1. admin@dainikdrishtipat.com : admin :
  2. driste4391@yahoo.com : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্যামনগরে শিক্ষিকা জেসমিন নাহার এর অকাল মৃত্যু জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ॥ অনির্দিষ্টকালের জন্য মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ রাখা যাবে না হকারদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ আশাশুনিতে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ করলের জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাঝে ঈদ উপসার বিতরণ সোমবার ঈদুল ফিতর ঢাকা থেকে পালিয়ে আসা করোনা পজিটিভ আশাশুনির নিলুফা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ কাশিমাড়ী খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে দুই উপজেলার ১২ গ্রাম প্লাবিত, কাজের কোনো অগ্রগতি নেই! সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ

মাহে রমজানের সওগাত

দৈনিক দৃষ্টিপাত ডেস্ক ::
  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০১৯
  • ১ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস : মাহে রমজানের আজ নবম দিবস। সিয়াম সাধনা বা রোজা পালনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হচ্ছে বাক-সংযম বা কথা কম বলা। ইসলামে মানুষের মুখের কথার গুরুত্ব অনেক বেশি। জিহবা হচ্ছে কথা বলার বাহন বা মাধ্যম। তাই জিহ্বাকে সংযত করা জরুরি। বিশেষ করে সিয়াম পালন বা রোজা অবস্থায় জিহ্বার সংযম অতীব গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কুরআন মজিদে আল্লাহ সুবহানুতায়ালা বলেছেন, কোন কথা উচ্চারণ করার সাথে সাথে অপেক্ষমাণ পর্যবেক্ষক তা রেকর্ড করে থাকেন (সুরা কাফÑ১৮)। অর্থাৎ মানুষের উচ্চারিত সকল শব্দের তদারক করা হয়। এরও হিসেব দিতে হবে। তাই সর্বদা কথা বলার সময় বিবেচনা করতে হবে এবং ভাল কথা ছাড়া খারাপ কথা বলা যাবেনা। পবিত্র কুরআনে অপ্রয়োজনীয় কথা পরিহার করাকে মুমিনের বিশেষ গুণ বলে উল্লেখ করে আল্লাহ বলেন, তারাই মুমিন যারা বেহুদা কথা থেকে বিরত থাকে। (সুরা আল মুমিনুনÑ৩)। মহানবী সা. দুই ঠোঁট ও জিহবার হেফাজতকারীকে বেহেশতের নিশ্চয়তা দিয়েছেন। জিহবা হচ্ছে শয়তানের অন্যতম বড় হাতিয়ার। জিহবার কারণে মানুষ কষ্ট পায়। তাই আল্লাহর রসুল বলেছেন, সেই ব্যক্তি মুসলমান যার জিহবা ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে। প্রবাদ আছে অন্য সব আঘাতের ঘা শুকিয়ে যায়, কিন্তুু জিহবর আঘাতের ঘা শুকায় না, দগ দগ করে। তাই জিহবার ব্যাপারে সংযম ও সতর্কতা মাহে রমজানের সিয়াম পালনের অন্যতম শিক্ষা। কারণ কথা কম বললে ভুল কম হবে এবং অপরাধ বাড়বে না। তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের উপর ঈমান রাখে সে যেন কথা বললে ভাল কথা বলে অন্যথায় চুপ থাকে। তিনি আরও বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ ত্যাগ করলো না তার খানাপিনা বন্ধ রাখাতে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নাই। কেবল খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকার নামই রোজা নয়। রোজা হচ্ছে বেহুদা কথা ও গুনাহর কাজ থেকে বিরত থাকা। আল্লাহর রসুল রোজাকে জিহ্বার অনিষ্ট থেকে বিশুদ্ধ রাখার পদ্ধতিও বাতলে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমাদের কেউ রোজা রাখলে সে যেন গুনাহ, অজ্ঞতা ও জাহেলিয়াতের কাজ না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় কিংবা ঝগড়া করতে আসে, সে যেন বলে দেয়, আমি রোজা রেখেছি, আমি রোজাদার। হাদীসে বর্ণিত এই পদ্ধতিই জিহ্বার অপরাধ থেকে বাঁচার উত্তম উপায়। কেউ রোজাদারকে ঝগড়া ফাঁসাদে জড়াতে চাইলে সে জড়িয়ে যাবেন না, এড়িয়ে যাবে। যে ব্যক্তি জিহবার লাগাম খুলে দেয় তার রোজা কিভাবে হয় ? যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে ও কথার মাধ্যমে ধোকা দেয় তার রোজার অর্থ কি দাঁড়ায়। যে ব্যক্তি পরনিন্দা করে, গালি দেয়, অন্যকে কষ্ট দেয় তার রোজার ফলাফল কি হবে ? রোজার উদ্দেশ্য হচ্ছে আদব, শিষ্টাচার ও সংযম শিক্ষা করা ও তার প্রয়োগ করা। তাই রোজাদার সর্বদা ভাল কথা, কুরআন তিলাওয়াত, তাওবা, তাসবিহ ও আল্লাহর পথে দাওয়াত দানের কাজে ব্যস্ত থাকবে এবং আল্লাহর রহমতের আদ্রঁতায় ভিজা থাকবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41