1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

প্লাবিত প্রতাপনগরের মানুষের দুঃখ দুর্ভোগ লাঘবে বিকল্প রিং বাঁধ টিকিয়ে রাখতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মাসুম প্রতাপনগর (আশাশুনি) থেকে \ প্লাবিত প্রতাপনগরের মানুষের দুঃখ দুর্ভোগ লাঘবে বিকল্প রিং বাঁধ টিকিয়ে রাখতে মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় জরুরী ভিত্তিতে মাননীয় জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা বানভাসি অসহায় এলাকাবাসীর। হাজারো এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে ভাঙ্গন বিকল্প রিং বাঁধ বাধার ৬ ঘন্টাও টিকলো। চারিদিকে শুধু ই জোয়ারের পানি বইছে। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু দাউদ ঢালীর সার্বিক প্রচেষ্টায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কঠোর পদক্ষেপ এলাকাবাসীর কঠোর পরিশ্রমে বিকল্প রিং বাঁধ দেয়া হয়। সেই বিকল্প রিং বাঁধ টিকিয়ে রাখা চরম চ্যালেঞ্জি হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে সাড়ে তিন কিলোমিটার এই রিং বাঁধের তিনটি পয়েন্ট থেকে ভেঙ্গে নতুন করে এলাকা প্লাবিত হয়। তৎক্ষণাৎ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এলাকার সচেতন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কঠোর চেষ্টায় সেই ভাঙ্গন পয়েন্ট আটকাতে সক্ষম হয়। চরম দুর্ভোগ জনক সত্য যে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় প্রতাপনগর মানিক হাওলাদারের বাড়ির উত্তর পাশের বিকল্প রিং বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে নতুন নতুন এলাকার ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়ে গেছে। এছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যার পর প্রতাপনগর আফসার সরদারের বাড়ির সামনের রিং বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়। গতকাল সকাল থেকে হাজারো এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙ্গন পয়েন্ট আটকাতে সক্ষম হলেও সন্ধ্যায় বাধা বাঁধ টি ভাটার তোড়ে নদী গর্ভে চলে গেছে। বিগত বছরের ২০ মে ঘুর্নিঝড় আম্ফানের পর প্রতাপনগর ইউনিয়ন টি দীর্ঘ প্রায় দশ মাস কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর জোয়ার ভাটায় নিমজ্জিত ছিল। ভাঙ্গন বাধ বাধার তিন মাস না যেতেই আবারও ঘুর্নিঝড় ইয়াস-যশ প্রভাবে প্রতাপনগরের মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে আজও বন্যতলার ভাঙ্গন পয়েন্ট দিয়ে খোলপেটুয়া নদীর লবণাক্ত পানির জোয়ার ভাটা চলছে। এই এলাকার মানুষেরা সীমাহীন দুঃখ দুর্ভোগ দুর্দশা দুর্বিষহময় পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হয়ে চরম মানবতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। ইতোমধ্যে এলাকা ছেড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অজানা গন্তব্যে অনেক পরিবার পাড়ি জমিয়েছেন। আম্ফানের পর থেকে শতশত পরিবার বেড়িবাঁধের উপর ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছে। এই এলাকার মানুষের সীমাহীন দুরাবস্থার অবসান ঘটাতে তথা জোয়ার ভাটা মুক্ত করতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু দাউদ ঢালীর সার্বিক প্রচেষ্টায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কঠোর পদক্ষেপ তিন টি গ্রামের প্রায় চার পাঁচ হাজার মানুষ কে জোয়ার ভাটায় রেখে বন্যতলা মান্দার মোল­ার পুকুর ঘাট থেকে প্রতাপনগরের প্রাণ কেন্দ্র তালতলা বাজার হয়ে কর্মকার বাড়ী পর্যন্ত বিকল্প রিং বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে প্লাবিত এলাকার সত্তর ভাগ এলাকা জোয়ার ভাটা মুক্ত করতে সক্ষম হয়। চরম দুর্ভোগ জনক সত্য যে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিকল্প রিং বাঁধ টি টিকিয়ে রাখা চরম চ্যালেঞ্জি হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় প্লাবিত বানভাসি ভুক্তভোগী অসহায় মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় মাননীয় জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সর্ব শ্রেণী পেশার সচেতন গণ্যমান্য বানভাসি এলাকাবাসী।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41