1. admin@dainikdrishtipat.com : admin :
  2. driste4391@yahoo.com : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কালো সোনার হাতছানি ॥ অমিত সম্ভাবনার ব্লু ইকোনমি সাতক্ষীরা শহরের সড়কে সড়কে ও গ্রামের বাজারে বেওয়ারিশ কুকুর : খাদ্যের অভাবে হিংস্র হচ্ছে প্রভুভক্ত প্রাণি আশাশুনিতে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে জনপ্রশাসন সচিব সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে সাপ্তাহিক মুক্তস্বাধীন পত্রিকার ৮ম তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাতক্ষীরা সদরের চার ইউনিয়নের জলাবদ্ধ এলাকার পানি নিষ্কাষনের দাবিতে দ্বিতীয় দিন মানববন্ধন আমরা সবাই একটি সুন্দর সাতক্ষীরার স্বপ্ন দেখি – বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় এমপি রবি নূরজাহান আহমদের কুলখানী অনুষ্ঠিত মুজিববর্ষ উপলক্ষে জনপ্রশাসন সচিবের বৃক্ষরোপণ হরিনগর ওয়াপদার সুইচগেটে আবারও ধস ॥ এলাকাবাসী আতঙ্কে লাবসায় মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের চেক প্রদান করলেন প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু

সুর স¤্রাট আলাউদ্দিন আলী আর নেই

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০

এফএনএস: বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী আর নেই। গতকাল রোববার রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫টা ৫০মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আলাউদ্দিন আলীর মৃত্যুর তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে আলিফ আলাউদ্দিন ও ঘনিষ্ঠজন মোমিন বিশ্বাস। এর আগে গত শনিবার ভোরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় ও তীব্র শ্বাসকষ্ট থাকায় লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। আলাউদ্দীন আলী একাধারে একজন সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, বেহালাবাদক ও গীতিকার। ১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর পুরোনো ঢাকায় তার জন্ম। তার বাবা ওস্তাদ জাদব আলী। আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলী দীর্ঘ মিউজিক ক্যারিয়ারে প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রের গানে সুর দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিলতায় ভুগছিলেন আলাউদ্দিন আলী। ২০১৫ সালে তাকে চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক নেওয়া হলে জানা যায়, তার ফুসফুসে একটি টিউমার রয়েছে। এরপর তার অন্যান্য শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি ক্যান্সারের চিকিৎসাও চলে। গত বছর ২২ জানুয়ারি অসুস্থ আলাউদ্দীন আলীকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে দুই মাসের বেশি সময় ধরে চিকিৎসায় তিনি প্রায় সুস্থ হয়ে উঠেন। এরপর একই বছর এপ্রিল মাসে শ্বাসনালী ও পাজরের বাঁ পাশে নিস্তেজসহ নানা রোগে আক্রান্ত অবস্থায় সাভারের সিআরপি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় গুণী এই সংগীত পরিচালকে। সেখানে দীর্ঘ তিন মাস চিকিৎসা নেওয়ার অনেকটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। ১৯৬৮ সালে তিনি যন্ত্রশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে আসেন এবং আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি প্রখ্যাত সুরকার আনোয়ার পারভেজসহ বিভিন্ন সুরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৫ সালে সংগীত পরিচালনা করে বেশ প্রশংসিত হন। গোলাপী এখন ট্রেনে, সুন্দরী, কসাই ও যোগাযোগ চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে। অসংখ্য কালজয়ী গানের সংগীত পরিচালক ছিলেন আলাউদ্দিন আলী। তার লেখা, সুর করা ও সংগীত পরিচালনায় অসংখ্য গান শ্রোতাপ্রিয় হয়েছে। চলচ্চিত্র, বেতার, টেলিভিশন মিলে প্রায় হাজার পাঁচেক গান তৈরি করেছেন তিনি। সেসব গান আজও মুখে মুখে ফেরে। আলাউদ্দিন আলীর জনপ্রিয় ও কালজয়ী কিছু গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- একবার যদি কেউ ভালোবাসতো, যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়, ইস্টিশনের রেলগাড়িটা, দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয়, হয় যদি বদনাম হোক আরো, ও আমার বাংলা মা তোর, আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার, সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী হয়ে কারও ঘরনি, সূর্যোদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি ও আমার বাংলাদেশ, বন্ধু তিন দিন তোর বাড়ি গেলাম দেখা পাইলাম না, যেটুকু সময় তুমি থাকো কাছে, মনে হয় এ দেহে প্রাণ আছে, এমনও তো প্রেম হয়, চোখের জলে কথা কয়, সবাই বলে বয়স বাড়ে, আমি বলি কমে রে, আমায় গেঁথে দাওনা মাগো, একটা পলাশ ফুলের মালা, শত জনমের স্বপ্ন তুমি আমার জীবনে এলে, তোমাকে চাই আমি আরও কাছে, এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই, কেউ কোনোদিন আমারে তো কথা দিল না, পারি না ভুলে যেতে, স্মৃতিরা মালা গেঁথে, জন্ম থেকে জ¦লছি মাগো, ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা। আরও আছে আমার মনের ভেতর অনেক জ¦ালা আগুন হইয়া জ¦লে, হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ, ভালোবাসা যতো বড়ো জীবন তত বড় নয়, প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ, বাড়ির মানুষ কয় আমায় তাবিজ করেছে, আকাশের সব তারা ঝরে যাবে, এ জীবন তোমাকে দিলাম, কেন আশা বেঁধে রাখি, সাগরিকা বেঁচে আছে তোমারই ভালোবাসায়, দিন কি রাতে, আমার মতো এত সুখী নয় তো কারো জীবন ইত্যাদি। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীত ও চলচ্চিত্রসহ দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41