,
সংবাদ শিরোনাম :
» « পর্দা উঠল বঙ্গবন্ধু বিপিএলের» « শ্যামনগরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা» « তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ॥ সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার» « সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগের সম্মেলন সফল করতে জেলা ছাত্রলীগের প্রচার মিছিল» « সোনায় সোহাগা দিনে বাংলাদেশের ইতিহাস» « সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়েরের ফুলেল শুভেচ্ছা» « খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস এর জায়গায় টিএসপি সার কারখানা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে -শিল্প প্রতিমন্ত্রী» « জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী» « কালিগঞ্জে নিরাপদ মৎস্য খামার পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত সহকারী পরিচালক» « বিজয়ের মাস ডিসেম্বর» « সাতক্ষীরা জেলা বাকশিস নির্বাচন সম্পন্ন ॥ সভাপতি অধ্যক্ষ এনামুল, সম্পাদক মনিরুল

অস্ট্রেলিয়া পাত্তাই দিল না পাকিস্তানকে

এফএনএস স্পোর্টস: জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন বোলাররা। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাকি কাজ অনায়াসে সেরে ফেললেন দুই ওপেনার। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে সিরিজ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া। পার্থে শুক্রবার অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ১০ উইকেটে। ৩ ম্যাচের সিরিজ তারা জিতে নিয়েছে ২-০তে। প্রথম ম্যাচের খেলা অনেকটা হলেও শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। দ্বিতীয় ম্যাচে তারা জিতেছিল ৭ উইকেটে। পার্থ স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের ১০৬ রান অস্ট্রেলিয়া পেরিয়ে যায় ৪৯ বল বাকি রেখে। অবিশ্বাস্যভাবে, গোটা সিরিজে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে সিরিজ জিতে গেল অস্ট্রেলিয়ানরা। এই জয়ে একটি রেকর্ডও স্পর্শ করল অস্ট্রেলিয়া। এক পঞ্জিকাবর্ষে টি-টোয়েন্টিতে কোনো ম্যাচ না হেরে সবচেয়ে বেশি জয়ের রেকর্ড গত বছর গড়েছিল আফগানিস্তান। এবার ৭ জয়ে আফগানদের পাশে এখন অ্যারন ফিঞ্চের দল। দলের অন্যতম সেরা পেসার প্যাট কামিন্সকে বিশ্রাম দিয়ে একাদশ সাজিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাকি পেসাররাই নাভিশ্বাস তুলে ছাড়েন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের। তৃতীয় ওভারেই মিচেল স্টার্ক ফেরান আগের দুই ম্যাচে ফিফটি করা বারব আজমকে। বাঁহাতি পেসারের পরের বলে অসাধারণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন নতুন ব্যাটসম্যান মোহাম্মাদ রিজওয়ান। এরপর কেন রিচার্ডসন ও শন অ্যাবটও উইকেট শিকারে যোগ দিলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন রিচার্ডসন। অ্যাবট ২ উইকেট নেন মাত্র ১৪ রান দিয়ে। ধুঁকতে থাকা দল একশ পার হতে পারে ইফতিখার আহমেদের সৌজন্যে। আগের ম্যাচে ৬২ রানে অপরাজিত থাকা ব্যাটসম্যান এবার করেছেন ৩৭ বলে ৪৫ রান। দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেন আর কেবল ইমাম-উল হক (১৪)। অভিষিক্ত ব্যাটসম্যান খুশদিল শাহ ফেরেন ৮ রানে। শেষ দুই ওভার থেকে পাকিস্তান নিতে পারে মাত্র ১ রান। এই পুঁজি নিয়ে অনুমিতভাবেই কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি পাকিস্তান। অনভিজ্ঞ বোলিং লাইন আপ ভোগাতে পারেনি ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে।পাকিস্তানের ১৯ বছর বয়সী অভিষিক্ত পেসার মোহাম্মদ মুসা, আরেক ১৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ হাসনাইনের গতি ১৪০ কিলোমিটার পেরিয়েছে নিয়মিতই। কিন্তু ছিল না আর কোনো স্কিল, ভালো ছিল না লাইন-লেংথও। ৩৫ বলে ৪টি চার ও ২ ছক্কায় ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন ওয়ার্নার। বাউন্ডারিতে দলের জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্যারিয়ারের দশম ফিফটি পূর্ণ করেন ফিঞ্চ। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় ৩৬ বলে ৫২ রানে। ৫ বছর পর দলে ফিরেই দারুণ বোলিংয়ে ম্যান অব দা ম্যাচ পেসার অ্যাবট। একটি মাত্র ইনিংসে ব্যাট করেই ৮০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যান অব দা সিরিজ স্টিভেন স্মিথ। সিরিজ সেরা হয়ে তিনি চমকে গেছেন নিজেই। টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে দুই দল মুখোমুখি হবে এবার টেস্ট সিরিজে। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি শুরু ২১ নভেম্বর থেকে, ব্রিসবেনে। সংক্ষিপ্ত স্কোর: পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১০৬/৮ (ইমাম ১৪, বাবর ৬, রিজওয়ান ০, হারিস ৮, ইফতিখার ৪৫, খুশদিল ৮, ইমাদ ৬, শাদাব ১, আমির ৯*, হাসনাইন ৪*; স্টার্ক ৪-০-২৯-২, অ্যাবট ৪-০-১৪-২, রিচার্ডসন ৪-০-১৮-৩, স্ট্যানলেক ৪-০-১৯-০, অ্যাগার ৪-০-২৫-১)। অস্ট্রেলিয়া: ১১.৫ ওভারে ১০৯/০ (ওয়ার্নার ৪৮*, ফিঞ্চ ৫২*; আমির ৩-০-২৫-০, মুসা ৩.৫-০-৩৯-০, হাসনাইন ৪-০-৩২-০, ইমাদ ১-০-১২-০)। ফল: অস্ট্রেলিয়া ১০ উইকেটে জয়ী। সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ২-০ ব্যবধানে জয়ী। ম্যান অব দা ম্যাচ: শন অ্যাবট। ম্যান অব দা সিরিজ: স্টিভেন স্মিথ।

Share
[related_post themes="flat" id="302080"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com