগুলোয় বায়ুদূষণের মাত্রা সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয়। এদিকে বায়ুদূষণে সংশি−ষ্টতার অভিযোগে পাঞ্জাবের ৮৪ কৃষককে আটক করেছে পুলিশ। তবে কৃষকদের দাবি, খড় পোড়ানো ছাড়া তাদের অন্য কোনো উপায় নেই। গেল দু’সপ্তাহ ধরে দূষণের ঘেরাটোপে বন্দি দিল্লিবাসীকে কিছুটা স্বস্তি দিল বৃহস্পতিবারের এ বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানায়, বৃষ্টিতে পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। গত তিন চার দিনের চেয়ে পরিস্থিতি এখন অনেকটা ভালো। একেবারে স্বাভাবিক হতে হলে প্রচুর বৃষ্টি হতে হবে। আশার কথা হচ্ছে বৃষ্টি এর মধ্যে শুরু হয়েছে। তবে পর্যটকরা এখনও দিল্লিতে নিরাপদ বোধ করছেন না। এমনকি স্থানীয়রাও নিরাপদ ঠাঁইয়ের খোঁজে দিল্লি থেকে ছুটছেন অন্য জায়গায়। এক পর্যটক বলেন, প্রথমবার দিল্লিতে এসেছি। কিন্তু এখানকার পরিবেশ এতটা খারাপ হবে ভাবতে পারিনি। আরেকজন বলেন, দিল্লিতে ভয়াবহ অবস্থা। পরিবারের সবাই মিলে এখানে এসেছি শুধু বিশুদ্ধ পরিবেশের কারণে। এদিকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় খড় পোড়ানো অব্যাহত আছে। এরইমধ্যে দূষণ ছড়ানোর অভিযোগে পাঞ্জাবের ৮০ জনের বেশি কৃষককে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়াও অন্তত ২০০ কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। একজন কৃষক বলেন, আমরা ধান চাষ করতে চাই না। আর যদি চাষ না করি তাহলে খড় পোড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না। সরকারকে বলেছি, ধানের পরিবর্তে অন্য কিছু ব্যবস্থা করে দিতে। সেটা তারা করেনি। এমনকি আমরা ধানের নায্য মূল্য পাই না। তাই পোড়াতে বাধ্য হচ্ছি। আরেকজন বলেন, আমরা যখন খড় পোড়াই তখনই শুধু বায়ুদূষণ হয়। আর বছরের বাকি ১১ মাস কোম্পানি ও যানবাহন যে পরিবেশ দূষণ করে যাচ্ছে তা সরকারের চোখে পড়ে না। সব দোষ কৃষকের। দেশটির তথ্য মতে, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবে বছরে এক কোটি ৮০ লাখ টন ধান উৎপাদন হয়। তাই দিল্লির বায়ুদূষণের জন্য তাদের খড় পোড়ানোকেই দায়ী করছে দিল্লি সরকার।

Share
[related_post themes="flat" id="302070"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com