1. admin@dainikdrishtipat.com : admin :
  2. driste4391@yahoo.com : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২০, ০৯:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ত্যাগ, মানবতা, ঐক্য আর সৃষ্টিশীলতার প্রতিমুখ ॥ পরপারে খাদেম সাহেব ॥ আমাদের শোক গাঁথা ॥ আমাদের হারানোর বেদনা ঘরে ঘরে করোনা: কেউ বলছে ॥ কেউ চুপ ॥ রোগের নতুন উপসর্গ সর্দি-জ্বর ঘোনায় ভবন নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন এমপি রবি সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্তদের সেবা প্রদানের জন্য প্লাজমা ব্যাংক উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান সাতক্ষীরায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মী সহ আরো ৩১ জনের করোনা পজেটিভ ॥ মেডিকেলে উপসর্গ নিয়ে এক স্বাস্থ্যকর্মী মৃত্যু স্বাস্থ্যকর্মী ছেলের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে মায়ের মৃত্যু ট্রাকের ধাক্কায় এক ভাটা শ্রমিক নিহত দৈনিক দৃষ্টিপাত পরিবারের শোক ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রদান করলেন বাবু জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির শোক

কলারোয়ায় ৭৭ বছর বয়সী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক বৃদ্ধার আজও বয়স্ক ভাতার কার্ড মেলেনি

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৭৭ বছর বয়সী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক বৃদ্ধার আজও বয়স্ক ভাতার কার্ড মেলেনি। নাম তার রুপিয়া খাতুন। উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি। জাতীয় ন্যাশনাল আইডি কার্ড অনুযায়ী বয়স তার ৭৭ পেরিয়ে গেছে। স্বামী মারা গেছেন প্রায় ২৫ বছর আগে। তার দুই ছেলেও মারা গেছে অনেক আগে। চোখে দেখতে পান না প্রায়, কানেও শোনে না। এতোগুলো সমস্যাও থাকা সত্ত্বেও আজও একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড দেয়া হয়নি তার নামে। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও অসহায় জীবন-যাপন করছে রুপিয়া খাতুন। বর্তমানে তিনি ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না। ভুগছেন বার্ধক্যজনিত নানাবিধ রোগে। বর্তমানে তিনি তার মৃত ছেলেদের স্ত্রী ও নাতীদের সাথে থাকছেন । নাতীরা চাষাবাদ করে সংসার চালান। কোন রকমে দিন চলে তাদের। এরই মধ্যে দাদির ওষুধ কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে তাদের। বৃদ্ধা রুপিয়া খাতুনের নাতী জেয়নাল আবেদিন জানান, দাদির অনেক বয়স হয়েছে। সবসময়ই নানারকম রোগে-শোকে ভোগছেন। তার জন্য ওষুধ কেনা লাগে প্রায় সময়। আবার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু খেতে চান কিন্তু অর্থাভাবে সব সময় কিনে দিতে পারিনা। এজন্য খুব খারাপ লাগে আমাদের। তার যদি একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড থাকতো তাহলে তার ওষুধ কেনাসহ বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করতে পারতাম। রুপিয়া খাতুনের পুত্রবধূ রাহিলা খাতুন জানান, ২৫ বছর আগে আমার শ^শুর মারা গেছেন। কিন্তু আমার শাশুড়ি বয়স্ক ভাতা কার্ড তো দুরের কথা আজও পর্যন্ত একটা বিধবা ভাতার কার্ড পাননি। আমরা কয়েকবার ছবি দিয়েছিলাম কিন্তু মেম্বর-চেয়ারম্যান কার্ড দেননি। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কাশেমের কাছে জানতে চাইলে তিনি দায়সারা কথা বলেন। তিনি বলেন, আসলে এতোদিন উনার আইডি কার্ড আমরা হাতে পায়নি। তাই ভাতার কার্ড করে দিতে পারেনি। মূলত তার আইডি কার্ড হারিয়ে গিয়েছিলো এজন্য কার্ড করা সম্ভব হয়নি। তবে নতুন করে সে স্মার্ট কার্ড পেয়েছে এবং আমি তার স্মার্ট কার্ডের ফটোকপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি। এবার কার্ড হবে তার। এ ব্যাপারে কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল জানান, সম্প্রতি আমি তার আইডি কার্ডের কপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেয়েছি। এবার নতুন কার্ড আসলেই তার কার্ড হয়ে যাবে।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41