,
সংবাদ শিরোনাম :
» « শ্যামনগরে গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক» « আশাশুনিতে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ» « পাটকেলঘাটায়পটল ও বেগুন গাছ কেটে ক্ষতি সাধন» « সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাবেক ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে জখম, থানায় মামলা» « দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২১৮, মৃত্যু বেড়ে ২০» « বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসির পরোয়ানা জারি» « বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে বৃদ্ধ দম্পতির মৃত্যু» « করোনায় মৃত্যু ৮২ হাজার ছাড়ালো» « সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির খাদ্য সামগ্রী বিতরন» « শ্যামনগর থানা পুলিশের রোল কল, চেকপোস্ট বসানো ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান» « সাড়ে ১৭ লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান ও চাল কিনবে সরকার

ঢাকার দুই সিটিতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অশান্তির চেয়েও ভয়াবহ: সুজন

এফএনএস: ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ‘শান্তিপূর্ণ’ নির্বাচন ‘অশান্তির চেয়েও ভয়াবহ’। দেশে ত্র“টিপূর্ণ নির্বাচন যেন দেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মাঝে যে উদ্বেগ ও আস্থাহীনতা ছিলো নির্বাচনের পর তা কাটিয়ে ওঠাও ইসির পক্ষে সম্ভব হয়নি। গতকাল সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলোনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসক কথা বলা হয়। ‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ীদের তথ্য উপস্থাপন ও মূল্যায়ন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সুজন সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার একাধিক কারণ ছিল। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- ইভিএম নিয়ে সন্দেহ, ইসির প্রতি আস্থাহীনতা, নির্বাচনী মাঠে প্রতিপক্ষের ব্যাপক শোডাউন, একজনের ভোট অন্যজনের দেওয়া এবং অতীতের ভোটারবিহীন নির্বাচন সাধারণ ভোটারদের নিরুৎসাহিত করেছে। আর এর মাধ্যমে যেন ভোটারবিহীন নির্বাচন স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। ঢাকার সিটি নির্বাচন ইসির জন্য অগ্নিপরীক্ষা ছিল। অতীতের ভুল শোধরানোর একটা সুযোগ এসেছিল। কিন্তু সেই আস্থা ফেরানোর প্রমাণ ইসি দিতে পারেনি। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ইভিএম (ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন) নিয়ে আগে থেকেই আলোচনা হচ্ছিল যে, নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা যদি নিরপেক্ষ না হন তবে একজনের ভোট অন্যজন দিয়ে দেবে। যেটি এই নির্বাচনে ঘটেছে। একজনের ভোট অন্যজন দেওয়ার ঘটনা ঘটলেও কোথাও বাঁধা বা পুলিশে সোপর্দের ঘটনা ঘটেনি। তাহলে নির্বাচনে দায়িত্বরতরা কী পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন, প্রশ্ন করেন তিনি। বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রচার আছে এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ। আমরা মনে করি এই শান্তি অশান্তির চেয়েও ভয়াবহ। কেননা ভয়ের সংস্কৃতির কারণে কেউ যদি অন্যায়ের প্রতিবাদ করার সাহস না পায় তবে সেই অন্যায়ের প্রতিকার পাওয়া দুষ্কর। এর আগে দৃশ্যমান কারচুপি হলেও এবার অদৃশ্যমান কারচুপি হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাপক অনিয়মের পরও যদি সেই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়, তবে বুঝতে হবে প্রতিপক্ষ এখানে চরম দুর্বল। মনে রাখতে হবে নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হবে। বিস্তারিত প্রতিবেদন তুলে ধরেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। প্রতিবেদনে বলা হয়, একজনের ভোট আরেকজন দিয়ে দেওয়ার বিষয়টি এই নির্বাচনের বহুল আলোচিত বিষয়। ইভিএম সম্পর্কে আগে থেকেই আলোচনা হচ্ছিল যে, যদি নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ না হন, তবে একজন ভোটারের ভোট আরেকজন দিয়ে দিতে পারে। যেটি এই নির্বাচনে ঘটেছে। দিলীপ কুমার বলেন, এর অর্থ কি এই যে, নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন? ইভিএম ব্যবহারের ক্ষেত্রে দু’জন করে সহায়ক থাকার কথা ছিল। তারা তবে কী করলেন? এই জায়গাটি যদি ঠিক না করা যায় তবে কখনোই আমাদের নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ তথা সুষ্ঠু করা যাবে না। ৯৪ শতাংশ মানুষ বলছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি: সুজনের পক্ষ থেকে করা ফেসবুক জরিপে জানা গেছে, ৯৪ শতাংশ জনগণ বলছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। এই বিষয়ে সুজন বলছে, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন কেমন হলো, তা জানতে নির্বাচনের পর সুজনের ফেসবুক পেজে একটি অনলাইন ভোটের ব্যবস্থা করা হয়। এতে চার হাজার ৩০০ জন মানুষ অংশ নেয়। যারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাদের ৯৪ শতাংশ বলছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। যদিও অনলাইন ভোট বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নয়, এটি জনসাধারণের ধারণার অনেকটা ইঙ্গিত বহন করে। দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন বিশ্লেষকের মতামত এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে যেসব বিষয় উঠে এসেছে তার সঙ্গে বেশি দ্বিমতের কোনও সুযোগ নেই। স্বল্প ভোটার উপস্থিতি বিষয়ে সুজন বলেছে, এই নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল স্বল্প ভোটারের উপস্থিতি। আমরা মনে করি, ভোটারের উপস্থিতি কম হওয়ার কারণগুলো হলো- নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর ভোটারদের আস্থা না থাকা। অর্থাৎ ভোট সুষ্ঠু হবে না এ ধরনের পূর্ব ধারণা। এ ছাড়া ইভিএম সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচার ও ইভিএম’র ওপর আস্থা না থাকা, দলগুলোর পাল্টাপাল্টি হুমকির কারণে শঙ্কিত হয়ে ভোটারদের কেন্দ্রবিমুখ হওয়া, পাড়া-মহল্লা ও ভোটকেন্দ্র পাহারা এবং ভোটকেন্দ্রের বাইরে সরকারদলীয় কর্মী-সমর্থকদের জটলা ও মহড়া, আঙুলের ছাপ না মেলায় কিছুকিছু ভোটার ভোট না দিয়েই ফিরে যাওয়া, একজনের ভোট আরেকজন দিয়ে দেওয়ার বিষয়টি প্রচার হওয়া, ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে না গেলেও তাদের প্রার্থী জয়ী হবেই এমন ধারণায় বদ্ধমূল থাকা, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে শঙ্কা ও ‘তাদের প্রার্থী জিততে পারবে না’ এমন ধারণা সৃষ্টি হওয়া। তাছাড়া যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকা ও একসঙ্গে দুই দিন ছুটি থাকাও ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার অন্যতম কারণ। নির্বাচনের মাঠে অনিয়ম নিয়ে বিএনপির প্রতিবাদ ছিল না: বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর, বার বার তারা ভোটারকে জানান দিয়েছে যে, বিএনপি মাঠ ছাড়বে না। তারা ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার কথা বলেছে। ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি তারা অনিয়মের অভিযোগও করেছে। কিন্তু কোথাও অনিয়মের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদী হতে দেখা যায়নি। তাদের মনে রাখতে হবে, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাতেই একটি রাজনৈতিক দলকে জনগণের মধ্যে অবস্থান তৈরি করে নিতে হয়। সুজনের সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, এই নির্বাচনে কমিশনের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ ছিল। কিন্তু এই সুযোগ কাজে লাগাতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। এটি স্পষ্ট যে, সামগ্রিকভাবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন ছিল ‘নিয়ন্ত্রিত’ নির্বাচন। তবে অতীতের তুলনায় নিয়ন্ত্রণের ধরন ছিল কিছুটা ভিন্ন। বেশি ভোট পড়া কোনও কেন্দ্রে জিতেনি তাবিথ-ইশরাক: বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬১-৭০ শতাংশ ভোট পড়া কেন্দ্রগুলোর মধ্যে আতিক ২৩টি কেন্দ্রে জিতেছেন যেখানে তাবিথ কোনও কেন্দ্রে জিতেনি। অন্যদিকে তাপস ৭টি কেন্দ্রে জিতেছেন এবং ইশরাক একটি কেন্দ্রেও জিতেননি। ৭১-৮০ শতাংশ ভোট পড়া কেন্দ্রগুলোতে আতিক জয়লাভ করেছেন ৬টিতে ও তাপস জিতেছেন ৭টি কেন্দ্রে। অন্যদিকে তাবিথ ও ইশরাক একটি কেন্দ্রেও জিতেননি। নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার। দুই সিটির বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ৮০ শতাংশের (৮০.৭৮) বেশি বিজয়ী ব্যবসায়ী। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের সংখ্যা বাড়ছে। সম্পদশালী ব্যক্তিরা বেশি হারে নির্বাচিত হচ্ছেন। অন্যদিকে স্বল্প শিক্ষিতের হার বাড়ছে, যা রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এই নির্বাচন কমিশনের জন্য অগ্নিপরীক্ষা ছিল। তারা এই পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। অনেকগুলো অভিযোগ এসেছে এগুলা তদন্ত হওয়া দরকার। প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, উত্তর সিটিতে ব্যবসা পেশার দিক থেকে দলগতভাবে এগিয়ে আছে আওয়ামী লীগ। উত্তরের সব জনপ্রতিনিধিদের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, উত্তরের ৭৩ বিজয়ীর মধ্যে ৮৬ দশমিক ৩০ শতাংশ (৬৩ জন) ব্যবসায়ী। ২০১৫ সালে বিজয়ী জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যবসায়ীর হার ছিল ৬৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, ২০১৫ সালের তুলনায় ব্যবসায়ীদের নির্বাচিত হওয়ার হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের যুক্ত হওয়ার প্রবণতাই কেবল বৃদ্ধি পাচ্ছে না, প্রতিদ্বন্দ্বিতার তুলনায় নির্বাচিত হওয়ার হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রবণতাকে নির্বাচনে অর্থবিত্তের প্রভাবের প্রতিফলন বলেই মনে করা যেতে পারে। আমরা আগেই বলেছি, এই প্রবণতা জনপ্রতিনিধিদের জনসেবামূলক ভূমিকার পরিবর্তে বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিমূলক প্রবণতার প্রসার ঘটাতে পারে। এটা বিরাজনীতিকরণের ধারা শক্তিশালী হওয়ারও একটা লক্ষণ। আসলে রাজনীতিই ধীরে ধীরে ব্যবসায় পরিণত হচ্ছে কি না, এ প্রশ্ন করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। এ দিকে ঢাকা দক্ষিণের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ব্যবসা পেশার দিক থেকে দলগতভাবে এগিয়ে আছে আওয়ামী লীগের বিজয়ীরা। দক্ষিণের ১০১ জন বিজয়ীর মধ্যে ৭৫ দশমিক ২৫ ভাগ (৭৬ জন) ব্যবসায়ী। ২০১৫ সালে বিজয়ীদের মধ্যে ব্যবসায়ীর হার ছিল ৮০ দশমিক ২৬ ভাগ। অর্থাৎ, পেশার ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতার তুলনায় ব্যবসায়ীদের নির্বাচিত হওয়ার হার বেশি হলেও অতীতের (২০১৫ সাল) তুলনায় কমেছে। তার পরেও ঢাকা দক্ষিণের নির্বাচিতদের তিন চতুর্থাংশই ব্যবসায়ী। ঢাকা উত্তর সিটিতে বিজয়ীদের মধ্যে উচ্চ শিক্ষার দিক থেকে দলগতভাবে আওয়ামী লীগ এবং স্বল্প শিক্ষিতের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। উচ্চমাধ্যমিকবিদ্যালয়ের গন্ডি অতিক্রম করতে না পারার দিক থেকেও এগিয়ে বিএনপি। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে বিজয়ীদের মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও স্বল্প শিক্ষা উভয় দিক থেকেই দলগতভাবে বিএনপি এগিয়ে আছে। তবে উচ্চমাধ্যমিকবিদ্যালয়ের গন্ডি অতিক্রম না করতে পারার দিক থেকে এগিয়ে আছে আওয়ামী লীগ। মামলা ঢাকা উত্তরে দলগতভাবে বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে বিএনপি এবং অতীত মামলার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। আর দক্ষিণে বর্তমান মামলা ও অতীত মামলা উভয় ক্ষেত্রেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। প্রার্থী ও নির্ভরশীলদের বাৎসরিক আয় সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা উত্তরে দলগতভাবে স্বল্প আয়ের দিক থেকে বিএনপি এবং অধিক আয়ের দিক থেকে আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে। আর দক্ষিণে দলগতভাবে স্বল্প ও অধিক আয়ের দিক থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। প্রার্থী ও নির্ভরশীলদের সম্পদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঢাকা উত্তরে দলগতভাবে স্বল্প সম্পদের দিক থেকে বিএনপি এবং অধিক সম্পদের দিক থেকে আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে। আর দক্ষিণে দলগতভাবে স্বল্প সম্পদের দিক থেকে আওয়ামী লীগ এবং অধিক সম্পদের দিক থেকে বিএনপি এগিয়ে আছে। দায়-দেনা ও ঋণ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঢাকা উত্তরে দলগতভাবে ঋণগ্রহণে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা এগিয়ে আছে। বিএনপি থেকে বিজয়ীদের কারও ঋণ নেই। আর দক্ষিণে দলগতভাবে ঋণগ্রহণে সংখ্যাগত দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও শতকরা হারে বিএনপি এগিয়ে আছে। কর সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা উত্তরে দলগতভাবে কর প্রদানের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে। আর দক্ষিণেও দলগতভাবে কর প্রদানে আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে।

Share
[related_post themes="flat" id="310108"]

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ॥ জিএম নুর ইসলাম, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, যশোর রোড, সাতক্ষীরা, ফোন ও ফ্যাক্স ॥ ০৪৭১-৬৩০৮০, ০৪৭১-৬৩১১৮
নিউজ ডেস্ক ॥ ০৪৭১-৬৪৩৯১, বিজ্ঞাপন ॥ ০১৫৫৮৫৫২৮৫০ ই-মেইল ॥ driste4391@yahoo.com