,
সংবাদ শিরোনাম :
» « আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায় ॥ গণহত্যা বন্ধ ও রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার নির্দেশ» « দূর্ণীতিবাজরা যত ক্ষমতাধর ব্যক্তি হোক পার পাবে না ॥ সাতক্ষীরায় মত বিনিময় সভায় দূর্ণীতি দমন চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ» « অপহরণের দুই দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার» « সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব দীর্ঘদিন পর সাংবাদিকদের জন্য উণ¥ুক্ত ॥ আনন্দের বন্যায় ফুল ও ভালবসায় সিক্ত নব-নির্বাচিত কমিটি» « সেনাবাহিনীর শীতকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া প্রত্যক্ষ ॥ সন্ত্রাস ও দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর» « সাতক্ষীরা রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত» « খুলনায় বিদেশী পিস্তল সহ কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্য আটক» « সীমান্তে বিএসএফ’র নির্যাতনে বাংলাদেশী গরু রাখালের মৃত্যু» « আশাশুনির শালখালী বাজার টু কালিবাড়ী সড়কের বেহাল দশা» « সুন্দরবনে অবৈধ কাঠসহ ১টি নৌকা আটক» « আইন শৃঙ্খলা, চোরাচালান, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সভা

মন্ত্রী-সাংসদের ভোটের প্রচার বন্ধে পরিপত্র চান মাহবুব তালুকদার ##ভোট পেছাবে কিনা আদালতের দিকে তাকিয়ে ইসি ## ভোটে অনাকাঙিখত ঘটনার দায় নেবে না হিন্দু সম্প্রদায়

ঢাকা ব্যুরো ॥ ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনের প্রচারকাজে মন্ত্রী ও সাংসদদের অংশগ্রহণ বন্ধে পরিপত্র জারির দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। গতকাল সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) দেওয়া এক চিঠিতে এই দাবি করেন। এদিকে, আগামী ৩০ জানুয়ানি সিটি ভোটে অনাকাঙিখত ঘটনার অবতারণা হলে তার দায় নেবে হিন্দু সম্প্রদায়। এছাড়া তাদের দাবির প্রেক্ষিতে ভোটের সময়সূচিতে পরিবর্তন আসবে কি না সেজন্য আদালতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নির্বাচন কমিশন ইসি। আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাংসদেরা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নরুল হুদা। সাংসদেরা নির্বাচন সমন্বয়ের কাজও করতে পারবেন না বলে তিনি জানান। গত শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন। ওই দিনই আওয়ামী লীগের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সিইসি ও কমিশনারদের বৈঠক হয়। তারপর এসব বলেন সিইসি। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা তোফায়েল আহমেদ ও আমির হোসেন আমু সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গতকাল এক চিঠিতে মাহবুব তালুকদার বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে মাননীয় সংসদ সদস্যগণ অংশগ্রহণ করছেন বলে বিগত ৯ জানুয়ারি আমি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলাম। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিয়ে আমার সেই উদ্বেগ বর্তমানে আরও ঘনীভূত হয়েছে। কারণ গত কয়েক দিনে বিধিমালা নিয়ে নানা প্রকার বিভ্রান্ত্রি লক্ষ করা যাচ্ছে। তিনি তার ইউওনোটে আরো বলেন, এ বিষয়ে আচরণ বিধিমালা, ২০১৬ -এর বিধান অত্যন্ত সুষ্পষ্ট। সর্বাধিক দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, এই বিধিমালা যারা প্রণয়ন করেছেন, তারাই এখন এর বিরোধীতা করছেন। আচরণ বিধিমালা সম্পর্কে যাতে কোনো প্রকার বিভ্রান্ত্রির অবকাশ না থাকে, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুষ্পষ্ট নির্দেশনাসহ একটি পরিপত্র জারি করা অত্যাবশ্যক। নইলে এ সকল বিভ্রান্ত্রি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে পরিপালন নিশ্চিত করতে না পারলে নির্বাচন কমিশন আস্থার সংকটে পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঢাকা সিটি ভোট: আদালতের দিকে তাকিয়ে ইসি : পূজার জন্য নির্বাচন পেছানোর দাবি প্রতিক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, এ নিয়ে আদালতে একটি রিট আবেদন হয়েছে। আদালত যে নির্দেশনা দেবে কমিশন সে সিদ্ধান্তই নেবে। নির্বাচন ভবনে সোমবার বিকেলে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ব্যতিত নির্বাচনের তারিখ যে কোনোদিন পরিবর্তনের দাবি জানায় নির্বাচন কমিশনে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নিম চন্দ্র ভৌমিক সাংবাদিকদের বলেন, ভোটের তারিখ পেছানো না হলে বিদেশে কী বার্তা যাবে? এছাড়া যদি কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে তবে তার দায় আড়াই কোটি সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় নেবে না। মো. আলমগীর বলেন, সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ভোটের তারিখ ৩০ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ২৯ জানুয়ারি ঐচ্ছিক ছুটি। ৩১ জানুয়ারি শুক্রবার। আবার ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা। তাই সকল দিক বিবেচনায় নিয়েই ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোটের তারিখ পরিবর্তন না করলে অনাকাংখিত ঘটনার দায় নেবে না সংখ্যালঘু সম্প্রদায় : আসন্ন ঢাকা সিটি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন না হলে যদি কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে, তার দায় নেবে না সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়। বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠঠাতা সাধারণ সম্পাদক নিম চন্দ্র ভৌমিক নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সোমবার বিকেলে এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি সরস্বতি পূজা। পূজার্থীদের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী। তারা ভোট দেবে নাকি পূজা করবে। আর পূজার দিন ভোট হলে তো পূজা করা যাবে না। কেননা, বেশি ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আর পূজা তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই হয়। তাই পূজার দিন যদি ভোট হয়, দেশের বাইরে কী বার্তা যাবে। কেননা, সংখ্যালঘু আড়াই কোটি হিন্দু সম্প্রদায়ের এটা তো ধর্মীয় এবং সাংবিধানিক অধিকার। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দাবি কথা বলেছি। নির্বাচন কমিশন তার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বলেছে। তারা তাদের অবস্থানেই রয়েছে। তাই হতাশ মনে ফিরে যাচ্ছি। কমিশন বলেছে, সরকার যদি পরিবর্তন করে তারা ভোটের পরিবর্তন নিয়ে ভাববে। এছাড়া কোটে রিট আবেদনের শুনানি থেকে মঙ্গলবার নির্দেশনা আসবে। তারপরে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তিনি আরো বলেন, ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ছাড়া যে কোনো দিন ভোট হলে আমাদের আপত্তি নেই। যদি তারিখ পরিবর্তন করা না হয়, আর যদি কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। তবে আড়াই কোটি হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আমরা দায় নেবো না। এ সময় সংখ্যালঘু সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Share
[related_post themes="flat" id="305451"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com