1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের ঈদ উৎসব \ উচ্চ করোনা সংক্রমণের শঙ্কা ঘুর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রি বিতরণ সাতক্ষীরার বাজার গুলোতে তালের শাঁসের উপস্থিতি \ তপ্ত শরীর তৃপ্তি আর স্বাদে অদ্বিতীয় সাতক্ষীরায় বৈশাখের টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত \ শহর গামী মানুষের দূর্ভোগ চরমে আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ আমার মা আমাদের মা -ইয়াসমিন নাহার, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাতক্ষীরা। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ বৃহস্পতিবার দেবহাটার সুশিলগাতী আম বাগানে মহিলার লাশ সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ মহামারী ও দূর্যোগকালীন সময়ে মানবিক সহায়তা নিয়ে মানুষের পাশ্বে দাড়ায় আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে জলবায়ূ পরিবর্তন সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা

আজ থেকে সর্বাত্মক লকডাউন

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১

এফএনএস: দেশে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউন। যা চলবে আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে এর আগেই ঢাকা ছাড়েন অনেক মানুষ। দূরপাল­ার গাড়ি বন্ধ থাকায় যে যেভাবে পারছিলেন সেভাবেই গ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করেন। যান সংকটে পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। গতকাল মঙ্গলবার ভোর থেকেই গাবতলীসহ রাজধানীর প্রত্যেকটি বাহির পথে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা যায়। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ এই পরিস্থিতিতে ঢাকা ছাড়েন বেশি। গাড়ির অপেক্ষায় সড়কের পাশে অপেক্ষারত ছিলেন শত শত যাত্রী। প্রাইভেট কার কিংবা পিকআপে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে রওনা হন অনেকে। কেউ কেউ আবার হেঁটেই যাত্রা শুরু করেন। বাড়ির পথে যতদূর যাওয়া যায় ততটুক এগুতে সিএনজি, বাইক আর ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিচ্ছে ঘরমুখো মানুষ। তাদের দাবি, লকডাউনে ঢাকায় থাকলে না খেয়ে থাকতে হবে। এদিকে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৪ এপ্রিল (আজ বুধবার) থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। লকডাউন চলাকালে বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে পালনের জন্য সংশিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়- ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত¡শাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। ২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। ৩. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। ৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। ৫. আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ¦ালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। ৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। ৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে। ৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। ৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে। ১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উলি­খিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদপেক্ষ গ্রহণ করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে। ১১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন। ১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে। ১৩. উপর্যুক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41