1. admin@dainikdrishtipat.com : admin :
  2. driste4391@yahoo.com : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্থ সাতক্ষীরা : শহরে সড়কে, গ্রামে সর্বত্রই পানি: উৎপাদন, জনজীবন এবং স্বাস্থ্য হুমকির মুখে সাতক্ষীরায় আরো ২০ জন করোনা আক্রান্ত ॥ মোট সনাক্ত ৭৯২ জন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে আসছে মেগা প্রকল্প ৭২ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির পূর্বাভাস আশাশুনিতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপন শোভনালীর শালখালীতে ভেঙ্গে যাওয়া কালভার্ট নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা বাংলাদেশের শিল্প ও বৈদেশিক বাণিজ্য ধুলিহর আ’লীগের উদ্যোগে ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী পালন

মন্ত্রী-সাংসদের ভোটের প্রচার বন্ধে পরিপত্র চান মাহবুব তালুকদার ##ভোট পেছাবে কিনা আদালতের দিকে তাকিয়ে ইসি ## ভোটে অনাকাঙিখত ঘটনার দায় নেবে না হিন্দু সম্প্রদায়

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২০

ঢাকা ব্যুরো ॥ ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনের প্রচারকাজে মন্ত্রী ও সাংসদদের অংশগ্রহণ বন্ধে পরিপত্র জারির দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। গতকাল সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) দেওয়া এক চিঠিতে এই দাবি করেন। এদিকে, আগামী ৩০ জানুয়ানি সিটি ভোটে অনাকাঙিখত ঘটনার অবতারণা হলে তার দায় নেবে হিন্দু সম্প্রদায়। এছাড়া তাদের দাবির প্রেক্ষিতে ভোটের সময়সূচিতে পরিবর্তন আসবে কি না সেজন্য আদালতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নির্বাচন কমিশন ইসি। আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাংসদেরা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নরুল হুদা। সাংসদেরা নির্বাচন সমন্বয়ের কাজও করতে পারবেন না বলে তিনি জানান। গত শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন। ওই দিনই আওয়ামী লীগের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সিইসি ও কমিশনারদের বৈঠক হয়। তারপর এসব বলেন সিইসি। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা তোফায়েল আহমেদ ও আমির হোসেন আমু সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গতকাল এক চিঠিতে মাহবুব তালুকদার বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে মাননীয় সংসদ সদস্যগণ অংশগ্রহণ করছেন বলে বিগত ৯ জানুয়ারি আমি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলাম। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিয়ে আমার সেই উদ্বেগ বর্তমানে আরও ঘনীভূত হয়েছে। কারণ গত কয়েক দিনে বিধিমালা নিয়ে নানা প্রকার বিভ্রান্ত্রি লক্ষ করা যাচ্ছে। তিনি তার ইউওনোটে আরো বলেন, এ বিষয়ে আচরণ বিধিমালা, ২০১৬ -এর বিধান অত্যন্ত সুষ্পষ্ট। সর্বাধিক দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, এই বিধিমালা যারা প্রণয়ন করেছেন, তারাই এখন এর বিরোধীতা করছেন। আচরণ বিধিমালা সম্পর্কে যাতে কোনো প্রকার বিভ্রান্ত্রির অবকাশ না থাকে, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুষ্পষ্ট নির্দেশনাসহ একটি পরিপত্র জারি করা অত্যাবশ্যক। নইলে এ সকল বিভ্রান্ত্রি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে পরিপালন নিশ্চিত করতে না পারলে নির্বাচন কমিশন আস্থার সংকটে পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঢাকা সিটি ভোট: আদালতের দিকে তাকিয়ে ইসি : পূজার জন্য নির্বাচন পেছানোর দাবি প্রতিক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, এ নিয়ে আদালতে একটি রিট আবেদন হয়েছে। আদালত যে নির্দেশনা দেবে কমিশন সে সিদ্ধান্তই নেবে। নির্বাচন ভবনে সোমবার বিকেলে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ব্যতিত নির্বাচনের তারিখ যে কোনোদিন পরিবর্তনের দাবি জানায় নির্বাচন কমিশনে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নিম চন্দ্র ভৌমিক সাংবাদিকদের বলেন, ভোটের তারিখ পেছানো না হলে বিদেশে কী বার্তা যাবে? এছাড়া যদি কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে তবে তার দায় আড়াই কোটি সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় নেবে না। মো. আলমগীর বলেন, সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ভোটের তারিখ ৩০ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ২৯ জানুয়ারি ঐচ্ছিক ছুটি। ৩১ জানুয়ারি শুক্রবার। আবার ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা। তাই সকল দিক বিবেচনায় নিয়েই ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোটের তারিখ পরিবর্তন না করলে অনাকাংখিত ঘটনার দায় নেবে না সংখ্যালঘু সম্প্রদায় : আসন্ন ঢাকা সিটি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন না হলে যদি কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে, তার দায় নেবে না সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়। বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠঠাতা সাধারণ সম্পাদক নিম চন্দ্র ভৌমিক নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সোমবার বিকেলে এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি সরস্বতি পূজা। পূজার্থীদের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী। তারা ভোট দেবে নাকি পূজা করবে। আর পূজার দিন ভোট হলে তো পূজা করা যাবে না। কেননা, বেশি ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আর পূজা তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই হয়। তাই পূজার দিন যদি ভোট হয়, দেশের বাইরে কী বার্তা যাবে। কেননা, সংখ্যালঘু আড়াই কোটি হিন্দু সম্প্রদায়ের এটা তো ধর্মীয় এবং সাংবিধানিক অধিকার। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দাবি কথা বলেছি। নির্বাচন কমিশন তার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বলেছে। তারা তাদের অবস্থানেই রয়েছে। তাই হতাশ মনে ফিরে যাচ্ছি। কমিশন বলেছে, সরকার যদি পরিবর্তন করে তারা ভোটের পরিবর্তন নিয়ে ভাববে। এছাড়া কোটে রিট আবেদনের শুনানি থেকে মঙ্গলবার নির্দেশনা আসবে। তারপরে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তিনি আরো বলেন, ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ছাড়া যে কোনো দিন ভোট হলে আমাদের আপত্তি নেই। যদি তারিখ পরিবর্তন করা না হয়, আর যদি কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। তবে আড়াই কোটি হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আমরা দায় নেবো না। এ সময় সংখ্যালঘু সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41