,
সংবাদ শিরোনাম :
» « বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনে সাতক্ষীরায় সম্প্রীতি সংলাপ ॥ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি মানুষের ঘরে ঘরে» « সাতক্ষীরা পুলিশের বিভিন্ন শাখা পরিদর্শন ও কল্যান সভায় ডিআইজি ডঃ মহিদ উদ্দীন» « সাতক্ষীরা সরকারী কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় ও সিটি কলেজ জাতীয়করন করা হবে ইনশাল্লাহ-এমপি রবি» « সাতক্ষীরায় শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বসন্ত উৎসব পালন» « যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দু’জন নিহত ॥ আহত ২০ শিক্ষার্থী» « খুলনায় জনবান্ধব ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সেমিনার» « প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ» « কাদাকাটি টু কাটাখালী সড়কের দুরাবস্থা ॥ দূর করার আকুতি এলাকাবাসীর» « পানিতে ঢাকা পর্যটন শহর ॥ ডুবে আছে রূপের নগরী ভেনিস» « স্ত্রীকে অপহরনে বাধা দেওয়ায় স্বামীকে কুপিয়ে জখম» « প্রতাপনগরের কুটির শিল্প ঐতিহ্য ॥ হরিনের সিং তৈরি মুর্তি মাথা ও মহিষের সিং’র ছড়ি লাঠি বিলুপ্তির পথে

সেনাবাহিনীর শীতকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া প্রত্যক্ষ ॥ সন্ত্রাস ও দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর

এফএনএস: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার মাধ্যমে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং দুর্নীতি মুক্ত করে দেশকে আরো এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে তাঁর সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা করে দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার স্বর্ণদ্বীপ (জাহাইজ্জ্যার চর) এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীতকালীন অনুশীলন-প্রশিক্ষণ উপলক্ষে আয়োজিত প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক, নিরাপদে থাকুক, উন্নত জীবন পাক-সেই লক্ষ্যই আমরা বাস্তবায়ন করছি। প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতাকালে সেনা সদস্যদের কর্তব্য নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেম সম্পর্কে সচেতন করতে এ সময় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীর প্রথম কোর্স সমাপনীতে ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ভাষণের চুম্বক অংশ উদ্বৃত করেন। জাতির পিতা বলেছিলেন, রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা এনেছি, এই স্বাধীনতা নিশ্চয়ই ইনশাআল্লাহ থাকবে, কেউ ধ্বংস করতে পারবেনা। তবে স্বাধীনতা বৃথা হয়ে যাবে যদি বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে না পারো। সেই জন্য তোমাদের কাছে আবেদন রইল সৎ পথে থেকো। জাতির পিতার কন্যা বলেন, জাতির পিতা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে এ কথা বলেছিলেন। তবে, এটা শুধু সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নয়, সমগ্র জাতির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন আয়োজিত এই প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ স্বাগত বক্তৃতা করেন। এরআগে, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীতকালীন প্রশিক্ষণ অনুশীলন (মহড়া) ‘অপারেশন বিজয় গৌরব’ প্রত্যক্ষ করেন। স্বাধীনদেশে স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার গুরু দায়িত্ব সশস্ত্র বাহিনীর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী যেন স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারে এবং বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে পারে সেভাইে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। যার শুভফল ইতোমধ্যেই সকলে পাচ্ছেন। শেখ হাসিনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, বহুদেশে শান্তি স্থাপনে বিশেষ ভূমিকা রাখার পাশপাশি সামাজিক কাজেও যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনী ভূমিকা রাখছে। দেশের অনেক উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত হয়ে সেনা সদস্যরা ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক উন্নয়নের কাজ তাঁদের দিয়ে আমরা করাতে পারছি এবং তারা করে যাচ্ছে। এভাবে দেশের একদিকে যেমন স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অনেক অবদান রেখে যাচ্ছেন আমাদের সেনা সদস্যরা। তিনি সকল সেনা সদস্যকে এজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, অন্যকোন দেশের সৈনিকরা ততটা মানবিকতা দেখায় না, যতটা আমরা বাঙালিরা দেখাতে পারি। কাজেই সেইদিক থেকে আমি মনে করি প্রশিক্ষণ এবং সমরাস্ত্রের দিক থেকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযুক্ত আমাদের সশস্ত্র বাহিনী হবে। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা যথেষ্ট কাজ করেছি এবং উদ্যোগ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ না করে বলেন, শুধু এটুকুই বলবো আমাদের সীমিত সম্পদ দ্বারা যতটুকু সম্ভব তা আমরা করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ রেজিমেন্ট সহ তিনটি পদাতিক বাহিনী আওয়ামী লীগ সরকারই করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দক্ষিণাঞ্চল একসময় অবহেলিত ছিল। সেখানে কোনো সেনানিবাস ছিলনা। সেখানেও আমরা সেনানিবাস করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে যে প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করেন তার আলোকে তাঁর সরকার ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ প্রণয়ন করে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক তত্বাবধানে ৬৬ পদাতিক ডিভিশন এই শীতকালীন প্রশিক্ষণ অনুশীলনের আয়োজন করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর সদস্যরা প্রায় ঘন্টাব্যাপী তিন বাহিনীর সম্মিলিত এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। আধুনিক ট্যাংক, এপিসিএস, মিগ ফাইটার প্লেন এবং তিন সশস্ত্র বাহিনীর এমআই হেলিকপ্টারগুলো অনুশীলনে অংশগ্রহণ করে। যেখানে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং শত্র“ বাহিনীর মধ্যে ছদ্ম যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে মহড়া সমাপ্ত হয়। ২২২ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব শত্র“দের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর বিজয় অর্জনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরে শত্র“ বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বিজয়ে তাঁদের অভিনন্দন জানান। স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধানগণ, প্রধানমন্ত্রীর সচিবগণ এবং উচ্চপদস্থ বে-সামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এরআগে, প্রধানমন্ত্রী সকালে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার উপকূলীয় দ্বীপ স্বর্ণদ্বীপে (পূর্বের নাম জাহাইজ্জার চর) পৌঁছলে সেনা বাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী তাঁকে স্বাগত জানান। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেনান্ট জেনারেল মো. শামসুল হক এবং প্রকৌশল বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান দ্বীপের উন্নয়ন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণদ্বীপে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে নির্মিত ও বাস্তবায়িত তিনটি বহুমুখী সাইক্লোন শেল্টার, পরিকল্পিত বনায়ন প্রকল্প এবং এক মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধন করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তাঁর সরকার সশস্ত্র বাহিনীতে আধুনিক সরঞ্জাম সন্নিবেশিত করে একে আরো যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেয় এবং উন্নয়ন যাত্রায় কোনো প্রতিষ্ঠান যেন পিছিয়ে না থাকে, তারও উদ্যোগ গ্রহণ করে। সশস্ত্র বাহিনীকে তাঁর সরকার আধুনিক জ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তোলার ব্যবস্থা নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সব থেকে বেশি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। কেননা একটি আধুনিক বাহিনী গড়ে তোলায় এটি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই অতীতে জলদস্যু প্রবণ এই দ্বীপটিকে (স্বর্ণদ্বীপ) সেনাবাহিনীর উন্নত প্রশিক্ষণ এবং খোলামেলাভাবে মহড়া করার জন্য ২০১৩ সাল থেকে বরাদ্দ করেছেন এবং এর নামও পরিবর্তন করে দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি চরটির আধুনিকায়নে সেনা সদস্যদের প্রশংসা করে বলেন, জাহাইজ্জার চরকে স্বর্ণদ্বীপে রূপান্তরিত করার জন্য আমি সেনা সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাই এবং এখানে যা যা করণীয় তা করা হচ্ছে। আমরা তা করবো। তিনি বলেন, আমাদের তিন বাহিনীর জন্যই প্রত্যেকটি হেড কোয়ার্টারে আমরা ্একটি করে বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স করে দিয়েছি এবং সেখানে প্রশিক্ষণের আরো সুযোগ করে দিয়েছি। শিক্ষা-দীক্ষা, প্রশিক্ষণ-সবদিক থেকেই আমাদের সশ¯্র বাহিনী আরা উন্নত হোক সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। শেখ হাসিনা বলেন, দেশের উন্নয়নে তাঁর সরকার স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। যার ভিত্তিতে বর্তমানে ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন চলছে এবং ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রথমে আমরা ১০ বছর মেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করেছিলাম সেটা বাস্তবায়ন শেষে ২০ বছর মেয়াদি (২০২১-৪১) প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। শতবর্ষ মেয়াদি ‘ডেল্টা পরিকল্পনা-২১০০’র প্রসংগও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি এ সময় দেশের দারিদ্রের হার ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বছরব্যাপী ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনের সময়ে দারিদ্র্য আরো কমিয়ে আনার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মুজিববর্ষ উদযাপন করছি, সেই অনুষ্ঠান চলাকালে আরো দেড় থেকে দু’ভাগ এবং পরে আরো অন্তত তিনভাগ দারিদ্র্য যদি কমিয়ে আনতে পারি তাহলেই দেশকে আমরা দারিদ্র্য মুক্ত করতে পারবো। সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচিতে সেনা সদস্যদের অবদান তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সকলকে অন্তত একটি ঘর তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের ‘আশ্রায়ন প্রকল্প’ও শুরু হয় সেনা সদস্যদের সহায়তায়। তিনি এ সময় তাঁর সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি, দেশের সকল বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাঠ্য পুস্তক প্রদান, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত ২ কোটি ৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদানের উল্লেখ করেন। সরকার প্রধান বলেন, সমাজের কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে এবং উন্নয়নের সুফলটা যেন একদম গ্রামের তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিত করাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে চলছে বলেই তাঁর সরকার দেশের এত উন্নয়ন করতে পারছে। প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৫ ভাগে উন্নীত করতে পেরেছে। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশও যখন প্রবৃদ্ধি অর্জনে পিছিয়ে পড়ছে, তখনও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

Share
[related_post themes="flat" id="306750"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com