1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দূর্গোৎসবে সাতক্ষীরার মন্ডবে মন্ডবে আলোর বিচ্ছুরন ॥ স্বাস্থবিধি, উৎসব এবং আনন্দ্রস্রোতে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ সাগরে গভীর নিম্নচাপ, ভারী বর্ষণ-জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতা খুলনায় জুট মিলের ভেতর শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা কালিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ১২শত’ ইয়াবাসহ গ্রেফতার-৫ শোভনালীর বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল পারুলিয়ায় নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে জিএম সৈকতের শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রাকৃতিক দূর্যোগ, দূর্বিপাকে বাংলাদেশ দূর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে দেবহাটা প্রেসক্লাব বিদায়ী নির্বাহী অফিসার কে সম্মাননা জানালেন

আশাশুনিতে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লি. এর মেয়াদোত্তীর্ণ পলিসির অর্থ না পাওয়ায় বিপাকে শতাধিক পলিসি হোল্ডার

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০

আশাশুনি অফিস ঃ আশাশুনিতে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লি. এর মেয়াদোত্তীর্ণ পলিসির অর্থ ফেরত না পাওয়ায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফেরত না দেওয়ায় বিপাকে পড়েছে শতাধিক পলিসি হোল্ডার। টাকা ফেরত দেবার কথা বলে পলিসির মাসিক জমার পাসবই ও দলিল বাগিয়ে নিয়ে তালবাহানা করছে ইন্স্যুরেন্সের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া গ্রামের মৃত কচিমুদ্দীন সানার পুত্র মাও. আসাদুজ্জামান। কাকবাসিয়া গ্রামের আবু মুছা সরদারের স্ত্রী হালিমা খাতুন জানান-মাও. আসাদুজ্জামানের পরামর্শে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে সঞ্চয়ী বীমা প্রকল্পে (পলিসি নং- ১২৬৪০৩৭৬-৫, মাসিক-১০০ টাকা কিস্তি, ১০ বছর মেয়াদী) গ্রাহক হয়েছিলাম। আমার পলিসির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় আমি মাও. আসাদুজ্জামানের কাছে টাকা চাইতে গেলে তিনি বলেন-বীমাবই ও চুক্তিনামা নিয়ে এসো। আমি সরল বিশ্বাসে তাকে সেগুলি হস্তান্তর করি। এরপর তিনি আজ-কাল করে তালবাহানা শুরু করেন। তিন বছর ঘোরার পর আমি তার বাড়ী গেলে তিনি টাকা দিতে পারবেন না, টাকা অফিস থেকে নিতে বলে আমাকে বাড়ী থেকে বের করে দেন। আমার তিল তিল করে জমানো টাকা আমি ফেরত চাই। একইভাবে চেচুয়া গ্রামের রফিকুল সরদারের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন (পলিসি নং ১২৬৪০৪১৪-৪), আনুলিয়া গ্রামের আব্দুল্যার স্ত্রী আছমা খাতুন (পলিসি নং ১৪১১১১০৮০৭-৩), মোসলেমা খাতুনসহ আরও ভুক্তভোগী বীমাকারীরা মাওলানা আসাদুজ্জামান বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন- মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর আমাদের কাছ থেকে বীমা বই ও জমা রশিদ হাতিয়ে নিয়ে সে আমাদের চোখ রাঙাচ্ছে। আমাদের টাকা কৌশলে তুলে নিয়ে সে নিজে জমি-জমা কিনে ও মৎস্যঘের করে ঢাকা-খুলনা করে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে মাও. আসাদুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি জানান- আমি কাউকে হুমকি দেয়নি, আমার সাড়ে ৫শ পলিসির মধ্যে ৪শ গ্রাহক তাদের টাকা ফেরৎ পেয়েছেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে ৬৭ গ্রাহকের নির্বাহী রশিদ এসে গেছে। অফিসিয়াল কিছু কার্যক্রমের একটু দেরি হচ্ছে। বাকী গুলোর মেয়াদ শেষ হলে তারা পাবেন।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41