1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

খুলনার দাকোপে পানির অভাবে তরমুজ চাষীরা হতাশ

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি ॥ খুলনার দাকোপ উপজেলায় গত বছরের তুলনায় এবার দিগুণের বেশি জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। তবে কৃষকদের লাভের সম্ভাবনায় হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে সেচের পানির অভাবে। ফলন কমার পাশাপাশি তরমুজের গাছ মরে যাওয়ারই আশাঙ্খা দেখা দিয়েছে। দাকোপ উপজেলায় চাষি ও কৃষি কর্মকর্তারা বলেছেন পানির উৎস খালগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় এবং গত কয়েক মাস বৃষ্টি না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দাকোপ উপজেলায় উপজেলা কৃষি সম্প্রাসাণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে খুলনা বিভাগের মধ্যে খুলনায় সবচেয়ে তরমুজের চাষ হয়। এর মধ্যে জেলার উৎপাদিত তরমুজের ৭০-৭৫ শতাংশই দাকোপের। গত বছর ১ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে আবাদ জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছিল। এবার ৩ হাজার ৪০৭ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। দাকোপের অন্তত ১৫টি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ জমির তরমুজগাছ বড়হয়ে গেছে। গাছে ফুল ও গুটি আশা শুরুকরেছে, কিছু ক্ষেতে তরমুজ বড় হয়ে গেছে। পানি, সারও কীটনাশক ছিটানোয় ব্যস্ত সময় পার করছেন কিষান কিষানিরা। তবে সেচের তীব্র সংকট। প্রচন্ড তাপে এবং দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় মাঠের ভেতরের খাল-বিল শুকিয়ে গেছে। অনেকে ছেট ছোট কুয়াকেটে প্রথক দিকে সেখান থেকে সেচ দিয়েছেন। কিন্তু পানির আধার গুলোতেও পানি শুকিয়ে গেছে। আবার অনেক কৃষক দুরের নদী থেকে পাম্প ও পাইপের মাধ্যমে খেতে পানি দিচ্ছেন। সে নদীও এখন শুকিয়ে গেছে। দাকোপে বাজুয়া ইউনিয়ের কৃষক মুরারী মোহন থান্ডার বলেন তিনি ৫ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন,কিন্তু পানি নেই স্থায়ী কচা নদীটি একেবারে শুকিয়ে গেছে সরকারি ভাবে নদীটি খনন করলে এবং নদীটিতে কোমর দেওয়া বন্দ হলে নদীটির যৌবন ফিরে পেতো। চুনকুড়ি ডাঙ্গাপাড়া এলাকার কৃষক উজ্জ্বলরায়, আপূর্ব সরকার, গোলক সরদার, শুভংর বিশ্বাস, মলায় বিশ্বাস, এর সাথে কথা হলে এ প্রতিবেদককে বলেন আমাদের এলাকায় চুনকুড়ি দোয়ানিয়া ও তালতলা নামে দুইটা খাল আছে, কিন্তু খালে পানি না থাকায় আমরা তরমুজ ক্ষেতে সেচ দিতে পারছিনা, পানির অভাবে তরমুজ ক্ষেতে গাছ লাল হচ্ছে। খাল দুই টি খনন করা প্রয়োজন। আমরা আপনাদের সহযোগিতায় সরকারের কাছে এ আবেদন করছি। আপনাদের লেখনী দিয়েই আমাদের আবেদনটি পৌঁছে দেওয়া হোক। নদী খাল খনন এখন সময়ের দাবীতে পরিনত হয়েছে। দাকোপ উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা মেহেদী হাসান খান বলেন, আগামী ১০দিনের মধ্যে বৃষ্টি না হলে তরমুজ চাষীরা পানির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41