1. admin@dainikdrishtipat.com : admin :
  2. driste4391@yahoo.com : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতাপনগর কাঁদছে : গ্রাম ছাড়ছে অনেকে ॥ ত্রান নয় তারা চান স্থায়ী টেকসই বাধ : জনগনই শেষ শক্তি সাতক্ষীরা সদর সংসদ সদস্য সহ ৬জনের করোনা পজেটিভ ॥ সামেকে আইসোলশনে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু এক সাতক্ষীরা মেডিকেলে হাই ফ্লো নাসাল ক্যানুলা প্রদান করলো জেলা প্রশাসন শ্যামনগরে বিভিন্ন রোগীদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরন করলেন এমপি জগলুল হায়দার কলারোয়ার কাকডাঙ্গা সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন এমপি লুৎফুল্লাহ রবি এমপির সুস্থ্যতা কামনা জেলা আ’লীগের জীবনের ঝুকি নিয়ে করোনা মুক্ত করার প্রয়াসে এমপি রবি নিজেই আক্রান্ত সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সুস্থতা কামনা করে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বিবৃতি যুগের বার্তার সম্পাদক আ,ন,ম আবু সাঈদসহ পরিবারের সদস্যদের সুস্থ্যতা কামনায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বিবৃতি ১০৩ বোতল ফেনসিডিল সহ একজন গ্রেফতার

স্বেচ্ছাশ্রমে প্রতাপনগর চাকলার প্লাবিত জোয়ার ভাটা আটকালো হাজার হাজার বানভাসী এলাকাবাসী

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০

প্রতাপনগর (আশাশুনি) প্রতিনিধি : সকল অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে প্রতাপনগর চাকলার প্লাবিত অঞ্চলের জোয়ার ভাটা আটকালো হাজার হাজার ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসী এলাকাবাসী। ঘরে ফেরা হবে না! চাল চুলা হারা বানভাসী মানুষের। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অপেক্ষায় বসে না থেকে গতকাল প্রতাপনগর ইউনিয়নের গণ্যমান্য, জন প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আপমর আমজনতা, ধর্ম বর্ণ, শিক্ষক, ছাত্র সহ সর্ব শ্রেনী পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে চাকলায় রিং বাঁধের বাঁধ আটকাতে সফল হয়েছে এলাকাবাসী। বাঁধ নির্মাণ কাজে ভুক্তভোগী স্থানীয়রা পরিবার প্রতি ৫০০/- জমি বিঘা প্রতি ১০০০/- টাকা উত্তোলন করতঃ এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের যোগাযোগে পানি উন্নয়ন বোর্ড তথা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে বাঁশ, বস্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের জীবন মরণ চেষ্টা ও আল্লাহর অফুরন্ত রহমতে চকলার এ বাঁধ চাপান সম্পন্ন করা হয়েছে। মহা প্রলয়ঙ্কারী জ্বলোচ্ছ্বাস ঘুর্নিঝড় আম্ফান আগ্রাসনে বিধ্বস্ত প্লাবিত হয়ে জোয়ার ভাটার স্রোত ধারার শা শা শব্দে বয়ে চলার আজ একমাস দশ দিন পর, বাঁধ আটকাতে পারলেও এ এলাকার মানুষের ঘরে ফেরা দুরহ ব্যাপার হয়ে গেছে পড়েছে। চাল নেই তো চুলা নেই, ঘর নেই তো বেড়া নেই। ভিটা নেই তো মাটি নেই। কারো বা ঘর শিমানা নদী গর্ভে বিলীন, কারো আবার ঘর দুয়ার ছোট নদীতে গভীর খালে রুপান্ত। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী গভীর চিন্তিত অবস্থায় আছে বলে লক্ষ্য করা গেছে। জোয়ার ভাটা থেকে মুক্ত হলো চাকলা, সুভদ্রাকাটি, দীঘলার আইট ও রুইয়ারবিল। এই চার গ্রামের মানুষ আপাতত কপোতাক্ষের জোয়ার ভাটার স্রোত ধারা থেকে মুক্তি পেলেও প্রতাপনগর ইউনিয়নের অন্যান্য গ্রাম গুলোর চিত্র আগেরই মতো। এমতাবস্থায় ইউনিয়নের অন্যান্য ভাঙ্গন স্থান গুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রিং বাঁধ নির্মাণ করে জোয়ার ভাটার হাত থেকে রক্ষার দাবী বানভাসী এলাকাবাসীর।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41