1. admin@dainikdrishtipat.com : admin :
  2. driste4391@yahoo.com : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ জনকে গুলি করে হত্যা ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ সংস্কারে মতবিনিময় করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী করোনা আর আম্ফানের ছোবল ঃ ভাল নেই উপকুলের মানুষ : স্বাস্থ্য বিধি না মানার প্রতিযোগীতা উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধ হবে, সেনাবাহিনী দ্রুত কাজ শুরু করবে -পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক ১৫ জুন পর্যন্ত যে ১৫ শর্ত মানতে হবে আশাশুনিতে পাউবো’র বেড়ীবাঁধ পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ত্রাণ বঞ্চিত কাশিমাড়ী বাসী, স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে বাধ নির্মানের কাজ কালিগঞ্জে ৪৮ মে. টন অবৈধ গম উদ্ধার ॥ তিনজন গ্রেফতার প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বাবুর উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কার্যক্রম শুরু ঈদ আনন্দ, করোনা ভাইরাস এবং বাস্তবতা

নি¤œ আদালতে ঝুলে আছে লাখ লাখ মাদক মামলা

দৈনিক দৃষ্টিপাত ডেস্ক ::
  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৯
  • ০ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস : সারাদেশের নি¤œ আদালতে লাখ লাখ মাদক মামলা ঝুলে আছে। মামলা নিষ্পত্তিতে ধীরগতির কারণে মামলার জট সৃষ্টি পাশাপাশি জামিন না পাওয়ায় কারাগারগুলোয় বন্দির ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আবার মাদক মামলার আসামিরা জামিন নিয়ে বেরিয়ে পুরনো ব্যবসায়ই নিজেকে আবার যুক্ত করছে। ফলে বিফলে যাচ্ছে মাদক নির্মূলের সরকারের মূল উদ্দেশ্য। তাছাড়া মামলার অন্য সাক্ষীরাও সাক্ষ্য দিতে প্রায় ক্ষেত্রেই উদাসীন থাকেন। ফলে মামলায় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। আদালত সংশি−ষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশি−ষ্ট সূত্র মতে, বর্তমানে শুধুমাত্র ঢাকা জেলাতেই ২৫ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আইনজীবীদের মতে মামলার চার্জশীট প্রদানে বিলম্ব, সাক্ষীর অনুপস্থিতি, বিচারক সঙ্কট, সরকারি কৌঁসুলিদের ব্যক্তিগত মামলার প্রতি ঝোঁক ইত্যাদি নানা কারণে মাদক মামলার বিচার কাজ ঝুঁলে আছে। এতোদিন মাদক মামলায় বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন না হওয়ায় বিচারকাজ বন্ধ ছিল। তবে হাইকোর্টের আদেশের ফলে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি অবশ্য কমেছে। শুরু হয়েছে বিচারকাজ। হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল না হওয়া পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫(২) ধারা অনুযায়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মাদকের মামলা চলবে। বর্তমানে মাদকবিরোধী অভিযানের ফলে দিন দিন মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। দেশে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। চালানো হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান। ইতোমধ্যে বেশ কিছু মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে। মাদক মামলায় যারা গ্রেফতার হয়েছে বা যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এমন অনেক মাদক কারবারি বন্দুকযুদ্ধে মারাও গেছে। সূত্র জানায়, বিগত ২০১৮ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ সংশোধনের পর ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় এক বছর ধরে বিচার কাজ বন্ধ ছিল। ওই প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এক আদেশে বলে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ’১৮-এর ৪৪(১) ধারা অনুসারে ট্রাইব্যুনাল না হওয়া পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫(২) ধারা অনুযায়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মাদকের মামলা চলবে। হাইকোর্টের আদেশের ফলে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমেছে। গত ৩০ জুন পর্যন্ত সারাদেশের আদালতে বিচারাধীন ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ২৪২ মামলা। তার মধ্যে ৫ বছরের বেশি সময় বিচারাধীন রয়েছে ৩১ হাজার ১৫৩টি মামলা। জুনের পর গত দুই মাসে সারাদেশে আরো কয়েক হাজার মাদক মামলা দায়ের হয়েছে। বিচার না চলায় ক্রমেই বাড়ছে এ মাদক মামলার স্তূপ। সবচেয়ে বেশি মাদক মামলা রয়েছে ঢাকা জেলায়। এ জেলায় বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২৫ হাজার ৫৫৬টি। সূত্র আরো জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৪(১) ধারায় বলা হয়েছে, এ আইনের উদ্দেশপূরণকল্পে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রয়োজনীয় সংখ্যক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করতে পারবে। (৪) উপ-ধারায় বলা হয়েছে, এ ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সংশি−ষ্ট জেলার যে কোন অতিরিক্ত জেলা জজ বা দায়রা জজকে তাহার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব প্রদান করতে পারবে। গত ৮ জুলাই হাইকোর্ট মাদক মামলার এক আসামির জামিনের শুনানিকালে ট্রাইব্যুনাল স্থাপন ও গেজেট জারি না করার বিষয়টি লক্ষ্য করে। ওই দিনই আদালত এ বিষয়ে আইন সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে ব্যাখ্যা তলব করে। এরপর বিষয়টি শুনানির জন্য উঠলে ট্রাইব্যুনাল স্থাপন এবং গেজেট প্রকাশ না করায় ২৫ আগস্ট ক্ষোভ প্রকাশ করে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষকে ১৩ অক্টোবরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের অগ্রগতি জানাতে নির্দেশ দেয়। আদালত বলে, গেজেট না হওয়া দুঃখজনক, দুর্ভাগ্যজনক। এদিকে হাইকোর্টের সংশি−ষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পি ওই দিন সাংবাদিকদের জানান, এখনো গেজেট হয়নি। গেজেট না হওয়ায় মার্চের পর থেকে বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। এ্যাটর্নি জেনারেল বিষয়টি নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। একটা খসড়ার কথা শোনা যাচ্ছে। তবে আমাদের এখনো কিছু জানানো হয়নি। জানালে আমরা আদালতকে এ বিষয়ে অবহিত করব। জুনের পর গত দুই মাসে সারাদেশে আরো কয়েক হাজার মাদক মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়া বিচার না চলায় ক্রমেই বাড়ছে মাদক মামলার স্তূপ। অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান, মাদক মামলার বিচারে ট্রাইব্যুনাল হয়নি। আদালত এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে আইনমন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। আইনমন্ত্রী জানান, শীঘ্রই পদক্ষেপ নেয়া হবে। আদালত বলেছে, মাদক আইনের ৪৪(১) ধারা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল না হওয়া পর্যন্ত ফৌজাদারি কার্যবিধির ৫(২) ধারা অনুযায়ী অন্যান্য আইনের বিচারের বিধান অনুযায়ী হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41