1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দূর্গোৎসবে সাতক্ষীরার মন্ডবে মন্ডবে আলোর বিচ্ছুরন ॥ স্বাস্থবিধি, উৎসব এবং আনন্দ্রস্রোতে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ সাগরে গভীর নিম্নচাপ, ভারী বর্ষণ-জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতা খুলনায় জুট মিলের ভেতর শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা কালিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ১২শত’ ইয়াবাসহ গ্রেফতার-৫ শোভনালীর বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল পারুলিয়ায় নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে জিএম সৈকতের শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রাকৃতিক দূর্যোগ, দূর্বিপাকে বাংলাদেশ দূর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে দেবহাটা প্রেসক্লাব বিদায়ী নির্বাহী অফিসার কে সম্মাননা জানালেন

যশোরে ধর্ষণের মামলার সাত আসামিকে আদালতে সোপর্দ ॥ ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

যশোর প্রতিনিধি: যশোরে বাসের মধ্যে এক নারীকে ধর্ষণের মামলার সাত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদের আদালতে তাদের সোপর্দ করা হয়। ওই নারীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পুন্ন হয়েছেএ রিপোর্ট আসলে জানা যাবে তিনি ধর্ষিত হয়েছে কিনা মামলার প্রধান আসামি মনিরুল ইসলাম ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের ওহিদুলের ছেলে ও এমকে পরিবহনের হেলপার। বাকি ছয় আসামি হচ্ছে শহরের সিটি কলেজপাড়ার রনজিৎ বিশ্বাসের ছেলে কৃষ্ণ, একই এলাকার সমর সিংহের ছেলে সুবাস সিংহ, শহরের বারান্দিপাড়ার জাবেদুল ইসলাম জাবেদের ছেলে রকিবুল ইসলাম রকিব, শহরের বেজপাড়ার গোলাম মাওলার ছেলে মইনুল ইসলাম মইন ও শহরের পূর্ববারান্দি মোল্লাপাড়ার শফিকুল ইসলাম বাবুর ছেলে শাহিন আহমেদ জনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মনিরুলসহ সাত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মনিরুল ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছে। ভিকটিম নিজেই শুক্রবার রাতে কোতয়ালি থানায় সাতজনের নামে মামলা করে। গত ৮ অক্টোবর গভীর রাতে যশোর শহরের মুড়লী বকচর কোল্ড স্টোরের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা এমকে পরিবহনের একটি বাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী রাজশাহীর একটি ক্লিনিকে আয়া হিসেবে কর্মরত। ছুটিতে বাড়ি আসার সময় সাধারণত এমকে পরিবহনে আসেন। সেই সুবাদে এমকে পরিবহনের হেলপার মনিরুল ইসলাম ওরফে মনিরের সঙ্গে পরিচয় হয়। মাঝে মধ্যে তাদের মোবাইল ফোনে কথাও হয়। ৮ অক্টোবর বাড়ির যাওয়ার জন্য রাজশাহী থেকে এমকে পরিবহনে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। গাড়িতে আসার সময় মোবাইলে মনিরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে মণিহার মোড়ে নামতে বলে। এরপর তার কথা মত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মণিহার মোড়ে নামলে সেখানে একটি হোটেলে এক সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করেন তারা। ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, রাতে মনিরুল ইসলামকে বাড়ি পৌঁছানোর কথা বলি। মনিরুল তার নিজের গাড়ি এমকে পরিবহনের মাধ্যমে নিউমার্কেটে নিয়ে গাড়িতে উঠিয়ে দেয়ার কথা বলে। আমি সরল বিশ্বাসে রিকশায় মনিরুলের সঙ্গে বকচর কোল্ডস্টোরের পাশে রাখা এমকে পরিবহনে ভিতরে যাই। এরপর রাত ১টার দিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মনিরুল। পরবর্তীতে রাত দেড়টার দিকে আসামি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, মঈনুল ইসলাম মঈন, কাজী মুকুল, শাহীন আহমেদ জনি, সুভাষ সিংহ, কৃষ্ণ বিশ্বাস এসে গাড়ির দরজা ধাক্কাধাক্কি ও গালাগাল করে। একপর্যায়ে মনিরুল গাড়ির দরজা খুলে দিলে আমি বের হতে চাইলে আসামিরা আমাকে আটকে রাখে। আসামি রাকিবুল, মঈনুল ইসলাম মঈন ও কাজী মুকুল বাসের মধ্যে উঠে আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি চিৎকার চেঁচামেচি করলে অন্যান্য আসামিরা সবাই মিলে আমাকে ও মনিরুলকে চড় কিল ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারতে থাকে। তারা ব্যাগে থাকা ৫ হাজার টাকা চুরি করে নেয়। আশপাশের লোকজনে এগিয়ে আসে। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। যশোর জেনারেল হাসপাতালের আর এম ও ডা.আরিফ আহম্মেদ বলেন ধর্ষনে অভিযুক্ত নারীর ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে বলা যাবে তিনি ধর্ষিত হয়েছে কিনা।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41