1. admin@dainikdrishtipat.com : admin :
  2. driste4391@yahoo.com : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্যামনগরে শিক্ষিকা জেসমিন নাহার এর অকাল মৃত্যু জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ॥ অনির্দিষ্টকালের জন্য মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ রাখা যাবে না হকারদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ আশাশুনিতে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ করলের জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাঝে ঈদ উপসার বিতরণ সোমবার ঈদুল ফিতর ঢাকা থেকে পালিয়ে আসা করোনা পজিটিভ আশাশুনির নিলুফা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ কাশিমাড়ী খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে দুই উপজেলার ১২ গ্রাম প্লাবিত, কাজের কোনো অগ্রগতি নেই! সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ

টিসিবির সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন যশোরে মধ্যবিত্ত মানুষ

দৈনিক দৃষ্টিপাত ডেস্ক ::
  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০১৯
  • ১ বার পড়া হয়েছে

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের আট উপজেলায় টিসিবির ৭২ জন ডিলার থাকলেও এখনও পর্যন্ত মাত্র সাত জন পণ্য উত্তোলন করেছেন। এদের মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় চারজন এবং কেশবপুর, বাঘারপাড়া ও অভয়নগরে একজন করে রয়েছেন। বাকি মণিরামপুর, শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলায় কোন ডিলারই এখনো পণ্য উত্তোলন করেননি। ফলে সরকারের দেয়া টিসিবির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এসব উপজেলার মানুষ। তবে টিসিবি কর্মকর্তারা বরাবরের মতো বলছেন, পণ্য না তুললে নিবন্ধন বাতিল করা হবে। গত কয়েক বছর ধরে তারা একই কথা বলে আসছেন। যদিও টিসিবির তালিকায় থাকায় ডিলারদের অধিকাংশেরই মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। চলতি বছর টিসিবির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে চিনি ৪৭ টাকা, মসুর ডাল ৪৪টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, সয়াবিল তেল ৮৫ টাকা এবং খেজুর ১৩৫টাকা করে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি ডিলাররা পণ্য বিক্রি করছেন। কিন্তু যশোরে ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত’ ডিলার থাকলেও তাদের অধিকাংশই এখনো পণ্য উত্তোলন করেনি। খুলনা টিসিবি সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর যশোর সদর উপজেলায় আদি ইন্টারপ্রাইজ, মাহফুজ ট্রেডিং, লোকনাথ ভান্ডার ও ইমন এন্টারপ্রাইজ নামে চারটি প্রতিষ্ঠান টিসিবির পণ্য উত্তোলন করেছে। এছাড়া কেশবপুরের বারী এন্টারপ্রাইজ, বাঘারপাড়ার ভূঁইয়া ইন্টারপ্রাইজ এবং অভয়নগরের এসএমসি ট্রেডার্স পণ্য উত্তোলন করেছে। এদের মধ্যে যশোরের আদি ইন্টারপ্রাইজ ও মাহফুজ ট্রেডিং ট্রাকে করে যশোর শহরে টিসিবির পণ্য বিক্রি করছে। তারা প্রত্যেকে প্রতিদিন ৫০০ কেজি চিনি, ৪০০ কেজি ছোলা, ৭০০ লিটার সয়াবিন তেল, ৩০০ কেজি মসুর ডাল এবং ৫০০ কেজি খেজুর বিক্রি করছে। অন্যরা এক হাজার কেজি চিনি, এক হাজার লিটার সয়াবিন তেল, ৫০০ কেজি ছোলা এবং ৪০০ কেজি করে মসুর ডাল উত্তোলন করেছে। টিসিবি কর্মকর্তারা বলছেন, গত ২৩ এপ্রিল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩ জুন পর্যন্ত। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক জেলা শহরে চারটি এবং উপজেলা শহরে তিনটি করে ডিলার থাকার কথা। সেই অনুযায়ী যশোরে ২৫ জন ডিলার দরকার। কিন্তু যশোরে রয়েছে তার চেয়ে বেশি ৭২ জন। তবে বেশি থাকলেও তাদের অধিকাংশ এখনো পণ্য উত্তোলন করেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য উত্তোলন না করা প্রতিষ্ঠানের ডিলারশিপ এবার বাতিল করা হবে। টিসিবির খুলনার আঞ্চলিক কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী (অফিন প্রধান) রবিউল মোর্শেদ বলেন, যশোর শহরে ট্রাকে করে দুইজন ডিলার প্রতিদিন এক হাজার কেজি খেজুর, ৬০০ কেজি মসুর ডাল, এক হাজার কেজি চিনি, ৮০০ কেজি ছোলা এবং ৮০০ লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি করছে। তারা প্রত্যেকে তিনদিন পর পর তাদের বরাদ্দকৃত পণ্য নিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া কেশবপুর, বাঘারপাড়া এবং অভয়নগরে একজন করে ডিলার তাদের বরাদ্দকৃত পণ্য উত্তোলন করেছে। আর যারা লাইসেন্সধারী রয়েছে কিন্তু পণ্য উত্তোলন করেনি তাদের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41