1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেকও এখন ব্যবহার হচ্ছে না আদালত প্রাঙ্গন বিচার প্রার্থী বান্ধব করা হবে -সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশের সিরিজ জয় বৈকারী শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ধুলিহরে ভ্যান উল্টে চালক নিহত সাতক্ষীরা পৌর নির্বাচনে আ’লীগ মনোনিত প্রার্থীর পক্ষে গনসংযোগ বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. এন্তাজ আলীর মৃত্যু বার্ষিকী আজ দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মন্ত্রিসভা বৈঠক বিসিকের নবযোগদানকৃত ডিএম এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত সাতক্ষীরা পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে আওয়ামীলীগের সমর্থন পেলেন যারা

ফলোআপ ॥ স্বজন প্রীতির মধ্যে চলছে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০

খান হামিদুল ইসলাম পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি ॥ স্বজন প্রীতির মধ্যে চলছে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির। হয়রানির শিকার হচ্ছে গরিব অসহায় হতদরিদ্র গ্রাহক। পল্লী বিদ্যুৎতের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে দেখা করতে গেলে অর্থ-বিত্ত ওয়ালা না হলে দেখা মেলে না। সূত্রে প্রকাশ গত ২১/০৩/২০২০ তারিখে দাদপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুন জানতে পারে তার পাটকেলঘাটা হারুণ অর রশিদ কলেজের পাশে ক্রয়কৃত ৩ শতক জমির উপর দিয়ে স্থানীয় মিলন হাজীর প্রচেষ্টায় রুট পরিবর্তন করে বৈদ্যুতিক তার যাচ্ছে। তিনি তাদেরকে মৌখিকভাবে লাইনটি না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে তার বাঁধা উপেক্ষা করার কারণে গত ২২/০৩/২০২০ তারিখে তার জমির উপর দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইনের তার না দেওয়ার জন্য লিখিতভাবে অবহিত করেন। অপরদিকে পাশাপাশি বড় কাশিপুর গ্রামের শেখ আবু দাউদের বাইগুনি মৌজায় পাটকেলঘাটা হারুণ অর রশিদ ডিগ্রি কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে নিজস্ব ক্রয়কৃত ০.০২৫০ জমি আছে। পূর্ব পার্শ্বে রবিন বিশ্বাসের জমির উপর দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইন টানা ছিলো। চলার পথে আবু দাউদ দেখতে পাই লাইনটি রুট পরিবর্তন করে তার জমির উপর দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি গত ২৩/০৩/২০২০ তারিখে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে তার ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইন না দেওয়ার জন্য লিখিত ভাবে আবেদন করে। কিন্তু উপরোক্ত ব্যক্তিদের কাউকে কিছু না জানিয়ে ১৬/১১/২০২০ ইং তারিখে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা তার পছন্দ মানুষের জমির উপর থেকে তার অপসারণ করে বৈদ্যুতিক লাইনের তার টেনে গেছে। জানতে পারি যে, বৈদ্যুতিক পোল সরাতে গেলে সমীক্ষা ফি বাবদ ৮০৫ টাকা জমা প্রদান করতে হয়। তার পরে অফিস থেকে ইঞ্জিনিয়ার যেয়ে প্রাথমিক সমীক্ষা করে পোল সরানোর জন্য নির্দিষ্ট প্রাক্কলন ও অন্যান্য খরচ অফিসে ক্যাশ কাউন্টারে জমা প্রদানের পরে টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ করার কথা থাকলেও উক্ত স্থানের চিত্র ভিন্ন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারি সমীক্ষা ফি এবং প্রাক্কলন দুটোর একটাও জমা হয়নি। তারপরেও যে কাজটি করবে ঠিকাদার এবং তার তদারকিতে থাকবে একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার অথবা এজিএম নিপর, কিন্তু এখান কার চিত্রও ভিন্ন। উক্ত কাজটি করার সময় ডিজিএম কারিগরি প্রকৌশলী মাসুম আহম্মেদ উপস্থিত থেকে কাজটি সম্পন্ন করেছেন বলে ভুক্ত ভোগীরা জানান। অন্যদিকে ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানায়, আবেদন জমা প্রদানকালে অফিস থেকে জানায় রুট পরিবর্তনের সময় আপনাকে অবহিত করা হবে কিন্তিু কাজ শেষ হলেও আমি জানতে পারলাম না। অপর ভুক্ত ভোগী আবু দাউদ বলেন, আমি লিগ্যাল নোটিশ করার ফলে অফিস থেকে আমাকে ০৩/১১/২০২০ একটা চিঠি প্রদান করে। উক্ত চিঠিতে লেখা ছিলো যে, অফিস থেকে ফরম সংগ্রহ করে আবেদন করতে। আমি ফরম সংগ্রহ করতে গেলে প্রাথমিক যে অফিসারের কাছে যায় উনি আমাকে বলেন আপনি ডিজিএম কারিগরি স্যারের সাথে যোগাযোগ করেন। আমি ডিজিএম সাহেবের ওখানে পৌছানো মাত্রই ফ্লিম স্টাইলে চেয়ার ঘুর দিয়ে আমার দিকে চেয়ে বলেন, (রাগান্তি অবস্থায়) আপনি লিগ্যাল নোটিশ করেছেন কেনো? আমাকে আপনি চেনেন? আমার ক্ষমতা সম্পর্কে জানেন এই বলে উঠে দাড়িয়ে তার মুঠো ফোনে আমার ছবি উঠিয়ে নেন। এ বিষয়ে ডিজিএম প্রকৌশলী মাসুম আহম্মেদ কারিগরি দৈনিক দৃষ্টিপাতকে বলেন মসজিদ, মন্দির এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমীক্ষা ফি জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তার পরও উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে আবেদন করে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সন্তোষ কুমার সাহা তার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মানের জন্য বিদ্যুতের তার এবং খুটি সরানোর জন্য আবেদন করে তাহলে অফিসের খরচে উক্ত কাজ সম্পন্ন করা হয়। সরেজমিনে গেলে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জেনারেল ম্যানেজার এবং ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এর কথার সাথে কোন মিল পাওয়া যায়নি। কারণ উক্ত স্থানে নাম মাত্রই একটি সাইন বোর্ড আছে যাতে লেখা আছে আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মাণ কাজ চলিতেছে। এলাকা বাসি বলেন উক্ত স্থানে দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত সাইন বোর্ডটি আছে। উক্ত স্থানে যে কাজটি পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ করিয়েছে সেটি স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ অফিস লাখের অধিক টাকা ক্ষতির সম্মুখে হয়েছে। আর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দুইজন শেখ আবু দাউদ এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন। উক্ত দুইজন যথাযথ কর্তপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত পূর্বক সুষ্ঠ বিচার দাবী করেছেন।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41