,
সংবাদ শিরোনাম :
» « বৃটেনে কনজারভেটিভ পার্টির বিরাট জয়» « সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনে পঞ্চদশ কবিতা উৎসব পালিত» « বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বশির আহমেদ আর নেই» « সাতক্ষীরা পলাশপোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৯৪ সালের ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত» « আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস» « ট্রাক-পিকআপ দুর্ঘটনায় মাছ ব্যবসায়ী নিহত : আহত ২» « পাটকল শ্রমিকের জানাজা সম্পন্ন, উত্তপ্ত খুলনার শিল্পাঞ্চল» « কোটাবাড়ির একটি ব্রিজের অভাবে হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ» « মজুরি কমিশন বাস্তবায়নে আগামী ১৫ ডিসেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা -শ্রম প্রতিমন্ত্রী» « রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী হত্যার আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় মিয়ানমার» « নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল প্রত্যাখ্যান ভারতের ৫ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর

মহাকাশে যত ব্যর্থ অভিযান ॥ স্পেসক্রাফট স্পুটনিক ২

মহাকাশে অভিযানের দীর্ঘ পরিক্রমায় একের পর এক নানা দুঃসাহসিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো। এ গবেষণার অন্যান্য ক্ষেত্রে বেশ সাফল্য এলেও মহাকাশে অভিযান চালাতে গিয়ে বারবারই জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বিজ্ঞানীদের। সম্প্রতি ভারতের বহুল আলোচিত চন্দ্রাভিযানটি ব্যর্থ হওয়ার পর চারদিকে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। কিন্তু চন্দ্রাভিযান কিংবা মহাকাশে এমন ব্যর্থ অভিযান এবারই প্রথম নয়। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, মহাকাশ অভিযানে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার পরিমাণই বেশি। ব্যর্থতার পথ ধরেই আসে চূড়ান্ত সাফল্য। ব্যর্থ মহাকাশ অভিযানের কিছু ঘটনা নিয়েই আজকের বিশেষ আয়োজন- স্পেসক্রাফট স্পুটনিক ২ : পৃথিবীর কক্ষপথে প্রথম পরিভ্রমণ করেছিল রাশিয়ার একটি বেওয়ারিশ মাদি কুকুর। তার নাম রাখা হয়েছিল লাইকা। খুবই শান্ত স্বভাবের ছিল লাইকা। আদুরে চেহারার পাশাপাশি তার বুদ্ধিমত্তা নিয়েও সবাই খুব মুগ্ধ ছিল। তার চোখের রং ছিল কালো। ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসের ৩ তারিখ লাইকাকে মহাশূন্যে পাঠানো হয়। চারবার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেছিল কুকুরটি। এ সময় প্রচুর তাপ ঊৎপন্ন হতে থাকে স্পেসক্রাফট স্পুটনিক-২ এ। ১০ ঘণ্টা পর প্রচ- তাপে লাইকা অসুস্থ হয়ে যায়। কারণ মহাকাশ যানের ভিতর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা যথেষ্ট নিরাপদ ছিল না। আবার বলা হয় যান্ত্রিক দুর্বলতাও একটা কারণ ছিল। সুতরাং মহাকাশে লাইকা কার্যত গরমে সেদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছিল। শরীরের ভিতরের তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ওঠার পর সে তা সহ্য করতে পারেনি। অত্যাধিক চাপ এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উৎক্ষপণের ১০ ঘণ্টার মধ্যেই লাইকা মারা গিয়েছিল। তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় কোনো যান্ত্রিক সমস্যা হওয়ার কারণে এমনটি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এ মহাকাশ অভিযানের কয়েক দশক পর লাইকা মৃত্যু প্রকৃত কারণ মানুষ জানতে পেরেছিল। লাইকার এ ভ্রমণ থেকেই বিজ্ঞানীরা বুঝতে পেরেছিলেন যে পৃথিবীর কক্ষপথে উৎক্ষিপ্ত মহাকাশযানে ওজনহীন থাকা সত্ত্বেও যাত্রীর পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব। তাই লাইকা মারা গেলেও তার মাধ্যমেই মনুষ্যবাহী নভোযান প্রকল্প শুরু হয়েছিল।-সংগৃহীত

Share
[related_post themes="flat" id="302694"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com