1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চালের উৎপাদন বাড়লেও ভোক্তা পর্যায়ে কমছে না দাম রেকর্ড গড়া জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় কঠোর লকডাউনে চিকিৎসাধীন মৃত্যু ৯ \ শনাক্ত ৬১ জন আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে ঢাকাস্থ ছাত্র কল্যাণ সমিতির শুভেচ্ছা বিনিময় বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপা অভিযানের প্রস্তুতি নাসার বিজিবি পৃথক অভিযানে সীমান্ত থেকে আটক ৫ শ্যামনগর বুড়িগোয়ালীনীতে রাস্তার বেহাল দশা পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান দোলন নূরনগরে বেশি দামে সার বিক্রি করার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা খাজরায় মূর্তি চুরির ঘটনায় মন্দির পরিদর্শন করলেন সহকারি পুলিশ সুপার জামিল আহমেদ চামড়া শিল্পের দুরবস্থা নিরসন জরুরী

পরিবহন সংকটে দুর্ভোগে ঘরমুখী মানুষ

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১

এফএনএস: ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন কারখানায় ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয় দুপুর থেকে। এতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘরমুখো মানুষের জটলা দেখা দেয়। পরিবহন সংকটের সঙ্গে বৃষ্টিতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ে মানুষ। গতকাল সোমবার দুপুর ৩টার দিকে আব্দুল­াহপুর-বাইপাইল সড়কের ম্যাকপাই ও জিরাবো বাসস্ট্যান্ডে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিন দেখা যায়, কারখানাগুলো ছুটি হওয়ার পরপরই মানুষের ¯্রােত নামে সড়কে। কেউ কোলে বাচ্চা, আবার কেউবা কাঁধে ব্যাগ নিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন পরিবহনের জন্য। এদিকে কেউ পরিবহন না পেয়ে রিকশা করে রওনা দেন গন্তব্যে। মানুষের এমন চাপে সড়কেও সৃষ্টি হয় যানজট। এছাড়া আশুলিয়ার বাইপাইল ত্রীমোড়, নরশিংহপুর, নবীনগর, শ্রীপুর, আশুলিয়া বাজার এলাকায় ঘরমুখো মানুষ পরিবহনের অপেক্ষায় ছিলেন। সিলভার এপ্যালেস লি. নামের পোশাক শ্রমিক আব্দুল­াহ বলেন, কারখানা ছুটি হওয়ার পরেই জিরাবো বাসস্ট্যান্ডে এসে দাঁড়িয়ে আছি। কাল রাতে কারখানা ছুটি হয়েছে। আগের ঈদেও বাড়ি যাইনি। এবার ছোট একটি কোরবানি দেব। তাই বাড়ি যাচ্ছি পরিবার নিয়ে। কিন্তু রাস্তায় এসে দেখি গাড়ি নেই। খালি মানুষ আর মানুষ। আছমা নামের আমান ফ্যাক্টরি এক অপারেটর বলেন, গাড়ি নেই, হেঁটেই বাইপাইল যাচ্ছেন। কিন্তু রাস্তায় পানি ও কাদা রয়েছে। বাইপাইল থেকে বাসে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় যাবেন। গাড়ি নেই, তাই হেঁটেই যাচ্ছি। লোকাল বাস যেগুলোই আসে সেগুলোতে ওঠার মতো জায়গা নেই। আলিফ পরিবহনের চালক আমিরুল বলেন, কালকেই এক কারখানার সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে যে, শেরপুর যাবো। তাই কারখানার সামনে থেকে শ্রমিকদের তুলে রওনা হয়েছি। গাড়িতে আর লোক ওঠানোর জায়গা নেই। জিরাবো ট্রাফিক পুলিশের ইনস্পেক্টর (টিআই) রবিউল ইসলাম বলেন, দুপুর পর থেকে মানুষের চাপ বেড়েছে। সঙ্গে বেড়েছে গাড়ির চাপও। আমরা চেষ্টা করেছি সড়ক স্বাভাবিক রাখতে। খুব দ্রুতই সড়কে স্বাভাবিক ভাবে গাড়ি চলবে।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41