,
সংবাদ শিরোনাম :
» « অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বেশিরভাগ মেগা প্রকল্পই গতিহীন» « সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে নব-নির্বাচিত প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময়» « দুর্নীতি কমাতে না পারলে উন্নত রাষ্ট্রে পৌছানো যাবে না ॥ আশাশুনিতে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ» « সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত কমিটি দায়িত্বভার গ্রহণ করায় ॥ শান্তির সুবাতাস বইছে সাংবাদিকদের পদচারণায় মুখরিত প্রেসক্লাবে» « দরগাহপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেন সচিব ইউসুফ হারুন» « আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা» « বঙ্গবন্ধু জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলায় অংশ নিতে পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা ত্যাগ জেলা দলের» « বাংলাদেশের অর্থনীতি ঃ কৃষি, শিল্প ও বৈদেশিক মুদ্রা» « মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী আজ» « শ্যামনগরে দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সাংবাদিকদের মতবিনিময়» « প্রবাসীর স্ত্রীর দু’কান কেটে দিলো প্রতিপক্ষ

কেশবপুরের মধুসড়কে একটি পাঁচতলা ভবনের অবৈধ অংশ ভাঙতে গড়িমসি ॥ আতংকে পাশের ভবন মালিকরা

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি ॥ যশোর জেলা প্রশাসক ও কেশবপুর পৌরসভার মেয়রের নির্দেশ অমান্য করে শহরের মধুসড়কের জান্নাতুল মাওয়া মঞ্জিলের অবৈধ অংশের নির্মান কাজ চলমান রাখা হয়েছে। গত ২০ মার্চ যশোর জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী কমিশনার ইরুফা সুলতানা ও কেশবপুর পৌরসভার মেয়র ১২ জানুয়ারি চারতলা ওই ভবনের উপরের অবৈধ অংশ অপসারন করতে নির্দেশনা জারি করে ভবনের মালিককে নোটিশ করেন। কিন্তু নোটিশ পাওয়ার পরও তিনি ভবনের অবৈধ অংশের সংস্কার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। পৌর কতৃপক্ষের অবহেলা ও গাফিলতির কারনে পৌর অভ্যন্তরে যত্ততত্ত্বভাবে ভবন নির্মান কাজ চালানো হচ্ছে। এনিয়ে সচেতন পৌরবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কেশবপুর উপজেলার আলতাপোল গ্রামের শওকত হোসেন তার স্ত্রী জোহরা খাতুনের নামে মধুসড়ক সংলগ্ন মহিলা কলেজের পূর্ব পাশের ২.৯০ শতক জমির উপর ‘জান্নাতুল মাওয়া মঞ্জিল’ নামে একটি ৫ তলা ভবন নির্মাণ করেছেন। অথচ তিনি কেশবপুর পৌরসভা থেকে ৪ তলা ভবন তৈরির অনুমতি নিয়েছিলেন। ১৪ ফুট প্রস্থ ও দৈর্ঘ ৯০ ফুটের ওই জমিতে প্লানের বাইরে অবৈধভাবে ৫ তলা ভবন নির্মাণের বিষয়টি আশেপাশের বাসিন্দাদের ভাবিয়ে তোলে। অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের ব্যাপারে আশেপাশের ভবন মালিক আতাউর রহমান, নিরঞ্জন নন্দন, আলী আকবর, কামরুজ্জামান, জাকির ইকবাল, কানাই নন্দী, অরুন দাস ও আক্তার হোসেন গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ওই ভবনটি ভবিষ্যতে বড় ধরণের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। যে কারণে তারা আতংকের মধ্যে বসবাস করছেন। অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, ওই সময় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর পৌরসভার মেয়রের নির্দেশে কাজ বন্ধ ছিলো। কিন্তু ২০ নভেম্বর থেকে আবারো ৫ তলা ভবনের নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। বর্তমানে নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়েছে। পরে তারা ৩১ জানুয়ারি ৪ তলার পরে অবৈধভাব ৫ তলা নির্মাণ করার বিষয়ে যশোরের জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে ২০ মার্চ যশোর জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী কমিশনার ইরুফা সুলতানা ভবনের অবৈধ অংশটুকু নিজ খরচে অপসারণের নোটিশ দেন ঘর মালিককে। যার একটি অনুলিপি পাঠানো হয় কেশবপুর পৌরসভার মেয়রের কাছে। পরবর্তীতের এনিয়ে কেশবপুর পৌরসভার ০৯ জানুয়ারি উভয়পক্ষে শুনানির মাধ্যমে ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙ্গে নিতে নিদের্শ প্রদান করা হয়। কিন্তু তিনি জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার নির্দেশ মেনে ভবনের ৫ তলার অংশটুকু অপসারণ করেননি। বরং মালিক ভবনের ওই অংশটুকু বহাল রাখতে স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাছে দেনদরবার করছেন। বর্তমানে তিনি ওই ভবনের সংস্কার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ঘটনায় আশেপাশের ভবন মালিকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, ভবনের অবৈধ অংশটুকুর জন্য তাদের বড় ধরণের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিনের জেলা প্রশাসক ও পৌর মেয়রের নির্দেশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় তাদের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই বিষয়ে তারা যশোরের জেলা প্রশাসক ও কেশবপুরের মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ভবনের মালিক শওকত হোসেনের সাথে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ভবন মালিক এ বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। এবিষয়ে কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল জানান, শওকত আলীকে ৪ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু তিনি প্লানের বাইরে অবৈধভাবে ভবনের ৫ তলা সম্পন্ন করেছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিজ খরচে ভবনের অবৈধ অংশ অপসারণের নির্দেশ দিলেও তা মানছেন না ভবন মালিক। জেলা প্রশাসন যদি প্রশাসনিক সহযোগীতা করে তাহলে ওই ভবনের অবৈধ অংশ উচ্ছেদ করা সহজ হবে।

Share
[related_post themes="flat" id="305439"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com