1. admin@dainikdrishtipat.com : admin :
  2. driste4391@yahoo.com : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০, ০৬:১০ অপরাহ্ন

কয়রায় ১৪টি পয়েন্ট দিয়ে লোকালয়ে ঢুকছে জোয়ারের পানি ॥ ৪টি ইউনিয়নের মৎস্য ঘের, ফসলী জমি, রাস্তা ঘাট প্লাবিত

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

এম এম নুর আলম ॥ উপকূলীয় মানুষের জীবনের মূল সমস্যাই নদী ভাঙ্গন। আচমকা নদী বড় নিষ্ঠুর হয়ে উঠে। তিল তিল করে গড়ে তোলা সংসার, ঘরবাড়ি এবং সহায় সম্বল চোখের পলকেই বিলিন হয় জোয়ারের পানিতে। আর ঠিক সে ভাবেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সুপার সাইক্লোন আম্ফানের আঘাতে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীর কয়েকটি পয়েন্টে ভেঙে যাওয়ায় মুহুত্বের মধেই প্লাবিত প্লাবিত হয় ৪টি ইউনিয়ন। জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় মৎস্য ঘের, ফসলী জমি ও গুরুত্বপূর্ণ সকল রাস্তা ঘাট। জলমগ্ন হয়ে বিধ্বস্থ হয় হাজারও কাঁচা ঘরবাড়ী। নদী ভাঙ্গনের ফলে উপজেলার মহারাজপুর, উত্তর বেদকাশি ও দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নে বন্ধ হয়ে যায় যাতায়াত ব্যবস্থা। বিছিন্ন হয়ে যায় বিদ্যুৎ সংযোগ, ঘরের মধ্যে উচু মাঁচা তৈরি করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন স্থানীয়রা। অন্যদিকে গবাদী পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন পরিবারগুলো। টিউবওয়েল গুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির চরম সঙ্কটে পড়েছে গ্রামবাসী। গত কয়েকদিনে ভাঙ্গন কবলিত স্থানে বাঁধ দিতে না পারায় প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা ও পানিবন্দী হয়ে মানবতার জীবনযাপন করছে নদীর পাশ্ববর্তী লক্ষাধিক মানুষ। বর্তমানে নদী ভাঙ্গন তীব্রতা আকার ধারণ করায় এলাকার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মীয় স্বজনের বাড়ী, রাস্তার পাশে নিরাপদ স্থানে অথবা উপজেলা সদরের আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। এব্যাপারে জানতে চাইলে কয়রা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম জানান, খুলনা ৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বে আম্ফান ঝড়ের সকাল থেকে উপজেলার ভাঙ্গন কবলিত স্থান পরিদর্শন করা হয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমান লিপিবদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের জরুরী সভায় বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর মাধ্যমে বাঁধ নির্মান করলে দ্রুত হবে বলে জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীকে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাঁধ নির্মানের দায়িত্ব দেওয়া হলেও বাকী ১১টি পয়েন্টে বাঁধ নির্মানের ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড অদ্যবদি কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। দ্রুত ভাঙ্গন কবলিত স্থানে বাঁধ নির্মান করা না হলে কয়রা উপজেলা নদীর জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41